শিরোনাম
◈ নিরাপত্তার স্বার্থে জবি ক্যাম্পাসে সব ধরনের কর্মসূচি নিষিদ্ধ ◈ গ্যাস সংকট নিরসনে বড় পদক্ষেপ, আজ চালু হচ্ছে মহেশখালী এলএনজি টার্মিনাল ◈ যে কারণে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন ফারুকী ◈ ১০ জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা, বিপৎসীমা ছুঁতে পারে কয়েকটি নদী ◈ গুলশান থেকে গাজীপুরের সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার ◈ ভারতে হাসিনাকে সংবাদমাধ্যমে কথা বলার সুযোগ, ঢাকার তীব্র ক্ষোভ ◈ বিদ্যালয় থেকে ফেরার পথে শিশুকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, ভিডিও ছড়িয়ে অভিযুক্তদের নৃশংসতা ◈ নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নয়: মালয়েশিয়া ◈ মাগুরায় সাকিবের বাড়িতে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ, বিস্ফোরিত দুটি পেট্রলবোমা (ভিডিও) ◈ তড়িঘড়ি বৈঠক ডাকলেন ইনফান্তিনো, ফিফার বিরুদ্ধে ৪০ কোটি টাকার ব্ল্যাকমেলের অভিযোগ এশিয়ার দেশের

প্রকাশিত : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৬:১০ সকাল
আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৬:১০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আদিবাসী ভাষা সংরক্ষণে অনন্য প্রচেষ্টা চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের

আব্দুর রাজ্জাক : আদিবাসীদের ভাষা সংরক্ষণ ও প্রসারে এক অনন্য নজির স্থাপন করলো চাপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসন। ২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ৫ টি ভাষায় দাওয়াত পত্র ছাপিয়েছে জেলা প্রশাসন। এর মধ্যে রয়েছে ৩টি আদিবাসী ভাষা।

অন্যান্য বছর মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কর্মকর্তা, সাংবাদিকসহ অন্যান্য অতিথিদের শুধু বাংলা ভাষায় চিঠি পাঠানো হতো। কিন্তু এবার প্রশাসন বাংলা ও ইংরেজিসহ মোট ৫ টি ভাষায় চিঠি ছাপিয়েছে। এতে রয়েছে এই জেলায় বসবাসকারী আদিবাসীদের ভাষা সাদ্রি, সাওতাঁল ও কোল।

চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরাম। ‘যখন কোন ভাষাকে গুরুত্বপূর্ণ পত্রে লেখা হয় তখনই তা বেঁচে থাকে এবং প্রসার পায়। তাই সরকারের উচিৎ দেশের সকল ভাষাকে সংরক্ষণ ও প্রসারে উদ্যোগ নেয়া’ বলে জানিয়েছেন উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরামের সভাপতি হিঙ্গু মারমু।

প্রশাসনের এ অনন্য উদ্যোগ নিয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক এ জেড এম নুরুল হক বলেন, বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আদিবাসী ভাষাগুলোকে সম্মান দেখানোর জন্যই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। এগুলোই এখানকার আদিবাসীদের প্রধান ৩ টি ভাষা। তাই আয়োজিতব্য অনুষ্ঠানের দাওয়া পত্রে সাদ্রি, সাওতাঁল ও কোল ভাষাকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এই জেলার আদিবাসীদের ভাষাগুলোতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে পারলে ও পাঠ্যপুস্ককেও তাদের ভাষাগুলো সংযুক্ত করতে পারলে অনেক শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়া ঠেকানো যেতে পারে। তাই সরকারের উচিৎ এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়