শিরোনাম
◈ হঠাৎ দিল্লি গেছেন দীনেশ ত্রিবেদী ◈ প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণকে ‘যৌক্তিক’ দাবি করা সেই এএসআই প্রত্যাহার ◈ এলপিজির নির্ধারিত দাম নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের নজরদারির নির্দেশ ◈ এশিয়ার বাজারে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি, চীন-ভারত-দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবৃদ্ধি ◈ কাশ্মীরে ৬০০ ‘বাংলাদেশি’ শনাক্তের দাবি ভারতের, ১৫০ জনকে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে ‘পুশ ইন’ প্রস্তুতি! ◈ প‌থে থাকা ২০ লাখ শিশু নেই সরকারের খাতায় ◈ ফিফা আসিয়ান কাপে ইন্দোনেশিয়া চ‌্যা‌ম্পিয়ন ◈ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের টানাপোড়েনে দীনেশ ত্রিবেদীর দৌড়ঝাঁপ, তারেক রহমানকে দিল্লি নিতে ভারতের তৎপরতা! ◈ ‌ফ্রা‌ন্সের বা‌জিমাত, ১৪ মিনিটে বেল‌জিয়াম‌কে দি‌লো চার গোল ◈ বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা বন্ধের বিষয়ে যেসব নির্দেশনা দিয়েছে লাওস

প্রকাশিত : ২২ ডিসেম্বর, ২০১৮, ০৬:৪৬ সকাল
আপডেট : ২২ ডিসেম্বর, ২০১৮, ০৬:৪৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সেনাবাহিনী পুলিশের কাজে বাধা দিতে পারবে না : সাখাওয়াত হোসেন

মারুফুল আলম : সাবেক নির্বাচন কমিশনার সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আসল কাজটা করে পুলিশ। কারো বাড়িতে গিয়ে কাউকে গ্রেফতার বা তদন্ত করা এসব সেনাবাহিনী করবে না। সেনাবাহিনী পুলিশকে এসব কাজে বাধাও দেবে না। শুক্রবার যমুনা টিভিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নানাধরণের বিতর্কের মধ্যে সেনাবাহিনীর ওপর জনগণ কতটুকু নির্ভর করতে পারে তা পরিষ্কার করতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমান আইনী বিধানে সেনাবাহিনী স্ব-উদ্দ্যোগে কাউকে গ্রেফতার করতে পারবে না। ম্যাজিস্ট্রেটের পূর্বলিখিত অথবা উপস্থিত আদেশ ছাড়া কারো ওপর এ্যাকশন নিতে পারবে না। যদি এমন কোনো পরিস্থিতি হয়, যেখানে তৎক্ষণাৎ এ্যাকশন নেওয়া জরুরি ঐ অবস্থায় ম্যজিস্ট্রেট উপস্থিত না থাকলে এই আইনে আর্মি কিছুটা দ্বিধায় পড়বে। ধরেন, সংঘর্ষ হচ্ছে, ঐ অবস্থায় উনি কি ম্যাজিস্ট্রেটকে খুঁজবেন নাকি মারামারি থামাবেন? সবসময় আসলে ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থাকবেন কথা নেই।

তিনি আরো বলেন, ২০১৩ সাল পর্যন্ত পুলিশ যেরকম এ্যাকশন নিতে পারে, একইরকম সেনাবাহিনীও এ্যাকশন নিতে পারতো। আরপিও’র কোনো ধারার ব্যত্যয় ঘটলে আর্মির পক্ষে সেটি সম্ভব ছিলো। এখন আর্মি কোনো এ্যাকশন নিতে গেলে শংকা জাগবে যে, আমার সাথে তো ম্যাজিস্ট্রেট নাই। আর্মির এই ক্ষমতাটি কেনো বাদ দেয়া হলো, লজিক্যাল কোনো কারণ দেখলাম না।

তবে আইনী বিধানে আটকা থাকলেও চোখের সামনে বিশৃঙ্খলা হলে আর্মি যে একদম চুপ করে থাকবে তা নয়। সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আর্মি নামাতে হয় মূলত তিনটি কারণে, যেমন- রিজার্ভে বা টহলে রাখতে ফোর্স-স্বল্পতা বাড়ানো, দ্বিতীয়ত মানুষের আস্থা বাড়ানো এবং তৃতীয় হচ্ছে প্রাণহানির মতো সহিংসতা এড়ানো, যদিও মূল কাজটি করে পুলিশ।

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখন কেমন হওয়া উচিত সে প্রশ্নে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আরো আগেই নির্বাচন কমিশনের সজাগ হওয়া উচিত ছিলো। সজাগ না হওয়াতে নির্বাচন কমিশনের ওপর জটিলতা এবং চাপ বেড়ে যাচ্ছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে নানারকম হামলা ও সহিংসতায় ইতোমধ্যেই অনেকের প্রাণহানি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বেশি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আশা করার জায়গা নেই। তবে, প্রার্থী ও ভোটারদের উপর এবং বিভিন্ন জনসভা সংশ্লিষ্ট হামলা এসব বিষয়ে নিরাপত্তা বিধান খুবই জরুরি।

  • সর্বশেষ