Skip to main content

এক নজরে ফিলিস্তিনি প্রতিবাদী কিশোরী আহেদ তামিমি

লিহান লিমা:

ইসরায়েলি সেনাকে চড় মারার অপরাধে ৮ মাস কারাবন্দী থাকার পর ২৯ জুলাই মুক্তি পায় ফিলিস্তিনি প্রতিবাদী কিশোরি আহেদ তামিমি। [caption id="attachment_624626" align="aligncenter" width="640"] ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস তাকে ‘জনগণের মুক্তির আন্দোলনের রোল মডেল’ বলে সম্মোধন করেন।[/caption] [caption id="attachment_624628" align="aligncenter" width="640"] তামিমির বাবা বাসেম তামিমি বলেন, ‘আমার মেয়ে কোন ভুল করে নি। তার যা করার দরকার ছিল সে তাই করেছে।’[/caption] [caption id="attachment_624632" align="aligncenter" width="639"] তামিমি ফিলিস্তিনের ওয়েস্ট ব্যাংকের গ্রাম নাবি সালেহ'র বাসিন্দা৷ ইসরায়েলের সেনাবাহিনী ও ইহুদি সেটেলারদের আগ্রাসন ও জমি দখলের বিরুদ্ধে বরাবরই তামিমি প্রতিবাদী ছিলেন৷ নানা সময়ে তাঁর সাহসী প্রতিবাদ তাঁকে আলাদা করে চিনিয়েছে৷ তাঁকে প্রতিবাদের প্রতীকও বলেন অনেকে৷[/caption] [caption id="attachment_624635" align="aligncenter" width="617"] তিনি যখন শিশু ছিলেন, তখন ইসরায়েলি সেনাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের একটি ছবির কারণে তখনকার তুর্কি প্রধানমন্ত্রী এর্দোয়ানের সঙ্গে দেখা করার নিমন্ত্রণ পান৷ আরেকবার এক সেনার হাতে কামড় বসানোর ছবিটি প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে ওঠে৷[/caption] [caption id="attachment_624637" align="aligncenter" width="611"] মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের প্রতিবাদে গত বছরের ডিসেম্বরে বিক্ষোভের সময় কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ইসরায়েলি সেনার গালে চড় মারে তামিমি।[/caption] [caption id="attachment_624639" align="aligncenter" width="622"] তামিমির আইনজীবী গ্যাবি লেস্কি বলেন, তামিমি যে সেনাকে চড় মেরেছিল তার আত্মনিয়ন্ত্রণের প্রশংসা করতে হয়, তারা জানত যখন কোন কিশোরী তার কাজিনকে মাথায় গুলিবিদ্ধ হতে দেখে তখন তার পরিস্থিতি কিরুপ হয়। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনকভাবে তামিমির বিচারকার্য বিচারিক ব্যবস্থাপনার চেয়ে অনেক বেশি রাজনৈতিক ছিল। এটি লজ্জাজনক, সৈন্যদের যা আছে রাজনীতিবিদদের সেই জ্ঞান ও বোধ নেই।’[/caption]   [caption id="attachment_624642" align="aligncenter" width="641"] তামিমি ইস্যুতে আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। সিঙ্গাপুর তামিমিকে নিয়ে তৈরি ডকুমেন্টারি নিষিদ্ধ করেছিল। তামিমির পক্ষে ইউনেস্কো কিংবা বিশ্বনেতাদের কাউকে দাঁড়াতে দেখা যায় নি। মি টু মুভমেন্ট, নারীবাদ কিংবা শিশু অধিকার নিয়ে সরব থাকা পশ্চিমা ব্যক্তিত্বদের নীরব থাকা জাগিয়েছিল অনেক প্রশ্ন।[/caption] [caption id="attachment_624644" align="aligncenter" width="639"] তামিমির নিজের চাচা ও কাজিন ইসরায়েলের গুলিতে নিহত হয়। তার বাবা ও ভাইকে বারবার আটক করা হয়েছিল। তার মায়ের পায়ে গুলি করা হয়েছিল। ১১ বছর বয়সে ভাইয়ের মৃত্যুতে অঝোরে কাঁদা মেয়েটা ১৬ বছর বয়সে হয়ে ওঠে প্রতিবাদী।[/caption] [caption id="attachment_624647" align="aligncenter" width="651"] ৩১ জানুয়ারি তামিমির ১৭তম জন্মদিনে শতশত ইহুদি তরুণ-তরুণী তার মুক্তির দাবি জানায়। মার্কিন কমোডিয়ান সারাহ ফার্গুসেনও তামিমির মুক্তির দাবিকে টুইটারে লিখেন, যখন ইসরায়েরি সরকার ও ইহুদিদের দ্বারা কোন অন্যায় হয় তখন ইহুদিদেরই জেগে ওঠা উচিত।[/caption] [caption id="attachment_624649" align="aligncenter" width="659"] বিখ্যাত আইরিশ শিল্পী জিম ফিটজপেত্রেক তামিমির হাতে ফিলিস্তিনি পতাকা নিয়ে ছবি আঁেকন। বলেন ‘এই তো সত্যিকারের ওয়ান্ডার উইম্যান।[/caption]  

অন্যান্য সংবাদ