শিরোনাম
◈ কাকে ভোট দেওয়া উচিত, জানালেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ◈ বিনিয়োগ স্থবিরতা ও রাজস্ব ঘাটতি: নতুন সরকারের সামনে বড় আর্থিক চ্যালেঞ্জ ◈ বাংলাদেশে হঠাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ কমাল ভারত, শীতে লোডশেডিং ও গরমে বড় সংকটের আশঙ্কা ◈ পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে জোরপূর্বক চুক্তি, মিয়ানমার থেকে ফেরা বাংলাদেশিদের লোমহর্ষক বর্ণনা ◈ এবারও ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ শুক্রবার বি‌পিএ‌লের ফাইনা‌লে চট্টগ্রাম রয়‌্যালস ও রাজশাহী ওয়া‌রিয়র্স মু‌খোমু‌খি ◈ এবার ওষুধ আমদানিতে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করলেন আফগান ব্যবসায়ীরা! ◈ নির্বাচনে ৪৫ ঋণখেলাপি, কেবলই আইনের মারপ্যাঁচ, না ক্ষমতার অপব্যবহার: প্রশ্ন বিশেষজ্ঞ-অর্থনীতিবিদদের ◈ শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেয়ার প্রসঙ্গে যা বলল জাতিসংঘ ◈ নির্বাচনী জনসংযোগে টুপি,ঘোমটা দিলে কি ভোট বেশি পাওয়া যায়?

প্রকাশিত : ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৩:৫৮ রাত
আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৩:৫৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আসুন এবার একটু নিজের ভাষার প্রতি মনোযোগী হই, নিজেরা যেন একেকজন ট্রাম্প না হই

শাহনেওয়াজ শাহীন : ব্রিটিশ শাসনামলে ‘ভালগারাইজেশন অব নেমস’ ছিলো ইংরেজ সাহেবদের একটা অতীব সাধারণ বদভ্যাস। ট্রাম্প সাহেব যে শুরু থেকেই এই চর্চার বাইরে ছিলেন তা কখনোই নয়; হয়তো আমাদের প্রতিবেশী দুই রাষ্ট্র নেপাল আর ভুটানকে ‘নিপ্পল’ আর ‘বাটন’ বলে ডাকায় খবরটি আমাদের মনোযোগকে বেশি সম্পৃক্ত করেছে। তাও ভালো, এমন সমালোচনায় শরিক হয়ে অন্তত এটি প্রতীয়মান হল যে, বিকৃত নাম এখন আর গ্রহণযোগ্য নয়, সেটা ভিনদেশি প্রতাপশালী যেকোনো সাহেবের মুখ থেকেই বের হোক না কেন।
এখন আসুন নিজেরা একটু নিজেদের দিকে তাকাই। যখন কিছু দুঃসাহসী অভিযাত্রী ঊনিশ শতকের শেষভাগে জিঞ্জিরা নামে খ্যাত একটি দ্বীপে যাত্রা করে মানব বসতির সূচনা করলো এবং নিজেরা উক্ত দ্বীপের ‘নারিকেল জিঞ্জিরা’ নামের প্রচলন ঘটালো তখন ইংরেজ সাহেবদের ভূ-জরিপ দল এখানে এসে অধিবাসীদের দেয়া নাম পছন্দ করলেন না! তারা নাম দিলেন ‘সেন্টমার্টিন’। সাহেবরা যা দেয় তাই অভিজাত। আমরা গোগ্রাসে গ্রহণ করলাম। একইভাবে চট্টোগ্রাম নামের প্রচলন ‘চিটাগাং’ করে ফেললাম। কেন জানি ঢাকাকে ‘ডেক্কা’ হিসেবে মেনে নিতে পারিনি, এটা গবেষণার দাবি রাখে। সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার হচ্ছে, ইংরেজিতে বক্তব্য দেয়ার সময় যখন ‘বাংলাদেশ’ শব্দটি আসে তখন আমরা ‘ব্যংগাড্যাশ/ ব্যংগলাড্যাশ/ ব্যংলাড্যাশ’ বলে উচ্চারণ করে চলে যাই। ভাবখানা এমন, এসব শব্দগুলো বাংলাদেশের ইংরেজি নাম, তাই বাংলাদেশকে এভাবেই উচ্চারণ করতে হবে, সাবলীলভাবে উচ্চারণ করা যাবে না, কারণ ইংরেজ সাহেবরা আমার দেশের নাম এভাবেই উচ্চারণ করে ইংরেজিতে কথা বলার সময়!
আসুন এবার একটু নিজের ভাষার প্রতি মনোযোগী হই, নিজেরা যেন একেকজন ট্রাম্প না হই। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়