শিরোনাম
◈ হামলায় নিহত আয়াতুল্লাহ খামেনি, ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ◈ খামেনি বেঁচে আছেন এবং দৃঢ়তার সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন: ইরানের দুই সংবাদমাধ্যমের খবর ◈ এবার কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা, আহত অনেকে ◈ এবার খামেনির নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করে ট্রাম্পের পোষ্ট ◈ হামলায় খামেনি নিহত, পাওয়া গেছে তার মরদেহ: রয়টার্সকে ইসরায়েলি কর্মকর্তা ◈ ইরানে ফের হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল ◈ রাতে নতুন করে হামলা শুরু, বিকট বিস্ফোরণে কাঁপছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ◈ ফ্লাইট বাতিল যাত্রী‌রা রাত্রিযাপন সুবিধা পা‌বেন: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় ◈ হিসাব মেলাতে পার‌লো না পা‌কিস্তান, জি‌তেও বাদ বিশ্বকা‌প থে‌কে, সেমিফাইনা‌লে নিউজিল্যান্ড ◈ স্কুলশিক্ষিকাকে ধর্ষণের পর হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা

প্রকাশিত : ২৯ জুলাই, ২০১৮, ১০:৪৩ দুপুর
আপডেট : ২৯ জুলাই, ২০১৮, ১০:৪৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে কারণে এভাবে গোল উদযাপন করেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক : প্রতিটা গোলের পরই প্রথমে দু’হাতকে ডানা বানিয়ে পাখির মতো উড়ে বেড়ানো। এরপর দুই হাত উপরের দিকে তুলে আকাশের দিকে তাকান লিওনেল মেসি। একবার নয়, বারবার। প্রতিটা গোলের পরই। এটাই মেসির গোল উদযাপনের ট্রেডমার্ক। গোল উদযাপনের এই ভঙ্গিটাকে নিজের ব্র্যান্ড বানিয়ে ফেলেছেন বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। কিন্তু আপনি জানেন কি, মেসির এভাবে গোল উদযাপনের রহস্য? জানা না থাকলে এবার জেনে নিন। মেসির এই বিশেষ ভঙ্গির গোল উদযাপন তার স্বর্গবাসী নানির জন্য।
সেই ১৯৯৮ সালে পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন তার নানি চেলিয়া অলিভিয়েরা কুচিত্তিনি। মেসি প্রতিটা গোলই উৎসর্গ করেন তার প্রয়াত নানিকে। তাই গোল করার পর এভাবে হাত-মাথা উঁচিয়ে আকাশের দিকে তাকান। যেন বলতে চান, ‘প্রিয় নানি, এই গোলটিও তোমার জন্য।’

প্রতিটা মানুষেরই জীবনে বিশেষ একজন মানুষ থাকেন। যার অনুপ্রেরণা, ভালোবাসা হয়ে উঠে জীবনের চলার পথের পাথেয়। দেয় নতুন পথের দিশা। মেসির জীবনের সেই অনুপ্রেরণাদায়ী মানুষটি তার নানি। ফূটবলপ্রেমী মাত্রই জানেন, সেই ছোট্ট বেলাতেই হরমোনজনিত রোগে আক্রান্ত হন মেসি। শরীরটা ছিল লিকলিকে, হাড্ডিসার। শরীরের আকৃতিও ছিল ছোটখাটো।
এমন ছোটখাট গড়নের রোগাক্রান্ত একটি ছেলে ফুটবলের মতো কঠোর পরিশ্রমের একটি খেলা খেলবেন, এমনটা বিশ্বাস করার লোক তখন কমই ছিল। কিন্তু চেলিয়া অলিভিয়েরা কুচিত্তিনি সব সময়ই ছোট্ট নাতিকে উৎসাহ দিতেন ফুটবল খেলতে। ছোট্ট মেসির মনোজগতে ফুটবলার হওয়ার রঙিন স্বপ্নের বীজটা বুনে দিয়েছিলেন তিনিই।

কিন্তু স্বপ্ন আঁকিয়ে দেওয়া পর্যন্তই। প্রিয় নাতির খেলা দেখার সৌভাগ্য তার হয়নি। ১৯৯৮ সালে তিনি যখন মারা যান, মেসির বয়স তখন মাত্রই ১১। নানির এঁকে দেওয়া স্বপ্ন বুকে নিয়ে ছোট্ট মেসি বার্সেলোনার যুব একাডেমীতে যোগ দেন তারপরও বছর তিনেক পর, ২০০১ সালে।
এরপর কেবলই এগিয়ে যাওয়া। সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে ধীরে ধীরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন সর্বকালের অন্যতম সেরাদের কাতারে। যে নানির অনুপ্রেরণায় এতো দূর আসা, এতো সাফল্য, এমন চাকচিক্যময় জীবনের সন্ধ্যান পাওয়া, সেই নানির কথা মেসি ভুলেন কি করে! প্রতিটা গোল করার পরই তার সবার আগে মনে পড়ে পরবাসী সেই নানির কথা। প্রতিটা গোলই উৎসর্গ করেন নানিকে।
হয়তো ক্যারিয়ারের বাকি সময়টুকুতেও গোল করলে এভাবেই স্মরণ করবেন নানিকে! নানিই যে তাকে ফুটবলার বানানোর আসল কারিগর! পরিবর্তন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়