প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক, ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে উজ্জীবিত করেছে ভাষার মাস পালন

নাহিদ মোর্শেদ : শুরু হলো ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি। প্রতি বছর ফেব্রুয়ারিতে যে ভাষার মাস পালন, তার শুরুটা ৫২’র ভাষা আন্দোলনের পরের বছর থেকেই। বিশিষ্টজনেরা বলছেন, যুগ যুগ ধরে ভাষার মাস পালন দেশের গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে উজ্জীবিত করেছে ভাষা সংগ্রামী ও গবেষকরা। [ সূত্র: চ্যানেল আই অনলাইন ]

ভাষাসংগ্রামী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন ৫২’র ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি ভাষার দাবিতে যারা জীবন উৎসর্গ করেন, সেই শহীদদের স্মরণে ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা শহীদ মিনার তৈরির কাজ শুরু করেন, ৫২ পর ৫৩ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে শহীদ দিবস পালন শুরু হয়, সেখান থেকেই সূচনা। ১৯৫৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো পালিত হয় শহীদ দিবস। ওইদিন বেশিরভাগ অফিস, ব্যাংক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। ভাই হারানোর জ্বালা বুকে নিয়ে হাজার হাজার মানুষ শোকের প্রতীক কালো ব্যাজ ধারণ করে মিছিল নিয়ে আসেন শহীদ মিনারে।

১৯৫৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো পালিত হয় শহীদ দিবস। ওইদিন বেশিরভাগ অফিস, ব্যাংক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। ভাই হারানোর জ্বালা বুকে নিয়ে হাজার হাজার মানুষ শোকের প্রতীক কালো ব্যাজ ধারণ করে মিছিল নিয়ে আসেন শহীদ মিনারে।৫২’রক্তের বিনিময়ে অর্জন করা মাস পালন করার মধ্য দিয়ে বাঙালি যেভাবে সচল রেখেছে আমাদের গনতান্ত্রিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈকি আন্দোলনের ধারাবাহিতা তার ধারাবাহিকতায় আমাদের ৭১এর মুক্তি যুদ্ধ বলে মনে করেন এসব ভাষা গবেষকরা।

ভাষা আন্দোলন গবেষক এম আর মাহবুব বলেন, সেই সময় ২১শে ফেব্রুয়ারি পালন কোন আনুষ্ঠানিকতা ছিলো না, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন, ততকালিন স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন প্রতিবাদে উজ্জীবিত করে ছিল, তখনকার প্রভাত ফেরির শ্লোগান আজও আমাদের আন্দোলিত করে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত