প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাংলাদেশ জন্মের পর সবচেয়ে বড় কথা ছিলো, কোনো মানুষের প্রতি বৈষম্য করা হবে না: সুলতানা কামাল

ইউসুফ আলী বাচ্চু : সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল বলেছেন, ‘ক্ষমতাসীনদের মূল দায়বদ্ধতা সমাজে বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করা। যারা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি দাবি করে ক্ষমতায় রয়েছেন তাদের মূল দায়বদ্ধতা হলো এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াইটা শক্ত করা এবং যার যে বিষয়ে কষ্ট আছে সে বিষয়ে দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। কারণ বাংলাদেশ জন্মের পর সবচেয়ে বড় কথা ছিল, কোনও মানুষের প্রতি বৈষম্য করা হবে না।’

শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবিং আয়োজিত ‘সমাজে বৈচিত্র্যতার গুরুত্ব ও ভবিষ্যত’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, পাবলিক বিল্ডিংসহ যেখানে হাঁটাচলায় সমস্যা আছে কিংবা সিঁড়ি বেয়ে উঠতে সমস্যা হয় সেখানে প্রতিবন্ধীদের জন্য তেমন কোনো ব্যবস্থা রাখা হয় না। লিফট ও টয়লেটের মতো কাঠামোগত সুবিধা প্রতিবন্ধী মানুষদের কথা চিন্তা করে তৈরি করা উচিত। নাগরিক হিসেবে আমরা প্রত্যেকেই যেসব সুযোগ-সুবিধা দাবি করি সেগুলো কিন্তু সাধারণ পাবলিকের জন্য তৈরি হয়। এই সুবিধার ন্যায্য দাবিদার প্রতিবন্ধীরাও।

তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রত্যেকের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সবারই সীমাবদ্ধতার জায়গায় কিছু দাবি রয়েছে, যেদিন আমরা সেগুলো পূরণ করতে পারবো, গ্রহণযোগ্য অবস্থানে নিয়ে যেতে পারবো, সেদিন আমরা নিজেদের উন্নত বলতে পারবো। কারণ সমাজে, রাষ্ট্রে পিছিয়ে পড়া মানুষরা কষ্টে থাকেন। পিছিয়ে পড়া মানুষরা যাতে সমান অধিকার নিয়ে, সমান মর্যাদা নিয়ে একটা জায়গায় দাঁড়াতে পারেন; তারা যাতে মনে না করেন যে, আমি এই পরিবার, এই সমাজে জন্মগ্রহণ করলাম বলে অবহেলিত, অপমানিত। যত মানুষ পিছিয়ে পড়ে থাকবে, তত আমরা সমাজ হিসেবে পিছিয়ে পড়ে থাকবো, বাংলাদেশও পিছিয়ে থাকবে।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবিংয়ের সভাপতি ডেবরা ইফরইমসন, সচেতন সমাজ সেবার সভাপতি ইভান আহমেদ কথা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত