শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্র থেকে মোংলা বন্দরে এলো ৫৭ হাজার টন গম ◈ মি‌ডিয়ার বিরু‌দ্ধে এমন সিদ্ধান্ত কে‌নো? বিসিবির কোন নিরাপত্তা ব্যাহত হয়েছে, জানতে চান সাংবাদিকেরা  ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নির্বাচনের ৩ দিন আগে শুল্ক চুক্তি করবে অন্তর্বর্তী সরকার ◈ রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে মায়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ড ◈ কুখ্যাত এপস্টেইন নথিতে বাংলাদেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ◈ নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা কেন শঙ্কিত? ◈ জানুয়ারিতে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড, এলো ৩.১৭ বিলিয়ন ডলার ◈ কুৎসা রটিয়ে, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে এবং ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট নেওয়া যায় না : মির্জা আব্বাস  ◈ প্রতারক চক্রের ফোনকলে সাড়া না দিতে নির্বাচন কমিশনের আহ্বান ◈ কিশোরগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে দালালচক্রের বিরুদ্ধে র‍্যাবের অভিযান, ২০ জনের কারাদণ্ড

প্রকাশিত : ২২ ডিসেম্বর, ২০১৮, ০৬:৪৬ সকাল
আপডেট : ২২ ডিসেম্বর, ২০১৮, ০৬:৪৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সেনাবাহিনী পুলিশের কাজে বাধা দিতে পারবে না : সাখাওয়াত হোসেন

মারুফুল আলম : সাবেক নির্বাচন কমিশনার সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আসল কাজটা করে পুলিশ। কারো বাড়িতে গিয়ে কাউকে গ্রেফতার বা তদন্ত করা এসব সেনাবাহিনী করবে না। সেনাবাহিনী পুলিশকে এসব কাজে বাধাও দেবে না। শুক্রবার যমুনা টিভিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নানাধরণের বিতর্কের মধ্যে সেনাবাহিনীর ওপর জনগণ কতটুকু নির্ভর করতে পারে তা পরিষ্কার করতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমান আইনী বিধানে সেনাবাহিনী স্ব-উদ্দ্যোগে কাউকে গ্রেফতার করতে পারবে না। ম্যাজিস্ট্রেটের পূর্বলিখিত অথবা উপস্থিত আদেশ ছাড়া কারো ওপর এ্যাকশন নিতে পারবে না। যদি এমন কোনো পরিস্থিতি হয়, যেখানে তৎক্ষণাৎ এ্যাকশন নেওয়া জরুরি ঐ অবস্থায় ম্যজিস্ট্রেট উপস্থিত না থাকলে এই আইনে আর্মি কিছুটা দ্বিধায় পড়বে। ধরেন, সংঘর্ষ হচ্ছে, ঐ অবস্থায় উনি কি ম্যাজিস্ট্রেটকে খুঁজবেন নাকি মারামারি থামাবেন? সবসময় আসলে ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থাকবেন কথা নেই।

তিনি আরো বলেন, ২০১৩ সাল পর্যন্ত পুলিশ যেরকম এ্যাকশন নিতে পারে, একইরকম সেনাবাহিনীও এ্যাকশন নিতে পারতো। আরপিও’র কোনো ধারার ব্যত্যয় ঘটলে আর্মির পক্ষে সেটি সম্ভব ছিলো। এখন আর্মি কোনো এ্যাকশন নিতে গেলে শংকা জাগবে যে, আমার সাথে তো ম্যাজিস্ট্রেট নাই। আর্মির এই ক্ষমতাটি কেনো বাদ দেয়া হলো, লজিক্যাল কোনো কারণ দেখলাম না।

তবে আইনী বিধানে আটকা থাকলেও চোখের সামনে বিশৃঙ্খলা হলে আর্মি যে একদম চুপ করে থাকবে তা নয়। সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আর্মি নামাতে হয় মূলত তিনটি কারণে, যেমন- রিজার্ভে বা টহলে রাখতে ফোর্স-স্বল্পতা বাড়ানো, দ্বিতীয়ত মানুষের আস্থা বাড়ানো এবং তৃতীয় হচ্ছে প্রাণহানির মতো সহিংসতা এড়ানো, যদিও মূল কাজটি করে পুলিশ।

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখন কেমন হওয়া উচিত সে প্রশ্নে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আরো আগেই নির্বাচন কমিশনের সজাগ হওয়া উচিত ছিলো। সজাগ না হওয়াতে নির্বাচন কমিশনের ওপর জটিলতা এবং চাপ বেড়ে যাচ্ছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে নানারকম হামলা ও সহিংসতায় ইতোমধ্যেই অনেকের প্রাণহানি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বেশি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আশা করার জায়গা নেই। তবে, প্রার্থী ও ভোটারদের উপর এবং বিভিন্ন জনসভা সংশ্লিষ্ট হামলা এসব বিষয়ে নিরাপত্তা বিধান খুবই জরুরি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়