শিরোনাম
◈ মোংলা বন্দরে রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড, এক বছরে আয় ৩,৮৭৯ কোটি টাকা ◈ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কি না, পুলিশি ব্যবস্থা দেখে সিদ্ধান্ত: স্পিকার ◈ জাতিসংঘে উচ্চপর্যায়ের বিতর্কে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ ব্রোঞ্জ পদক নি‌শ্চিত কর‌লো ◈ বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা জোরদারে তাগিদ তারেক রহমানের ◈ জাতিসংঘের কার্যকারিতা ফেরানো ও নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কারে জোর খলিলুর রহমানের ◈ ঢাকার সঙ্গে সব দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনায় প্রস্তুত নয়াদিল্লি ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে ভুটান-মালদ্বীপের নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক ◈ ইরানকে ‘নরকে ঠেলে’ দেওয়ার হুমকি, কিউবার শাসনব্যবস্থার পতনের ঘোষণা ট্রাম্পের

প্রকাশিত : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৬:১৯ সকাল
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৬:১৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সরকারের স্বদিচ্ছা ধ্বংস করার প্রচেষ্টা চালানোর লোক সরকারের ভেতরেই আছে, বললেন মোবাশ্বের হোসেন

হ্যাপি আক্তার : বাংলাদেশ স্থপতি ইনন্টিটিউট’র সাবেক সভাপতি স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বলেছেন, চকবাজারের চুড়িহাট্টায় অগ্নিকাণ্ডে দুর্ঘটনায় যে তদন্ত হয়েছে, তা বিশ্বাস করি না। কারণ তদন্ত কি মানুষের মুখে ললিপপ দিয়ে ম বন্ধ করার মতো বিষয়। ২০১০ সালের দুর্ঘটনার তদন্ত যারা বাস্তবায়ন করতে পারেনি তাদের তদন্ত আমি কি কারনে বিশ্বাস করবো। সময় টেলিভিশনে শুক্রবার রাতে ‘সম্পাদকীয়’ টকশোতে তিনি এসব কথা বলেন।

মোবাশ্বের হোসেন বলেন, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী কেমিক্যাল গুডাউনগুলো সরিয়ে নদীর ওপারে নেয়ার কথা ছিলো। অগ্রগতি হওয়ার পরেও কার এবং কিসের কারণে কাজটি হয়নি। তাহলে কি সরকারের ভেতরেই কিছু লোক আছে যারা সরকারের স্বদিচ্ছাকে ধ্বংস করার প্রচেষ্টা চালায়।তা না হলে ৯ বছরেও কার্যক্রমটি কার্যকর হলো না কেন? তার ওপরেই আরেকটি তদন্ত হওয়ার দরকার। যদি তদন্তটি বাস্তবায়ন হতো তাহলে চকবাজারে যে দুর্ঘটনা হয়েছে, তা হয়তো অনেকাংশে কমে যেত।

তিনি বলেন, চকবাজারে ২০১০ সালে যে দুর্ঘটনা ঘটে ছিলো তার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন। তার বড় প্রমাণ দুটি মেয়ের বিয়ে দেয়ার জন্য গনভবনে ব্যবস্থা করেছিলেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে কমিটি গঠন করা হয়েছিলো। সম্পদনা : জামাল

  • সর্বশেষ