শিরোনাম
◈ শিক্ষার্থীদের প্রতি বছর নতুন করে ভর্তি ফি নেওয়ার প্রথা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রতিবাদ শুরু ◈ ঢাকায় পরিত্যক্ত মার্কেট থেকে ভেসে আসছিল দুর্গন্ধ, অতঃপর... ◈ উত্তরায় এলিট ফোর্স সদস্যের শটগান ছিনতাই ◈ অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২ঢাকার ৪ থানায় অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৯ ◈ পুরস্কারের অর্থের কী হবে? ব্যাখ্যা দি‌লো নরওয়ের কমিটি ◈ ক্রিকেটার সূর্যকুমারকে নিয়ে মন্তব্য করে বিপদে খুশি মুখোপাধ্যায়, অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা ◈ যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া ক্ষমতা দেখানোর প্রতিযোগিতায় নেমেছে ◈ ২১ দিন মা–মেয়ের লাশ নিজ ফ্ল্যাটে রেখেই পরিবার নিয়ে দিব্যি বসবাস করছিলেন হত্যাকারী! ◈ ‌বিশ্বকা‌পে বাংলাদেশের জন্য কলকাতা অত্যন্ত নিরাপদ : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি ◈ পাকিস্তানে ট্রাক খালে পড়ে একই পরিবারের ১৪ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত : ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:২২ দুপুর
আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:২২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নিজ শিশুকে সরকারি স্কুলে ভর্তি করালেন জেলা শাসক

নিউজ ডেস্ক : লোক দেখানো ভড়ংবাজি নয়, কাজেই দৃষ্টান্ত প্রতিষ্ঠার প্রমাণ রাখলেন এই জেলা শাসক। জানিয়ে দিলেন, আমার কন্যা সরকারি শিশুকেন্দ্রেই পাঠ নেবে। শুধু বলা নয়, সেটা করলেনও।

একটু সংগতি থাকলেই বাচ্চাকে বাহারি অভিজাত বেসরকারি স্কুলে পাঠানোই এখন দস্তুর। সাধ্যে না কুলোলেও কষ্ট করেই সন্তান একটু বড় হতে

না হতেই তাকে প্লে স্কুলে পাঠিয়ে দেন বাবা-মা। যেন পয়সা খরচ করলেই মিলবে সন্তানের মানুষ হওয়ার গ্যারান্টি।

এর ঠিক উলটো পথে হাঁটলেন তমিলনাড়ুর তিরুনেলভেলির জেলাশাসক শিল্পা প্রভাকর সতীশ। নিজের ছোট মেয়েকে প্লে স্কুলের বদলে আইসিডিএস'(ইনটিগ্রেটেড্ চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট সারভিসেস) বা অঙ্গনওয়াড়িতে পাঠালেন এই আমলা।

তামিলনাড়ুর রাজধানী চেন্নাই থেকে ৬০০ কিলোমিটার দূরে তিরুনেলভেলি। এই জেলার শাসক শিল্পা প্রভাকর সতীশ নিজের মেয়েকে সরকারি অঙ্গনওয়াড়িতে পাঠিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।

এই বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে শিল্পা ছোট্ট উত্তর, ‘সরকার তো বাচ্চাদের অঙ্গনওড়াতিই পাঠাতে বলে, তাই না?’ তিরুনেলভেলির প্রথম

মহিলা জেলাশাসক শিল্পা নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস। পাশাপাশি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির পরিকাঠামোর ওপরেও আস্থা রয়েছে তাঁর।

তিনি জানিয়েছেন বাচ্চাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি অঙ্গনওয়াড়িতে কেন্দ্রগুলোতে যথেষ্ট নজর রাখা হয়। বাচ্চাদের ওজন ও উচ্চতা ঠিকমত বাড়ছে কিনা, তার নিয়মিত রেকর্ড রাখা হয়।

এর সঙ্গে সমাজের সব স্তরের মানুষের সঙ্গে মিশতে পারে এখানে বাচ্চারা। সেই কারণেই নিজের মেয়েকে অঙ্গনওয়াড়িতে পাঠানোর আগে দু-বার ভাবতে হয়নি তাঁকে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়