প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অনলাইনে শিল্প দূষণ মনিটরিংসহ পরিবেশ অধিদফতরের ছয় দফা কর্মপরিকল্পনা

মতিনুজ্জামান মিটু : অনলাইনে শিল্প দূষণ মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করাসহ ছয় দফা কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে পরিবেশ অধিদফতর। পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ২০৩০ সালের মধ্যে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। এর মধ্যে চলতি ২০১৮ সালেই অনলাইনে শিল্প দূষণ মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা হবে। একই সময়কালে প্রযোজ্য সব শিল্পে ইটিপি (ইফুলেন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট বা তরল বর্জ্য শোধনাগার) স্থাপন ও পরিচালনা নিশ্চিত করা হবে।

এছাড়া চলতি বছরে কক্সবাজার কার্যালয়কে পরিচালকের দফতরে উন্নিত করাসহ রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় এবং ৪৩টি জেলা কার্যালয় স্থাপন হবে। স্বল্পতম সময়ের মধ্যে দেশের পরিবেশ দূষণকারি সব ইটভাটাকে পরিবেশ সম্মত ব্যবস্থাপনায় আনা হবে। এসব কর্মপরিকল্পনার কথা জানিয়ে অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. সুলতান আহমেদ বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে পরিবেশ সংক্রান্ত সব সেবা ডিজিটালাইজ ও অনলাইন সার্ভিস চালু করা হবে। পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এ কর্মপরিকল্পণা বাস্তবায়ন করা হবে। পরিবেশের এসব চ্যালেঞ্জর মধ্যে রয়েছে; ‘যত্রতত্র হাউজিং, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও শিল্পায়ন। গৃহস্থালী, চিকিৎসা ও বিপদজনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। পাহাড় কাটা, নদী-নালা ভরাট, নদী দূষণ ও সমুদ্র দূষণ। সার্বক্ষনিক ইটিপি ব্যবস্থাপনার অভাব। সনাতন ইটভাটা আধুনিক ইটভাটায় রুপান্তর এবং এতদসংক্রান্ত আইনের প্রয়োগ। জেলা পর্যায়ে পরিবেশ অধিদফতরের সম্প্রসারণ। নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন বন্ধ এবং ভূগর্ভস্থ পানির অধিক ব্যবহার ও অপচয়।’ চ্যলেঞ্জ মোকাবেলায় পরিবেশ অধিদফতরের বেশ কিছু কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এ কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে; ‘ দূষণকারি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের। প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা ও ব্যবস্থাপনা। জীব বৈচিত্র সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা। বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য দূষণনিয়ন্ত্রণে পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন। জলবায়ু পরিবর্তনসহ পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক নিগোসিয়েশনে অংশগ্রহন। জলবায়ু পরিবর্তনসহ পরিবেশ বিষয়ক আন্ত:র্জাতিক চুক্তি, কনভেনশন ও প্রটোকল বাস্তবায়ন। পরিবেশ বিষয়ক আইন, বিধি ও নীতিমালা তৈরী, প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন করা। দেশে পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া। পানি, বায়ু ও শব্দের গুণগতমান পরিবীক্ষণ। শিল্প ইউনিট ও প্রকল্পের পরিবেশগত ছাড়পত্র দেয়া, নবায়ন এবং বাতিল করা। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দফতরকে পরিবেশ বিষয়ে পরামর্শ দেয়া।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত