শিরোনাম
◈ মেঘালয়ের জলবিদ্যুৎ বাঁধ: বাংলাদেশের জন্য নতুন ‘মরণফাঁদ’ ◈ বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্কে নতুন গতি: বিনিয়োগ ও জনশক্তি রফতানিতে জোর প্রধানমন্ত্রীর ◈ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কোন দেশ কবে উৎপাদন শুরু করে ◈ সংসদ সচিবালয় কমিশন বৈঠক: ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ২৯০ কোটি ৬০ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন ◈ জুলাই সনদ উপেক্ষা করে সংস্কার প্রস্তাব ‘প্রতারণা’: আইন মন্ত্রী ◈ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের চিহ্নিত করে আগামী তিন মাস সহায়তা দেওয়া হব: প্রধানমন্ত্রী ◈ মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া করেছে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ◈ টস করার সু‌যোগও পায়‌নি, টানা বৃষ্টিতে বা‌তিল বাংলা‌দেশ-‌নিউজিল‌্যা‌ন্ডের দ্বিতীয় টি-টো‌য়ে‌ন্টি ◈ পা‌কিস্তান সুপার লি‌গের ফাইনালে খেলতে না‌হিদ রানাকে অনু‌মো‌তি দি‌লো বি‌সি‌বি  ◈ খোলা ও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধি

প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০১৯, ১০:১৩ দুপুর
আপডেট : ২৬ মে, ২০১৯, ১০:১৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে লেটার মার্কস নিয়ে পাশ করলো ফেসবুক

শেখ নাঈমা জাবীন : এবার ভারতের লোকসভা ভোটে সোশ্যাল মিডিয়া যে একটা বড় ফ্যাক্টর ছিলো, তা নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার দিন থেকে ফল প্রকাশের দিন পর্যন্ত ভারচুয়াল দুনিয়াই হয়ে উঠেছিল সমস্ত আলোচনার মূল মঞ্চ। সেসব মঞ্চের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় নিঃসন্দেহে ফেসবুক। স্বাভাবিকভাবেই তাই সোশ্যাল মিডিয়ার স্বচ্ছতা বজায়ের দায়িত্বও বেড়ে গিয়েছিলো। যে পরীক্ষায় লেটার মার্কস নিয়ে পাশ করলো ফেসবুক। সংবাদ প্রতিদিন

নির্বাচন চলাকালীন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলই প্রচারের মাধ্যম হিসেবে কাজে লাগিয়েছিলো ফেসবুককে। কিন্তু তাতে যাতে ইউজাররা প্রভাবিত না হন, সে কারণে বিশেষ কিছু পদক্ষেপ করেছিলো ফেসবুক। কারণ ফেসবুকের মতে, এই প্ল্যাটফর্মটি পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের। বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তোলার একটি মাধ্যম। রাজনৈতিকভাবে কাউকে প্রভাবিত করা এর কাজ নয়। তাই কোনও রাজনৈতিক দল এখানে বিজ্ঞাপন দিলেও ফেসবুকের কিছু নিয়ম মেনেই চলতে হয়েছে তাদের। যাঁরা এই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন, ভোটের মরশুমে তাঁরা নিশ্চয়ই নানা রাজনৈতিক দলের বিজ্ঞাপন দেখেছেন। তবে সেই বিজ্ঞাপনের সঙ্গে একটি ‘পাবলিশড বাই’ বা ‘পেড ফর বাই’ অপশনটির উল্লেখ ছিলো। অর্থাৎ বিজ্ঞাপনটি কোন রাজনৈতিক দল দিয়েছে অথবা বিজ্ঞাপনটি অর্থের বিনিময়ে দেওয়া হয়েছে কিনা, বিজ্ঞাপনটি দেওয়ার কারণ, এ সবকিছুই উল্লেখ করা ছিলো। যাতে ফেসবুকের দিকে সরাসরি কেউ আঙুল না তুলতে পারে।

এক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনটি অন্য কোনও সংস্থার মাধ্যমে এসে থাকলে তার নাম, ফোন নম্বর, ই-মেইল, সেই ওয়েবসাইটের নাম অথবা মিডিয়ার শংসাপত্রও উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে উল্লেখ ছিলো জাতীয় নির্বাচন কমিশনের মনিটারিং কমিটির শংসাপত্রেরও। বিজ্ঞাপনটির বিশ্বাসযোগ্যতা এবং নিজেদের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্যই এমন পদক্ষেপ করা হয়েছিলো। তবে কোনও বিজ্ঞাপনে বিজ্ঞপ্তি না থাকলে ইউজাররা বিজ্ঞাপনটির উপর ডানদিকে তিনটি ডট চিহ্নে ট্যাপ করলেই ‘রিপোর্ট অ্যাড’ অপশনটি খুঁজে পেয়েছেন। ফলে ভুয়ো খবর বা বিজ্ঞাপনের হাত থেকে রক্ষা করা গিয়েছে ফেসবুককে। আর বলাই বাহুল্য, দিনের শেষে চ‚ড়ান্ত সফল হয়েছে এই সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়