শিরোনাম
◈ ৪৮তম বিশেষ বিসিএস: ৩২৬৩ জনকে ক্যাডার পদে নিয়োগ ◈ ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি: প্রেস সচিব ◈ একটি দলের কার্যকলাপ নিয়ে ‘নাউজুবিল্লাহ’ বললেন তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ তিন নেতার কবর জিয়ারত করে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু এনসিপির ◈ ৮ ইউএনওকে বদলির আদেশ বাতিল ◈ ৪১৯ উপজেলায় ভর্তুকি মূল্যে চাল বিক্রি শুরু, কেজিপ্রতি কত ◈ ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ (ভিডিও) ◈ বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীরা এখন গলার কাটা, সুযোগ নিতে পারে অন্যরা ◈ প্রার্থিতা ফিরে পেতে এবার আপিল করবেন বিএনপির মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ◈ শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের ভবিষ্যতের পরিকল্পনা ফাঁস করলেন সজীব ওয়াজেদ জয়!

প্রকাশিত : ২২ ডিসেম্বর, ২০১৮, ০৬:৪৬ সকাল
আপডেট : ২২ ডিসেম্বর, ২০১৮, ০৬:৪৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সেনাবাহিনী পুলিশের কাজে বাধা দিতে পারবে না : সাখাওয়াত হোসেন

মারুফুল আলম : সাবেক নির্বাচন কমিশনার সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আসল কাজটা করে পুলিশ। কারো বাড়িতে গিয়ে কাউকে গ্রেফতার বা তদন্ত করা এসব সেনাবাহিনী করবে না। সেনাবাহিনী পুলিশকে এসব কাজে বাধাও দেবে না। শুক্রবার যমুনা টিভিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নানাধরণের বিতর্কের মধ্যে সেনাবাহিনীর ওপর জনগণ কতটুকু নির্ভর করতে পারে তা পরিষ্কার করতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমান আইনী বিধানে সেনাবাহিনী স্ব-উদ্দ্যোগে কাউকে গ্রেফতার করতে পারবে না। ম্যাজিস্ট্রেটের পূর্বলিখিত অথবা উপস্থিত আদেশ ছাড়া কারো ওপর এ্যাকশন নিতে পারবে না। যদি এমন কোনো পরিস্থিতি হয়, যেখানে তৎক্ষণাৎ এ্যাকশন নেওয়া জরুরি ঐ অবস্থায় ম্যজিস্ট্রেট উপস্থিত না থাকলে এই আইনে আর্মি কিছুটা দ্বিধায় পড়বে। ধরেন, সংঘর্ষ হচ্ছে, ঐ অবস্থায় উনি কি ম্যাজিস্ট্রেটকে খুঁজবেন নাকি মারামারি থামাবেন? সবসময় আসলে ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থাকবেন কথা নেই।

তিনি আরো বলেন, ২০১৩ সাল পর্যন্ত পুলিশ যেরকম এ্যাকশন নিতে পারে, একইরকম সেনাবাহিনীও এ্যাকশন নিতে পারতো। আরপিও’র কোনো ধারার ব্যত্যয় ঘটলে আর্মির পক্ষে সেটি সম্ভব ছিলো। এখন আর্মি কোনো এ্যাকশন নিতে গেলে শংকা জাগবে যে, আমার সাথে তো ম্যাজিস্ট্রেট নাই। আর্মির এই ক্ষমতাটি কেনো বাদ দেয়া হলো, লজিক্যাল কোনো কারণ দেখলাম না।

তবে আইনী বিধানে আটকা থাকলেও চোখের সামনে বিশৃঙ্খলা হলে আর্মি যে একদম চুপ করে থাকবে তা নয়। সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আর্মি নামাতে হয় মূলত তিনটি কারণে, যেমন- রিজার্ভে বা টহলে রাখতে ফোর্স-স্বল্পতা বাড়ানো, দ্বিতীয়ত মানুষের আস্থা বাড়ানো এবং তৃতীয় হচ্ছে প্রাণহানির মতো সহিংসতা এড়ানো, যদিও মূল কাজটি করে পুলিশ।

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখন কেমন হওয়া উচিত সে প্রশ্নে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আরো আগেই নির্বাচন কমিশনের সজাগ হওয়া উচিত ছিলো। সজাগ না হওয়াতে নির্বাচন কমিশনের ওপর জটিলতা এবং চাপ বেড়ে যাচ্ছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে নানারকম হামলা ও সহিংসতায় ইতোমধ্যেই অনেকের প্রাণহানি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বেশি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আশা করার জায়গা নেই। তবে, প্রার্থী ও ভোটারদের উপর এবং বিভিন্ন জনসভা সংশ্লিষ্ট হামলা এসব বিষয়ে নিরাপত্তা বিধান খুবই জরুরি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়