প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তুরাগের দুই পাড়ে সীমানা পিলার সরিয়ে নেওয়ায় মরা খালে পরিণত এই জীবন্ত সত্ত্বা

হ্যাপি আক্তার : সম্প্রতি তুরাগ নদীকে জীবন্ত সত্ত্বা হিসেবে ঘোষণা করেছেন উচ্চ আদালত। তবে ৬২ কিলোমিটার দীর্ঘ তুরাগ নদীর দুই পাড়ের নানা জায়গায় স্থাপিত সরকারি সীমানা পিলার সরিয়ে নেয়ায় অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ চালাতে পারছে না বিআইডব্লিউটিএ ।পরিবেশবিদরা বলছেন, ক্রমাগত দখলের কারণে খরস্রোতা তুরাগ এখন আর নদী নেই, টিকে আছে মরা খালের অবয়বে। ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন।

দখলদারদের কারনে তুরাগের সত্ত্বাকে করছে বিপন্ন। ইচ্ছেমতো করছে ভরাট, চলছে নদী দখলের সীমাহীন প্রতিযোগীতা। সীমানা পিলারকেই সামনে রেখেই চলছে দখল। স্থানীয়রা বলছেন, জমির বৈধতা প্রমাণ করতে আগের পিলার সরিয়ে নতুন পিলার বসানোর হচ্ছে। তার সঙ্গে চলছে ইটভাট ও হাউজিং এর কাজ।

তুরাগের বিস্তীর্ণ প্লাবন অঞ্চলের সাথে নদীর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, নদীর পাড় গেছে, এখন তলদেশটা কোন রকম বেঁচে আছে । কাজেই তুরাগ এখন আর নদী নেই একটা নর্দমায় পরিণত হয়েছে। রামচন্দ্রপুর মৌজা অংশে, ইটভাটার মালিকরা মানছে না সীমানা নির্ধারণী। চলছে আবাসন প্রতিষ্ঠান সিলিকন সিটির বালু ভরাট। পাশেই গ্রাম বাংলা হাউজিং। দখলী এলাকায় নেই পিলারের অস্তিত্ব। তবে আছে পিলার ভাঙ্গার প্রমাণ।

ওপারের চন্দ্রিমা হাউজিংয়ের অংশে দখলের জন্য সরানো হয়েছে পিলার।  বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক শরীফ জামিল বলেন, আদালত বলেছেন প্রথম কাজ সীমানা পিলার দিতে হবে। কিভাবে সীমানা পিলার দিতে হবে তাও বলে দিয়েছেন। আমরা সেটা শুনলাম না এবং ভুলভাবে সীমানা পিলার দিয়ে আমার ধারণা নদী স্মরণকালের ভয়াবহ দখল হয়েছে ভুল সীমানা পিলারের কারণে।  বিআইডব্লিউটিএ এর চেয়ারম্যান কমডোর মো. মোজাম্মেল হক, এনডিসি বলেছেন, সুরক্ষার করার দায়িত্বটা তখনি বিআইডব্লিউটিএ নেবে যখন দায়িত্বটুকু বুঝে পাবে।

তুরাগ বাঁচাতে সীমানা পুণ:নির্ধারণ করতে হবে নতুন করে বলেছেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান হাওলাদার। তিনি বলেন, আমরা ইমিডিয়েট সেখানে যাবো, আমাদের টিম যাবে এবং সেখানে কাজ করবে।  আইনে আছে, তলদেশ,পাড় আর প্লাবণভ‚মি মিলিয়ে নদীর সীমানা। কিন্তু তুরাগের এই মরণদশায় নদীটি রক্ষা আদৌ সম্ভব কিনা তা নিয়ে আছে সংশয়। সম্পাদনা : জামাল

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত