শিরোনাম
◈ বাড়িতে চলছে সংস্কারের কাজ, তবে কি দেশে ফিরছেন সাকিব ◈ বিশ্বকাপ ইস্যুতে অবশেষে নীরবতা ভাঙল বিসিসিআই ◈ প্রবাসীদের হাত ধরে বিদেশি বিনিয়োগ এলে মিলবে নগদ প্রণোদনা ◈ ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল বাদ, মিরসরাইয়ে অস্ত্র বানাবে বাংলাদেশ ◈ বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করল আইসিসি ◈ বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে স্বর্ণের দামে রেকর্ড বৃদ্ধি, ভরিতে বাড়ল ৫ হাজার ২৪৯ টাকা ◈ আদানির বিদ্যুৎ চুক্তি: ভারতীয় করপোরেট করের বোঝাও চাপানো হয়েছে বাংলাদেশের ওপর ◈ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি ◈ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বর্জন করবে কিনা, পাকিস্তান চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে আগামী সপ্তাহে ◈ চার মাসে ডাকসুর ২২৫ উদ্যোগ, ২ বছরে কাটবে ঢাবির আবাসন সংকট: সাদিক কায়েম

প্রকাশিত : ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:২২ দুপুর
আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:২২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নিজ শিশুকে সরকারি স্কুলে ভর্তি করালেন জেলা শাসক

নিউজ ডেস্ক : লোক দেখানো ভড়ংবাজি নয়, কাজেই দৃষ্টান্ত প্রতিষ্ঠার প্রমাণ রাখলেন এই জেলা শাসক। জানিয়ে দিলেন, আমার কন্যা সরকারি শিশুকেন্দ্রেই পাঠ নেবে। শুধু বলা নয়, সেটা করলেনও।

একটু সংগতি থাকলেই বাচ্চাকে বাহারি অভিজাত বেসরকারি স্কুলে পাঠানোই এখন দস্তুর। সাধ্যে না কুলোলেও কষ্ট করেই সন্তান একটু বড় হতে

না হতেই তাকে প্লে স্কুলে পাঠিয়ে দেন বাবা-মা। যেন পয়সা খরচ করলেই মিলবে সন্তানের মানুষ হওয়ার গ্যারান্টি।

এর ঠিক উলটো পথে হাঁটলেন তমিলনাড়ুর তিরুনেলভেলির জেলাশাসক শিল্পা প্রভাকর সতীশ। নিজের ছোট মেয়েকে প্লে স্কুলের বদলে আইসিডিএস'(ইনটিগ্রেটেড্ চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট সারভিসেস) বা অঙ্গনওয়াড়িতে পাঠালেন এই আমলা।

তামিলনাড়ুর রাজধানী চেন্নাই থেকে ৬০০ কিলোমিটার দূরে তিরুনেলভেলি। এই জেলার শাসক শিল্পা প্রভাকর সতীশ নিজের মেয়েকে সরকারি অঙ্গনওয়াড়িতে পাঠিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।

এই বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে শিল্পা ছোট্ট উত্তর, ‘সরকার তো বাচ্চাদের অঙ্গনওড়াতিই পাঠাতে বলে, তাই না?’ তিরুনেলভেলির প্রথম

মহিলা জেলাশাসক শিল্পা নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস। পাশাপাশি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির পরিকাঠামোর ওপরেও আস্থা রয়েছে তাঁর।

তিনি জানিয়েছেন বাচ্চাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি অঙ্গনওয়াড়িতে কেন্দ্রগুলোতে যথেষ্ট নজর রাখা হয়। বাচ্চাদের ওজন ও উচ্চতা ঠিকমত বাড়ছে কিনা, তার নিয়মিত রেকর্ড রাখা হয়।

এর সঙ্গে সমাজের সব স্তরের মানুষের সঙ্গে মিশতে পারে এখানে বাচ্চারা। সেই কারণেই নিজের মেয়েকে অঙ্গনওয়াড়িতে পাঠানোর আগে দু-বার ভাবতে হয়নি তাঁকে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়