শিরোনাম
◈ এয়ারপোর্ট ও বুর্জ খলিফা টাওয়ার ধ্বংসের ভিডিও নিয়ে যা জানা গেল ◈ জয়ের ফাঁস করা তালিকায় শীর্ষ চাহিদাসম্পন্ন ১৫ নায়িকা ◈ চলছে তালিকা তৈরির কাজ, চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের ধরতে যৌথ অভিযান ◈ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন: থামাতে দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই বিশ্ব শক্তির ◈ খামেনির ছেলেকে পছন্দ নয়, সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে চান ট্রাম্প ◈ দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব ও পরিকল্পনায় ইবি শিক্ষিকা খুন—স্বামীর মামলায় ৪ আসামি ◈ স্কুল-কলেজের জন্য আসছে র‍্যাংকিং সিস্টেম: শিক্ষামন্ত্রী ◈ দুই ইস্যুতে বাংলাদেশের আশ্বাস চাইল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বক্তব্য খণ্ডিতভাবে প্রচার করে নির্বাচন ইস্যু জুড়ে বিভ্রান্তি: রিজওয়ানা ◈ গ্রাহকদের প্রতি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ৭ নির্দেশনা বিদ্যুৎ বিভাগের

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৯:৩৬ সকাল
আপডেট : ১৮ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৯:৩৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুসলিম জীবনে বিনোদন

ওমর ফারুক খন্দকার: গান-বাজনা শোনা ইসলামে নিন্দনীয়। অথচ বর্তমানে বিবাহ-শাদি ও অন্যান্য উৎসব মুখর দিনে নাচ-গান শোনাটা যেন একটা রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। বিষেশত: ঈদের দিনে হিন্দি বাংলা অশ্লিল গান না শুনলে যেন ঈদই উতযাপিত হয় না। ঈদ বিবাহ ও উৎসব মানে যেন গান শোনা। অন্যকে গান শুনানো। অথচ এর দ্বারা অধিকাংশ পথচারি আশ-পাশের অবস্থান রত নারী পুরুষের কষ্ট হয়। এবাদত কারীদের এবাদত বিঘ্নিত হয়। সেদিকে তাদের কোনই ভ্রুক্ষেপ নেই। এসমস্ত গান শোনাতো এমনিতেই হারাম যা কুরআন হাদীস দ্বারা প্রমানিত আর অন্যদের কষ্ট দেওয়ার কারনে গুনাহ তো আরো কয়েক গুন বেড়ে যায়।

তবে হা গানটি যদি তবলা সারিন্দা প্রভৃতির বাদ্য যন্ত্রহীন এবং নারী কন্ঠ না হয়ে শুধু সুমধুর কন্ঠে কোন কবিতা বা গজল পাঠ করা হয় এবং তার বিষয় বস্তু বা অন্য কোন পাপ পঙ্কিলতা যুক্ত না হয়, তবে তা শোনা ও পড়া দোষনীয় নয়। অনেক লোক বলে থাকে যে গান শোনা জায়েজ আছে তার প্রমাণ সরূপ বলে থাকে যে অমুক সুফী বা সাধকগণ শুনেছিল। যদি শুনতে পারে তাহলে আমরা পারব না কেন আসল কথা হচ্ছে তারা বাদ্যযন্ত্রহীন গানই শুনেছে। কেননা তাদের শরীয়তের অনুস্বরণ ও রাসুল সা: এর আনুগত্য দিবালোকের ন্যায় সুনিশ্চিত। তাদের সম্পর্কে এরূপ পাপে জড়িয়ে পড়ার ধারণাও কারা যায় না। বর্তমানে বিভিন্ন মাজারে দর বারে ঢোল বাজিয়ে নাচ-গান ও কাওয়ালী গাওয়া হয় এবং এর জন্য চাঁদা তোলা হয়। ঢোল বাজিয়ে এসব কাওয়ালি গাওয়া ও তাতে অংশ গ্রহণ করা চাঁদা বা কোন প্রকার সাহায্য সহযোগীতা করা সবই না জাযেয ও হারাম।
বর্তমানে চিত্য বিনোদনের সর্বাপেক্ষা উত্তম মাধ্যম মনে করা হয় টিভি ভিসিয়ার সিডি ইত্যাদি দেখাকে। পরিবারের সবাই এক সাথে বসে টিভি ভিসিয়ার একটু খোলা মেলা প্রোগ্রামগুলো যদি নাই দেখলাম তাহলে আর বিনোদন হলো কোথায়? ভদ্রতা শালীনতা আত্ম মর্যাদাবোধ ও সুস্থ বিবেককে পিছনে ফেলে আকাশ সংস্কৃতি অশ্লীলতাপূর্ণ চরিত্র বিধ্বংসী বেহায়া পনায় ভরপুর অনুষ্ঠানগুলো মানুষ গিলছে সপরিবারে, এতে তারা বিন্দুমাত্র সংকোচ বোধ করছে না।

একটি হাদীসে বর্ণিত আছে যে, হযরত জাবের রা. থেকে বর্ণিত হুযুর সা. বলেন, কেয়ামাতের দিবসে মহান আল্লাহ বলবেন, সে সব পণ্যময় ব্যক্তি কোথায়? যারা তাদের কর্ণ ও চক্ষুকে শয়তানের বাদ্য যন্ত্র থেকে পবিত্র রেখেছিল তাদের পৃথক কর। সুতরাং তাদের মেশক আম্বরের সুরভিত জায়গায় পৃথক করা হবে। এরপর তিনি ফেরেস্তাদের ডেকে বলবেন আচ্ছা যাও তোমরা তাদের আমার তাসবীহ ও তাহমীদের সুমধুর কন্ঠের আওয়াজ শুনাও। তারা তখন তাদের এমন সুমধুর কন্ঠের আওয়াজ শুনাবেন যা ইতিপূর্বে কোনো শ্রবনকারী শোনেনি। লেখক: প্রবন্ধিক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়