শিরোনাম
◈ বাংলাদেশে ফ্রি ট্রেড জোন ও রেলভিত্তিক আইসিডিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু নিয়ে উচ্ছ্বাস ইলন মাস্কের, ক্ষোভ ঝারলেন ভারতের ওপর ◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটির অনুমোদন, গ্রিডে বিদ্যুৎ আসতে আরও দুই ধাপ ◈ ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি ভাষা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের আহ্বান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ◈ জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সোমবার ◈ মাত্র ৮৫২ মিটার দূর দিয়ে গেল ভারতীয় স্যাটেলাইটের ধ্বংসাবশেষ, রক্ষা পেল বাংলাদেশের স্যাটেলাইট ◈ প্রবাসীদের ব্যাংক হিসাব খোলায় নতুন সুবিধা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ১৫ বছরের জন্য ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে, সই হলো কনসেশন চুক্তি ◈ মৌলভীবাজারে ওয়াজ মাহফিলে ৪ কমলা ৫০ হাজার টাকা, আধা কেজি খেজুর ১৫ হাজারে বিক্রি ◈ কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী জান্নাতের মরদেহ উদ্ধার, পাশে পড়ে ছিল সিএনজি; মিলেছে ধস্তাধস্তির চিহ্ন

প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০১৯, ১০:১৩ দুপুর
আপডেট : ২৬ মে, ২০১৯, ১০:১৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে লেটার মার্কস নিয়ে পাশ করলো ফেসবুক

শেখ নাঈমা জাবীন : এবার ভারতের লোকসভা ভোটে সোশ্যাল মিডিয়া যে একটা বড় ফ্যাক্টর ছিলো, তা নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার দিন থেকে ফল প্রকাশের দিন পর্যন্ত ভারচুয়াল দুনিয়াই হয়ে উঠেছিল সমস্ত আলোচনার মূল মঞ্চ। সেসব মঞ্চের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় নিঃসন্দেহে ফেসবুক। স্বাভাবিকভাবেই তাই সোশ্যাল মিডিয়ার স্বচ্ছতা বজায়ের দায়িত্বও বেড়ে গিয়েছিলো। যে পরীক্ষায় লেটার মার্কস নিয়ে পাশ করলো ফেসবুক। সংবাদ প্রতিদিন

নির্বাচন চলাকালীন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলই প্রচারের মাধ্যম হিসেবে কাজে লাগিয়েছিলো ফেসবুককে। কিন্তু তাতে যাতে ইউজাররা প্রভাবিত না হন, সে কারণে বিশেষ কিছু পদক্ষেপ করেছিলো ফেসবুক। কারণ ফেসবুকের মতে, এই প্ল্যাটফর্মটি পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের। বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তোলার একটি মাধ্যম। রাজনৈতিকভাবে কাউকে প্রভাবিত করা এর কাজ নয়। তাই কোনও রাজনৈতিক দল এখানে বিজ্ঞাপন দিলেও ফেসবুকের কিছু নিয়ম মেনেই চলতে হয়েছে তাদের। যাঁরা এই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন, ভোটের মরশুমে তাঁরা নিশ্চয়ই নানা রাজনৈতিক দলের বিজ্ঞাপন দেখেছেন। তবে সেই বিজ্ঞাপনের সঙ্গে একটি ‘পাবলিশড বাই’ বা ‘পেড ফর বাই’ অপশনটির উল্লেখ ছিলো। অর্থাৎ বিজ্ঞাপনটি কোন রাজনৈতিক দল দিয়েছে অথবা বিজ্ঞাপনটি অর্থের বিনিময়ে দেওয়া হয়েছে কিনা, বিজ্ঞাপনটি দেওয়ার কারণ, এ সবকিছুই উল্লেখ করা ছিলো। যাতে ফেসবুকের দিকে সরাসরি কেউ আঙুল না তুলতে পারে।

এক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনটি অন্য কোনও সংস্থার মাধ্যমে এসে থাকলে তার নাম, ফোন নম্বর, ই-মেইল, সেই ওয়েবসাইটের নাম অথবা মিডিয়ার শংসাপত্রও উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে উল্লেখ ছিলো জাতীয় নির্বাচন কমিশনের মনিটারিং কমিটির শংসাপত্রেরও। বিজ্ঞাপনটির বিশ্বাসযোগ্যতা এবং নিজেদের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্যই এমন পদক্ষেপ করা হয়েছিলো। তবে কোনও বিজ্ঞাপনে বিজ্ঞপ্তি না থাকলে ইউজাররা বিজ্ঞাপনটির উপর ডানদিকে তিনটি ডট চিহ্নে ট্যাপ করলেই ‘রিপোর্ট অ্যাড’ অপশনটি খুঁজে পেয়েছেন। ফলে ভুয়ো খবর বা বিজ্ঞাপনের হাত থেকে রক্ষা করা গিয়েছে ফেসবুককে। আর বলাই বাহুল্য, দিনের শেষে চ‚ড়ান্ত সফল হয়েছে এই সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

  • সর্বশেষ