শিরোনাম
◈ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে দুবাই থেকে এমিরেটসের সব ফ্লাইট স্থগিত ◈ “বেশি বাড়াবাড়ি করলে দিল্লির সরকার ফেলে দেব”: মমতা ◈ আসিফ নজরুলের দুর্নীতি? ◈ ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানাল আরব আমিরাত ◈ যাকাত ব্যবস্থাপনায় ১০–১৫ বছরে দারিদ্র্য কমানো সম্ভব: তারেক রহমান ◈ ‘ভালো লাগা’ থেকে যুদ্ধ? ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্রেই তীব্র প্রশ্ন ◈ ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার ◈ নারীর অধিকার ও সমতা নিশ্চিতেই উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য: তারেক রহমান ◈ তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই, আরও ২ ভ্যাসেল আসছে: জ্বালানি মন্ত্রী ◈ বিদেশি কর্মী নিয়োগে সুখবর দিলো মালয়েশিয়া

প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৮:৫০ সকাল
আপডেট : ৩০ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৮:৫০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার কথা ছিল আই ওয়াশ

ব্যারিস্টার এম সরোয়ার হোসেন : বাংলাদেশে আসা ১০ লাখ রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার সরকার ফেরত নেওয়া শুরু করবে, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে চুক্তি অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের প্রতিদিন ৩০০ জন করে সপ্তাহে দেড় হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিবে, বছরে ১ লাখ করে নিতে পারে মিয়ানমার সরকার। এর আগে মিয়ানমার সরকার এবং বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার জন্য যে সমঝোতা স্বাক্ষর করেছিল, এটি ছিল আই ওয়াশ। এটিতে আন্তর্জাতিক যেসব সংস্থা আছে তারাই বলেছেন, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। কিন্তু এটি সঠিক ভাবে কার্যকর করা হয়নি। আগে যে সমঝোতা স্মারক চুক্তি করেছিলেন, এ চুক্তিটি আন্তর্জাতিকভাবে হওয়া উচিত ছিল। আমাদের সরকার রোহিঙ্গাদের থাকার ব্যবস্থা করেছেন, সেটির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, নোবেল পুরস্কারের আশা। এজন্য রোহিঙ্গাদের একবারে সবাইকে পাঠাতে পারছে না। আমাদের সরকার বলছেন, দিনে ৩০০ করে রোহিঙ্গাদের পাঠাবে। এটি হল একটি মিথ্যা কথা। ১৯৭৮ সালে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের বিভিন্নভাবে অত্যাচার করায় আমাদের দেশে যে রোহিঙ্গা এসেছিলেন, তাদেরকে ১৯৭৮ সালে এবং ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার অনেক সাফল্যের সাথে মিয়ানমারে পাঠাতে পেরেছেন। বর্তমানে যে রোহিঙ্গা আমাদের দেশে এসেছেন এবং আগে যেসব রোহিঙ্গা আছে, সব রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে পারেন, তাহলে আমি মনে করি, বর্তমান সরকার এটি সঠিকভাবে করতে পেরেছেন। যেসব রোহিঙ্গা দেশে ফিরবেন, তাদেরকে আবার পুনরায় মেরে ফেলবে না, এবং তাদের ঘর বাড়ি ফেরত দিবে, তাদের কোন ক্ষতি সাধিত হলে তাদের দায়িত্ব মিয়ানমার সরকার নিবে, এমন শর্তে তাদেরকে পাঠানো যায়। এই রোহিঙ্গার মেরে ফেলার সাথে যারা জড়িত ছিল তাদের সবাইকে ধরে আন্তর্জাতিক ভাবে সাজা দেওয়া হোক। তাহলে একটা অগ্রগতি দেখা যাবে।
পরিচিতি: সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি
মতামত গ্রহণ: রাশিদুল ইসলাম মাহিন
সম্পাদনা: মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়