প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তামাক নিয়ন্ত্রণ না করলে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি ধরে রাখা সম্ভব নয়: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ফাহিম ফয়সাল : স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃত তবে এই সফলতা ধরে রাখা সম্ভব হবে না যদি তামাক ও তামাকজাত পণ্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা না যায়।

বৃহস্পতিবার পিকেএসএফ মিলনায়তনে ‘জাতীয় তামাক বিরোধী প্ল্যাটফর্ম’ আয়োজিত ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ পদক ২০১৮’ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের যুবসমাজকে ধ্বংস করছে তামাক। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আজ তামাক ও মাদকের যে ঝুঁকিতে রয়েছে তার জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে দেশব্যাপী প্রচারণা চালানো প্রয়োজন। সরকার মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে, তামাকের বিরুদ্ধেও একই ধরনের উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশে প্রতি বছর দেড় লাখ মানুষ তামাক জনিত কারণে মারা যায়। তামাক উৎপাদন কমাতে তামাক চাষীদের অন্যান্য লাভজনক অর্থকরী ফসল চাষের জন্য উদ্বুদ্ধ করার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন জাতীয় তামাক বিরোধী প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তামাক বিরোধী কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।

জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অবঃ) আব্দুল মালিক তামাককে জাতীয় অভিশাপ উল্লেখ করে বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি অর্জন এবং তা ধরে রাখতে হলে দেশকে তামাকের অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে হবে। তামাকের ব্যবহার হ্রাস করার জন্য মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা অপরিহার্য এবং সেই আন্দোলনে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে যোগদান করতে হবে।

জাতীয় তামাক বিরোধী প্ল্যাটফর্ম-এর আহবায়ক ও পিকেএসএফ-এর সভাপতি ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, তামাকের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা, মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি করা, তামাক নিয়ন্ত্রণে নীতিনির্ধারনী পর্যায়ে এডভোকেসি করা এই তিনটি উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে কাজ করে যাচ্ছে জাতীয় তামাক বিরোধী প্ল্যাটফর্ম। দেশের প্রণীত আইন ও প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী তৃণমূল পর্যায়ে তামাকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে প্ল্যাটফর্ম।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ভাবে তামাক বিরোধী কাজ করছে তবে এই কাজে সমন্বয় না থাকায় ফলাফল তেমন ভাবে দৃশ্যমান হয়নি উল্লেখ করে তিনি আশা করেন যে জাতীয় তামাক বিরোধী প্ল্যাটফর্ম সমন্বয়কের ভ‚মিকা পালন করবে এবং এর মাধ্যমে একটি সফল উদ্যোগ নেয়া যাবে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা আহছানিয়া মিশনকে প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে তামাক নিয়ন্ত্রণ পদক ২০১৮ দেয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমের গুণগত মান, বিস্তৃতি ও প্রভাব বিবেচনা করে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

ডা. মো. মোস্তফা জামান-কে তাঁর গবেষণার প্রকৃতি, প্রাসঙ্গিকতা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রকাশনার সংখ্যা বিবেচনা করে প্রকাশনা/গবেষণা ক্যাটাগরিতে পদক প্রদান করা হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত