শিরোনাম
◈ ইনোভেশন কনসাল্টিংয়ের জরিপ: ৪৭% মানুষের মতে তারেক রহমানই ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘ শান্তি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত বাংলাদেশ ◈ সংবিধান সংস্কার পরিষদ কী, সরকারের ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে বিতর্ক কেন? ◈ হুমকি, হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতায় নির্বাচনী প্রচারণা থেকে বিরতি নিচ্ছেন মেঘনা আলম ◈ রাজধানী থেকে অপহৃত ৩ বছরের শিশুকে ২৪ ঘণ্টায় উদ্ধার, মূল হোতা গ্রেপ্তার ◈ ঘুম থেকে উঠে মানুষ আল্লাহর নাম নেয়, একজন আছে জেগেই আমার নাম নেন : মির্জা আব্বাস ◈ নির্বাচনে নিষিদ্ধ, হাসিনা পলাতক, আওয়ামী লীগ কি টিকবে?: আল জাজিরার বিশ্লেষণ ◈ আল্লাহ সুযোগ দিলে দেশ ও মানুষের সেবায় নিয়োজিত হতে চাই—তারেক রহমান ◈ ম‌্যান‌চেস্টার সি‌টির কোচ পেপ গা‌র্দিওলা ফিলিস্তিন ইস্যুতে বিশ্ব নেতাদের ‘কাপুরুষ’ বললেন  ◈ আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ–কয়লার দাম নিয়ে বিরোধ: ব্রিটিশ আইনি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ বাংলাদেশের

প্রকাশিত : ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:২২ দুপুর
আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:২২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নিজ শিশুকে সরকারি স্কুলে ভর্তি করালেন জেলা শাসক

নিউজ ডেস্ক : লোক দেখানো ভড়ংবাজি নয়, কাজেই দৃষ্টান্ত প্রতিষ্ঠার প্রমাণ রাখলেন এই জেলা শাসক। জানিয়ে দিলেন, আমার কন্যা সরকারি শিশুকেন্দ্রেই পাঠ নেবে। শুধু বলা নয়, সেটা করলেনও।

একটু সংগতি থাকলেই বাচ্চাকে বাহারি অভিজাত বেসরকারি স্কুলে পাঠানোই এখন দস্তুর। সাধ্যে না কুলোলেও কষ্ট করেই সন্তান একটু বড় হতে

না হতেই তাকে প্লে স্কুলে পাঠিয়ে দেন বাবা-মা। যেন পয়সা খরচ করলেই মিলবে সন্তানের মানুষ হওয়ার গ্যারান্টি।

এর ঠিক উলটো পথে হাঁটলেন তমিলনাড়ুর তিরুনেলভেলির জেলাশাসক শিল্পা প্রভাকর সতীশ। নিজের ছোট মেয়েকে প্লে স্কুলের বদলে আইসিডিএস'(ইনটিগ্রেটেড্ চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট সারভিসেস) বা অঙ্গনওয়াড়িতে পাঠালেন এই আমলা।

তামিলনাড়ুর রাজধানী চেন্নাই থেকে ৬০০ কিলোমিটার দূরে তিরুনেলভেলি। এই জেলার শাসক শিল্পা প্রভাকর সতীশ নিজের মেয়েকে সরকারি অঙ্গনওয়াড়িতে পাঠিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।

এই বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে শিল্পা ছোট্ট উত্তর, ‘সরকার তো বাচ্চাদের অঙ্গনওড়াতিই পাঠাতে বলে, তাই না?’ তিরুনেলভেলির প্রথম

মহিলা জেলাশাসক শিল্পা নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস। পাশাপাশি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির পরিকাঠামোর ওপরেও আস্থা রয়েছে তাঁর।

তিনি জানিয়েছেন বাচ্চাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি অঙ্গনওয়াড়িতে কেন্দ্রগুলোতে যথেষ্ট নজর রাখা হয়। বাচ্চাদের ওজন ও উচ্চতা ঠিকমত বাড়ছে কিনা, তার নিয়মিত রেকর্ড রাখা হয়।

এর সঙ্গে সমাজের সব স্তরের মানুষের সঙ্গে মিশতে পারে এখানে বাচ্চারা। সেই কারণেই নিজের মেয়েকে অঙ্গনওয়াড়িতে পাঠানোর আগে দু-বার ভাবতে হয়নি তাঁকে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়