শিরোনাম
◈ ওয়ান-ইলেভেনের তিন কুশীলব ডিবি হেফাজতে: মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদে বেরোচ্ছে নতুন তথ্য ◈ জ্বালানি চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশের পাশে থাকার বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের ◈ দুই গোলে এগিয়ে থেকেও থাইল‌্যা‌ন্ডের কা‌ছে হারলো বাংলাদেশ নারী দল ◈ তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ ◈ ওকে লাথি মেরে বের করে দিন: নেতানিয়াহুর ছেলেকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে যুদ্ধে পাঠানোর দাবি স্টিভ ব্যাননের ◈ বাংলাদেশ সরকারের বিবৃতিতে আমরা কষ্ট পেয়েছি: ইরানি রাষ্ট্রদূত ◈ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ: জ্বালানি সংকটে প্রথমে ফুরিয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ! ◈ শিশুশিল্পী লুবাবার বিয়ে আইনত বৈধ কি না, বাল্যবিবাহের দায়ে কী শাস্তি হতে পারে? ◈ মহানগর এলাকার সরকারি প্রাথমিকেও আসছে অনলাইন ক্লাস ◈ এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে কড়াকড়ি, কর্মকর্তাদেরও চাকরি হারানোর ঝুঁকি

প্রকাশিত : ২৬ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:৩৫ সকাল
আপডেট : ২৮ মার্চ, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পশ্চিম তীরে বাড়ছে ইসরায়েলি দমন-পীড়ন, এক বছরে উচ্ছেদ ৩২ হাজার ফিলিস্তিনি

গাজার মতোই ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে হাজার হাজার ফিলিস্তিনিকে ঘারছাড়া করছে দখলদার ইসরাইলি। শুধুমাত্র এ বছরই পশ্চিম তীরের তিনটি শরণার্থী শিবির থেকে ৩২ হাজার ফিলিস্তিনিকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা হয়েছে।

গত সপ্তাহে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) এর  প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে আসে। এতে আরও বলা হয়, জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া জেনিন, নুর শামস ও তুলকারেম শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি অভিযানের ফলে ১৯৬৭ সালের পর পশ্চিমতীরে এটি সবচেয়ে বড় গণউচ্ছেদ।

ইসরাইলি সহিংসতা পশ্চিম তীরে দ্রুত বেড়েই চলেছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে গাজায় আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত সেখানে ইসরাইলিদের হাতে এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অবৈধ ইসরাইলি বসতি থেকে ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলাও ক্রমশ বেড়েছে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের সি অঞ্চলে নভেম্বরের শুরুর দিকে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ বাড়িঘর ভেঙে দেওয়ায় আরও এক হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমেও পাঁচ শতাধিক মানুষ গৃহহীন হয়েছেন। 

ইসরাইল অনুমতি না থাকার অজুহাতে এসব ঘরবাড়ি ভেঙে দিয়েছে, যদিও এসব এলাকায় ফিলিস্তিনিদের জন্য নির্মাণের অনুমতি পাওয়া অত্যন্ত কঠিন।

এসব ঘটনার পরও অধিকৃত পশ্চিম তীরে নিজেদের কার্যকলাপের জন্য ইসরাইল এখনো উল্লেখযোগ্য কোনো পরিণতির মুখোমুখি হয়নি। মানবাধিকার সংগঠনগুলো ইতোমধ্যে পশ্চিম তীরের শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি বাহিনীর কর্মকাণ্ড এবং সাধারণ মানুষকে জোরপূর্বক উচ্ছেদের ঘটনাগুলোর জন্য ইসরাইলি সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়