শিরোনাম
◈ অ্যাম্বুলেন্স সেবা সিন্ডিকেটের দখলে, ভাড়ায় লাগাম নেই; রোগী ও মরদেহ পরিবহনে চরম ভোগান্তি ◈ মধ‌্যবর্তী নির্বাচ‌নে ট্রাম্পের দলের হারের নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ, স্বীকার করলেন ভাইস প্রেসি‌ডেন্ট ◈ কুমিল্লায় এনআইডি করতে গিয়ে ঘুষের প্রতিবাদ, নির্বাচন কর্মকর্তার কক্ষে প্রবাসীকে মারধরের অভিযোগ ◈ বরিশালে বছরে ৩০ হাজার মানুষ আক্রান্ত ছানিতে, এক কোটি মানুষের ভরসা এক শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ◈ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শীর্ষ অবস্থানে বাংলাদেশ, এবার কঙ্গো গেলেন বিমান বাহিনীর ১১১ জন ◈ শ্রমিক অসন্তোষে শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তায় ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, চলছে ড্রোন নজরদারি ◈ বেনাপোল ইমিগ্রেশনে গ্রেফতার যুবলীগ নেতা হিমাংশু পাল ◈ পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ: সাবেক মন্ত্রী, এমপিসহ ২০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ হচ্ছে ◈ আ‌মে‌রিকার মানুষ বিরক্ত হলে ইসরায়েলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হবো: ট্রাম্পের মন্তব্যে তোলপাড়  ◈ ইরা‌নের প্রতিটি মুহূর্তই ‘মহাশয়তান’এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও সংগ্রামের সময়: সর্বোচ্চ নেতা 

প্রকাশিত : ২২ জানুয়ারী, ২০১৮, ১০:৫৩ দুপুর
আপডেট : ২২ জানুয়ারী, ২০১৮, ১০:৫৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পানির নিচে বিশ্বের দীর্ঘতম গুহার সন্ধান

মাইকেল : গুহা শব্দটি শুনলেই আমাদের মাথায় আদিম মানুষের কথা আসে। কারণ আদিম মানুষের বসবাস ছিল গুহায়। কিন্তু পানির নিচেও যে গুহা আছে তা অনেকের কাছে অজানা। প্রত্নতত্ববিদ ও ডুবুরিদের কাছে পানির নিচের গুহা গবেষণার একটি বড় রসদ। আর  গবেষণা করতে গিয়েই তারা নতুন একটি গুহার সন্ধান পেয়েছে। প্রত্নতত্ত্ববিদরা দাবি করছে এটা পানির নিচের সবচেয়ে বড় গুহা।

বিশ্বের বৃহত্তম এই গুহার সন্ধান পাওয়া গেছে মেক্সিকোর উপসাগরীয় অঞ্চল ইউকাটান পেনিনসুলায়। গুহাটি ২১৬ মাইল দীর্ঘ। এর অবস্থান থেকে গবেষকরা ধারণা করছেন, এখানে মেক্সিকান প্রাচীন মায়ান সভ্যতার গুপ্তধনও থাকতে পারে।

মায়ান সভ্যতার কথা চিন্তা করে মেক্সিকোর এই উপসাগরে ডুবুরিরা দীর্ঘদিন তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। আর তাদের নির্দেশনা দিচ্ছিলেন পানির নিচে প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে কাজ করে এমন কিছু প্রত্নতত্ববিদ। অনুসন্ধান অনুযায়ী, নতুন এই গুহাটি পানির নিচে দুটি গুহার মাঝামাঝি অবস্থান করছে। নতুন এই গুহার নাম দেওয়া হয়েছে স্যাক অ্যাকটন।

প্রত্নতত্ববিদরা মনে করছে, মেক্সিকোতে এমন আরও অনেক রহস্য লুকিয়ে আছে। আর তার মধ্যে পেনিনসুলার নাম আলাদা করে বলতেই হবে। সেই রহস্য উন্মোচনে কাজ করছে গ্রেট মায়া অ্যাকুইফার প্রজেক্ট (জিএএম) টিম। একটানা কাজ করার সুবিধার্থে দীর্ঘদিন পেনিনসুলায় পানির নিচে বসবাস করছেন দলের সদস্যরা।

নতুন এই গুহা আবিষ্কার সেই পরিশ্রমের বড় অর্জন বলে মনে করছেন তারা। এটি পানির নিচে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় গুহার পাশাপাশি অন্যতম সমৃদ্ধ প্রত্নতত্ত্বের খনি হবে বলেও আশা করছেন অনুসন্ধানকারীরা।

জিএমএম-এর ডিরেক্টর বলেন, আমরা এর আগে প্রাচীন আমেরিকার বাসিন্দাদের ইতিহাস খুঁজে বের করেছি। একই পদ্ধতি ব্যবহার করে নতুন এই গুহার সন্ধান মিলেছে।  সূত্র : বাংলা ইনসাইডার এবং এএফপি

  • সর্বশেষ