শিরোনাম
◈ আজও উত্তপ্ত মিরপুর, পুলিশ-শ্রমিকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ◈ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ◈ বাজারে কমছে সবজি, ডিম ও মুরগির দাম ◈ তৃতীয় টার্মিনাল নিয়ে জাপানের কঠিন শর্ত মেনে নিল বাংলাদেশ ◈ মাটির নিচেই গোটা গ্রাম, ২০০ বছরের পুরোনো বাড়িতে আজও বসবাস করছেন হাজারো মানুষ! ◈ ৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে কি না, জানতে চাইল পুলিশ সদর দপ্তর ◈ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তুরস্কের বিশেষজ্ঞ দল ◈ রাজনৈতিক দলগুলোর এত টাকা আসে কোথা থেকে, দল চালাতে কত টাকা লাগে: টিআইবির গবেষণা ◈ কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় আবুধাবিতে ফেরত যাচ্ছিল ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার স্বর্ণের ডিম, আটক ৬টি ◈ ওয়ারীতে বাসায় কুশ চাষ ও মাদক সরবরাহ, যুক্তরাষ্ট্রফেরত ২২ বছর বয়সী তৌসিফ গ্রেপ্তার

প্রকাশিত : ২৮ মে, ২০১৯, ১২:৩২ দুপুর
আপডেট : ২৮ মে, ২০১৯, ১২:৩২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আজ নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস, প্রসবজনিত জটিলতায় প্রতিদিন মারা যাচ্ছে ১৫ জন

ডেস্ক রিপোর্ট : গর্ভধারণ ও প্রসবজনিত জটিলতায় গড়ে ১৫ জন মায়ের মৃত্যু হয় দেশে প্রতিদিন। প্রসব পরবর্তী রক্তক্ষরণ, খিঁচুনি, গর্ভকালীন জটিলতা, ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা ও পরিবারের অবহেলা মাতৃমৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। বেশির ভাগ গর্ভজনিত মৃত্যু হয়ে থাকে বাসাবাড়িতে। এই হার প্রায় ৫৪ শতাংশ। গর্ভপাতের কারণেও মাতৃমৃত্যুর হার আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাতৃমৃত্যুর কারণসমূহ পুরোপুরিভাবে প্রতিরোধযোগ্য। প্রাক গর্ভধারণ ও গর্ভকালীন যত্নের বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। এড়িয়ে চলতে হবে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান। মাতৃমৃত্যুর ৫৫ ভাগই প্রসবের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটে থাকে। এ কারণে প্রসব-পরবর্তী সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সমকাল

সংশ্নিষ্টরা জানান, মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস করতে দেশে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে সেগুলো। এর কিছুটা সুফল পেলেও সন্তোষজনক পর্যায়ে পৌঁছেনি এখনও। মায়েদের সার্বিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য দেশে এখনও স্থায়ী ব্যবস্থাপনা নেই। মায়ের গর্ভকালীন, প্রসবকালীন ও প্রসব-পরবর্তী যত্নের অভাব রয়ে গেছে প্রকটই। আর মায়েদের  সার্বিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থাপনা না থাকায় তাদের বড় একটি অংশ ঝুঁকির মধ্যে থাকেন সব সময়। মাতৃমৃত্যুর হিসাব করলে সব মায়ের হিসাব করা দরকার। একইভাবে মাতৃস্বাস্থ্য সেবা বললে সব মায়ের স্বাস্থ্যসেবাকে বিবেচনায় নিতে হবে। দেশে এখনও প্রতি বছর ৫ হাজার ৪৭৫ জন মা গর্ভজনিত মৃত্যুবরণ করছেন। ডেলিভারির ক্ষেত্রে ৫৪ শতাংশ মা মারা যান বাড়িতে। আর রক্তক্ষরণের কারণে মারা যান ৩১ শতাংশ।

স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সায়বা আক্তার বলেন, 'আমাদের সচেতন হতে হবে। তাহলে মাতৃমৃত্যুর হার কমে আসবে। এক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা রয়েছে।'

এ পরিস্থিতিতে আজ মঙ্গলবার পালিত হচ্ছে 'নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস'। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- 'মর্যাদা ও অধিকার, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রসূতি সেবার অঙ্গীকার।' সচেতনতামূলক নানান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। ১৯৯৭ সাল থেকে দেশে প্রতিবছর ২৮ মে 'নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস' পালন করে আসছে অবস্ট্রেটিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (ওজিএসবি)। সংগঠনটির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. সালেহা বেগম চৌধুরী বলেন, 'স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা বিশেষজ্ঞদের এই সমিতির সদস্য দুই হাজার। শাখা রয়েছে ১৩টি। এগুলো গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরে অবস্থিত। ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ওজিএসবির সদস্যরা দেশের মায়েদের সেবা প্রদানে তাদের দক্ষতার প্রমাণ রাখতে সক্ষম হয়েছে। সদস্যদের পরিচালনায় ঢাকার মিরপুর-১ এবং মিরপুর-১৩ নম্বরে দুটি হাসপাতাল অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে সেবা প্রদান করছে। সেখানে মায়েদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা, ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অপারেশন করা হয়।'

 

 

  • সর্বশেষ