শিরোনাম
◈ সৌদি আরবের মক্কার আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশি হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ‘রাজনৈতিক বার্তা দিতেই অংশগ্রহণ’, বললেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ◈ কলকাতার আগুনে প্রাণহানি: ‘যা যা করার আছে, নিশ্চয়ই করব’ ◈ পেছনের পর এবার সামনেও নম্বর প্লেট, মোটরসাইকেলে আসছে নতুন নিয়ম ◈ ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট, সংসদে ভোট দিলেন তারেক রহমান ও মির্জা ফখরুল ◈ লা লিগায় দারুণ সূচনা  অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের ◈ ১৯৯১ সালের উত্তেজনা এবারও কি ফিরবে? ◈ কক্সবাজারের ২১৪ কোটি টাকার আইকনিক রেলস্টেশন ৩ বছরেও চালু হয়নি, নষ্ট হচ্ছে অবকাঠামোও সরঞ্জাম ◈ বঙ্গভবন থেকে বিদায় নিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ ◈ ব্যালট পেপারসহ ভোটের সামগ্রী নিয়ে সংসদের পথে ইসি

প্রকাশিত : ২৪ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৭:০৬ সকাল
আপডেট : ২৪ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৭:০৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আপনি জানেন? মিথ্যা সাক্ষী দিলে কি হয়?

ওয়ালি উল্লাহ সিরাজ : মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে মুক্তি ও কল্যাণ লাভের সব পথ চিররুদ্ধ করে দেওয়া হয়। এমন ব্যক্তির কোনো কাজ আল্লাহর দরবারে গ্রহণযোগ্য হয় না। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও কাজ পরিত্যাগ করতে পারল না, তার রোজা রেখে পানাহার বর্জনে আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬০৫৭)
ইসলামের দৃষ্টিতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া জঘন্যতম গুনাহর কাজ। একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) হেলান দিয়ে বসে ছিলেন। এই অবস্থায় তিনি সাহাবাদের বলেন, কবিরা গুনাহ সম্পর্কে কি আমি তোমাদের বলব? সাহাবারা বলল, হে আল্লাহর রাসুল, বলুন। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, অন্যতম কবিরা গুনাহ হলো, কাউকে আল্লাহর সমকক্ষ স্থির করা (শিরক করা), মাতা-পিতার অবাধ্য হওয়া। এ কথা বলে নবী করিম (সা.) সোজা হয়ে বসেছেন এবং বলেছেন, মিথ্যা সাক্ষী দেওয়া। এ কথা তিনি তিনবার বলেছেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২৬৫৪)

কেউ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করলে তা অভিযোগকারীর জাহান্নামে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট। আবু জর গিফারি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করল, সে যেন নিজের ঠিকানা জাহান্নামে বানিয়ে নিল। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩৫০৮)

কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য ও অপবাদ রটনার মাধ্যমে ওই ব্যক্তির ওপর জুলুম করা হয়। আর জুলুমের কারণে সমাজ ও রাষ্ট্রে ব্যাপক বিপর্যয় দেখা দেয়। এ বিপর্যয় কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বা ব্যক্তির ওপর আসে না, বরং সবাই এর ভুক্তভোগী হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) মুসলমানদের মজলুমের বদদোয়া থেকে বেঁচে থাকার জন্য সতর্ক করেছেন। কেননা আল্লাহ তাআলা মজলুমের দোয়া কখনো ফেরত দেন না। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, আর তোমরা ভয় করো ফিতনাকে, যা তোমাদের মধ্য থেকে শুধু জালিমদের ওপরই আপতিত হবে না (সবার ওপর আসবে)। আর জেনে রেখো, নিশ্চয় আল্লাহ আজাব দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কঠোর। (সুরা : আনফাল, আয়াত : ২৫)

মানুষের জীবন দুনিয়ায়ই শেষ নয়। পরকালের অনন্ত জীবনই মানুষের প্রকৃত ও আসল জীবন। সেখানেই তাকে চিরকাল অবস্থান করতে হবে। সত্য চিরস্থায়ী। আর অপবাদ সব সময় ক্ষণস্থায়ী। এর স্থায়িত্ব একেবারে সাময়িক। এর পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘দেখো, তারা কিভাবে মিথ্যা বলেছে নিজেদের সম্পর্কে, তারা যে মিথ্যা রটনা করত, (পরকালে) তা তাদের কাছ থেকে হারিয়ে গেল।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ২৪

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়