শিরোনাম
◈ এয়ারপোর্ট ও বুর্জ খলিফা টাওয়ার ধ্বংসের ভিডিও নিয়ে যা জানা গেল ◈ জয়ের ফাঁস করা তালিকায় শীর্ষ চাহিদাসম্পন্ন ১৫ নায়িকা ◈ চলছে তালিকা তৈরির কাজ, চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের ধরতে যৌথ অভিযান ◈ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন: থামাতে দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই বিশ্ব শক্তির ◈ খামেনির ছেলেকে পছন্দ নয়, সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে চান ট্রাম্প ◈ দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব ও পরিকল্পনায় ইবি শিক্ষিকা খুন—স্বামীর মামলায় ৪ আসামি ◈ স্কুল-কলেজের জন্য আসছে র‍্যাংকিং সিস্টেম: শিক্ষামন্ত্রী ◈ দুই ইস্যুতে বাংলাদেশের আশ্বাস চাইল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বক্তব্য খণ্ডিতভাবে প্রচার করে নির্বাচন ইস্যু জুড়ে বিভ্রান্তি: রিজওয়ানা ◈ গ্রাহকদের প্রতি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ৭ নির্দেশনা বিদ্যুৎ বিভাগের

প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৩:৪৫ রাত
আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৩:৪৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজনীতিকরাই রাজনীতির সংকট…

রক্ত পলাশ
অবস্থাটা এমন যে পৃথিবীর সকল মানুষ ভালো হয়ে গেলেও রাজনীতিকরা ভালো হবেন না। অথচ এই রাজনীতিক ছাড়া রাজনীতি চলবে না, রাজনীতি ছাড়া পৃথিবী চলবে না। রাজনীতিহীন পৃথিবী আমরা কল্পনাও করতে পারি না। যদিও অনেক মনীষী ছিলেন বা আছেন যারা বিশ্বাস করেন একদিন পৃথিবী থেকে রাজনীতি বিদায় নেবে, আদৌ তা বাস্তব হবে সে সম্ভাবনা এখনও দেখা যায়নি। দূর ভবিষ্যতে দেখা যাবে, তা-ও হলফ করে বলা যায় না। বরং রাজনীতির বন্যতা ক্রমাগতই বেড়ে চলছে। প্রতিটা দেশই ক্ষতিগ্রস্ত রাজনীতিকদের দ্বারাই, হয় ভুল রাজনীতি অথবা ব্যক্তিকেন্দ্রিক অসৎ নির্মম লোভের রাজনীতি। একদিন এই রাজনীতিকরাই ছিলেন সাধারণ মানুষদের চোখের মণি, আজ আর মানুষ সেরকমটা দেখেন না, কিন্তু এড়াতেও পারেন না। সেসব দিন আমরা খুব বেশি পেছনে ফেলে আসিনি যখন রাজনীতিকরাই দেশের সাধারণ মানুষদের সামাজিক মুক্তি স্বাধীনতার জন্য নিজেদের জান-মাল সবকিছু উৎসর্গ করে ছিলেন। তারা এখন ইতিহাস। আজকের রাজনীতিকরা আলাদা এবং তা প্রায় সকল দেশেই। ক্ষমতাহীন রাজনীতিক সাধারণ মানুষের বন্ধু, কিন্তু হাতে ক্ষমতা আসার সাথে সাথেই হয়ে ওঠেন তিনিই গণমানুষের প্রথম সারির শত্রু। ক্ষমতা হাতে না থাকলে তিনি গণতন্ত্রী, কিন্তু হাতে এলেই স্বৈরতান্ত্রিক চিন্তা-চেতনা-বিশ্বাসের ধারক। ক্ষমতায় আসার আগে তিনি বিশ্বাস করতেন দেশের মানুষের জন্য আইনের শাসন প্রয়োজন তা নিশ্চিত করতে হবে, কিন্তু যখন ক্ষমতা পেলেন তিনি আইন প্রস্তুত করতে থাকেন কী করে আরও কঠিনতর আইন করে সাধারণ মানুষকে দাবিয়ে রাখা যায়, শোষণ নির্যাতন করা যায়, ক্ষমতাকে পোক্ত করা যায়।
সাধারণ মানুষদের চাহিদাগুলোও অতি সাধারণ, নিরাপদ প্রাকৃতিক জীবন, সেই জীবনের মৌলিক চাহিদাগুলোর প্রয়োজনমতো প্রাপ্তি এবং শান্তিময় যাপন। নিশ্চয়ই রাজনীতিকরা তাদের নিজস্ব পৈতৃক সম্পদ দিয়ে তা পূরণ করবেন না, সম্ভবও নয়। তারা নিশ্চিত করবেন একটি সুন্দর ব্যবস্থা যা দ্বারা সাম্য এবং স্থিতি নিশ্চিত করা যায়। এখানেই আজকের বা এই শতকের রাজনীতিকদের সবচেয়ে বড় মানসিক সংকট। নানা বাদ-প্রতিবাদ, হল্লা-চিল্লা তৈরি করে আসল চিন্তাটাকেই দূরে সরিয়ে রেখে শুধু নিজেদের সুখ সমৃদ্ধি লোভের ঘনীভূত স্বপ্ন তৈরি করেন। সেসব তৈরি করতে গিয়ে সকল মেধা-শ্রম-শক্তি-চিন্তা-সম্ভাবনাকে পায়ে দলে যেতে থাকেন। সৃষ্টি হয় বিভেদের রাজনীতি। হিংসার এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি। দখল-লুটের রাজনীতি। সাম্য-সমতা-মুক্তি-ভালোবাসা-প্রেমের রাজনীতি পালিয়ে যায় দেশ থেকে, সমাজ থেকে মানুষের অন্তর থেকে। শ্রদ্ধাহীন সামাজিক চিন্তা মানুষের পারস্পারিক সামাজিক দায়িত্ববোধকে কবরস্থ করে দেয়। এই বাস্তবতা এই দশকে তীব্র হয়ে উঠছে, যা গোটা মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য অশনি সংকেত। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়