শিরোনাম
◈ খুচরা বিক্রেতাদের সার বিক্রি অব্যাহত রাখতে নির্দেশ সরকারের ◈ আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), দেশজুড়ে নানা আয়োজন ◈ মিয়ানমারে সহিংসতা-নির্যাতনে বিপর্যস্ত মানুষ, রোহিঙ্গাদের অবস্থা আরও ভয়াবহ: জাতিসংঘ ◈ ‘উপহার’ হিসেবে বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মী নেবে মালয়েশিয়া: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ◈ রংপুরে চার হত্যা: ‘ধর্ষণের আলামত’ নিয়ে ডোম-চিকিৎসকের বক্তব্যে ভিন্নতা ◈ বিড়ালের আঁচড়ের পর শিশুর ‘মিউ মিউ’ শব্দ, জানুন আসল ঘটনা ◈ মহানবীর আদর্শ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি ◈ জামায়াতের মতাদর্শের বিষয়ে সতর্ক করলেন কওমি আলেমরা ◈ বিদিশা এরশাদ গ্রেপ্তার: প্রতারণা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত, গুলশান থেকে আটক ◈ কারখানা থেকে ক্লাসরুম, রোবট বিপ্লবে বদলে যাচ্ছে চীন

প্রকাশিত : ০৮ মে, ২০১৯, ০৮:০৫ সকাল
আপডেট : ০৮ মে, ২০১৯, ০৮:০৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মৃত্যুর আগে নোটবুকে যা লিখে গেলেন ঢাবির সেই মেধাবী শিক্ষার্থী

ডেস্ক রিপোর্ট : গত ২৯ এপ্রিল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগে মাস্টার্সের মেধাবী ছাত্র তাওশিক আহমেদ।

সিজিপিএ-৪ এর মধ্যে ৪ পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন তিনি যা এখন শুধু ইতিহাস হয়েই থাকবে।

মেধাবী তাওশিকের এভাবে চলে যাওয়া মানতে পারছেন না বাবা-মা, সহপাঠি ও বগুড়ার নন্দীগ্রামের অধিবাসীরা।

এমন মেধাবী ছেলের মৃত্যুতে দেশের অনেক বড় একটি কিছু হারালো বলে মন্তব্য করছেন তারা।

মৃত্যুর আগে নিজের কিছু কথা নোটবুকে লিখে গেছেন মেধাবী তাওশিক। সেসব কথা ফেসবুকে শেয়ার করেছেন তার সাবেক সহকর্মী শেখ ফরিদ।
পাঠকদের জন্য তার সেই কথাগুলো তুলে ধরা হল- ‘আমার বয়স এখন সাতাশ, যদিও সার্টিফিকেট অনুযায়ী তা এখনো ২৫ পেরোয়নি। আমি আমার জীবনকে ভালোবাসি। আমি সুখী, আমার কাছের প্রিয়জনদের নিয়ে। কিন্তু সব ভালবাসা, আপনজনদের ছেড়ে খুবই দ্রুত আমাকে অন্য কোথাও চলে যেতে হবে।

যদিও আমি যেতে চাইনা, কিন্তু সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ মানুষের হাতে নেই। আমরা হয়তো একভাবে আমাদের জীবনকে সাজাতে ব্যস্ত, কিন্তু ভাগ্য নিয়ন্ত্রা হয়ত অন্য কিছু আমাদের জন্য সাব্যস্ত করে রেখেছেন। চাইলেই সবকিছু আমাদের ইচ্ছাধীন নয়।

আমি কখনোই তেমন কিছু লিখতাম না। কিন্তু আজ মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমি সবাইকে কিছু কথা বলতে চাই : মানুষ মৃত্যুকে এমনভাবে যে কখনোই তা কাউকে স্পর্শ করবেনা। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে সবার জন্যই তা প্রযোজ্য, হয়তো কিছুটা সময়ের ব্যবধানে। আমি সবাইকে বলতে চাই, দয়া করে জীবনের ছোট ছোট, অর্থহীন অপ্রাপ্তি, কষ্টগুলোকে নিয়ে চিন্তা করা বাদ দিন।

বরং ভাবুন একটি সময়ে সবাইকে একই পরিণতির দিকে যেতে হবে। সূতরাং আমরা যা সময় পাচ্ছি তাকে অর্থপূর্ণ, আনন্দময় করাটাই মূখ্য হওয়া উচিৎ। জীবনকে জীবনের ছন্দে চলতে দেয়াটাই জীবনের আনন্দ।

যখন জীবনের সামনে বড় কোন সমস্যা এসে উপস্থিত হয়, তখন একটু চিন্তা করুন, আপনার আশেপাশে তাকান, দেখবেন অন্য অনেকে আরো অনেক বড় সমস্যায় জর্জরিত। তখন দেখবেন, আপনার সমস্যাকে……।’
সূত্র : যুগান্তর

  • সর্বশেষ