শিরোনাম
◈ সিটি করপোরেশন আগে, ধাপে ধাপে ইউপি— আসছে নির্বাচনের রোডম্যাপ ◈ গুলশানে নিজের ফ্ল্যাটে উঠছেন ড. ইউনূস ◈ হালিশহরে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, দগ্ধ পরিবারের ৯ জনের মধ্যে একজনের মৃত্যু ◈ রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়তে চার ফ্রন্টে কঠিন পরীক্ষা সরকারের ◈ হেটমায়ারের ঝড়ে রেকর্ড, বড় জয় নিয়ে সুপার এইটে ক্যারিবীয়রা ◈ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর মাঠ প্রশাসনে বড় রদবদল, একযোগে ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তা বদলি ◈ ন‌ভেম্ব‌রে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ  ◈ আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা পুনঃতদন্ত করতে নতুন করে কমিশন গঠন করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৬ এপ্রিল, ২০১৮, ০৫:০৩ সকাল
আপডেট : ২৬ এপ্রিল, ২০১৮, ০৫:০৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিএনপির রাজনীতিতে জোবাইদা ও সিঁথিকে নিয়ে জল্পনা-কল্পনা

শাহানুজ্জামান টিটু : বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলে আসছে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের শূণ্যতা পূরণে পরিবার থেকে কে দলটির হাল ধরতে পারেন। দুই পুত্রবধুর কে আসছেন রাজনীতিতে, জোবাইদা রহমান না শর্মিলী রহমান সিঁথি।

অবশ্য এ ক্ষেত্রে অনেক আগে থেকেই আলোচনায় আছেন তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান। কেন তিনি রাজনীতিতে আসবেন তা নিয়ে নানা বক্তব্যও রয়েছে। দলটির নীতি নির্ধারণী সূত্র জানিয়েছে, খালেদা জিয়াকে দেখার জন্য স্বল্প সময়ের জন্য ডা. জোবাইদা রহমান রোজায় ঢাকায় আসতে পারেন। আগামী ৮ মে উচ্চ আদালতে মামলার শুনানিতে খালেদা জিয়া জামিন না পেলে শাশুড়িকে দেখতে দেশে আসবেন তিনি।

এ সময় তিনি দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গেও কথা বলতে পারেন। তারপর আবার লন্ডনে চলে যাবেন এবং আগামী নির্বাচনের বিএনপি যদি অংশ নেয় তাহলে আবারও দেশে আসবেন দলের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়ার জন্য। তবে সব কিছু নির্ভর করছে খালেদা জিয়া আগামী নির্বাচনে প্রার্থী ও প্রচারে অংশ নিতে না পারলে। সেক্ষেত্রে সামনে দেখা যেতে পারে ডা. জোবাইদাকে।

ইতিমধ্যে খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে প্রয়াত কোকোর স্ত্রী শর্মিলী রহমান সিঁথি ঢাকা ঘুরে গেছেন। পরিবারের সিদ্ধান্তে সম্প্রতি লন্ডন থেকে শাশুড়িকে দেখতে দেশে আসেন তিনি। বেশকিছু দিন ঢাকায় অবস্থান করে কারাগারে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ ও দলের মহাসচিবসহ বেশ কয়কজন সিনিয়র নেতার সঙ্গে আলোচনা শেষে গত সপ্তাহে আবারও লন্ডনে ফিরে যান তিনি।

এরপর থেকেই সিঁিথকে নিয়েই জল্পনা-কল্পনা শুরু হয় তিনিও রাজনীতিতে আসতে পারেন। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান নির্বাচনে অযোগ্য হলে দলের মধ্যে গতি সঞ্চার ও আগামী নির্বাচনী বৈতরনী পার হতে জিয়া পরিবারের যে কারোর স্বশরীরে উপস্থিতি প্রয়োজন। আর এজন্যই দুই পুত্রবধু দলের হাল ধরতে দেশে আসতে পারেন।

এসব বিষয় নিয়ে এখন মন্তব্য করা থেকে বিরত রয়েছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা। তারা বলেন, দলের চেয়ারপারসন জেলে। তার মুক্তির বিষয়টিই এখন তাদের কাছে প্রধান ইস্যু। নেত্রীর মুক্তির আন্দোলন চলমান। ফলে রাজনীতিতে কে কখন আসছেন বা আসবেন এসব বিষয় নিয়ে ভাবছেন না তারা। তবে নীতিনির্ধারকরা মনে করেন, জিয়া পরিবার থেকে কে বা কারা বিএনপির রাজনীতিতে আসবেন তার নির্ধারণ করবেন দলের প্রধান খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবির রিজভী বলেন, আমাদের এখন প্রধান এবং একমাত্র ইস্যু গণতন্ত্রের মা আমাদের মা খালেদা জিয়ার মুক্তি। এছাড়া এখন আমরা অন্য কিছু ভাবছি না। আর দলের মধ্যে কে আসবেন না আসবেন এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তো পার্টির চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তারাই সিদ্ধান্ত নেবেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়