প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণ চাঁদাবাজি!

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ : কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করে চাল, পেয়াঁজসহ নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি করা হয়। চাল বা পিয়াজের দাম বৃদ্ধি করা হয়, অনেক সময় কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানো হয়। সে পণ্যগুলোর দাম আর কমে না। কারণ, যারা এই চাল, পেয়াঁজ বা অন্যান্য পণ্যগুলোর দাম বাড়াচ্ছে, তারা সবাই বিভিন্ন রাজনীতির সাথে জড়িত বা অসাধু ব্যবসায়ি। এই রাজনীতিবিদ ব্যবসায়িরা যখন কোন নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় তখন সে দ্রব্যের দাম কমে না। দাম আরো দ্রুতহারে বৃদ্ধি পাই। এই নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির পেছনে এটা একটা বড় কারণ হচ্ছে চাঁদাবাজি ।

যারা এই পণ্যগুলো উৎপাদন করে, যেমন চাল, পেয়াঁজ বা অন্যান্য দ্রব্য যখন তারা সেই দ্রব্যগুলো বাজারে বিক্রি করে ব্যবসায়িদের কাছে এবং সেই ব্যবসায়িরা যখন আরেকটি ব্যবসায়ির কাছে বিক্রি করে, এখানে বিক্রি করার সময় কিছু চাঁদাবাজদের চাঁদা দিতে হয়। এই চাঁদাবাজদের চাঁদা দেওয়ার কারণে অনেক সময় দ্রব্যমূল্য বেড়ে যায়। যারা চাঁদাবাজ তারা বিভিন্ন রাজনীতির সাথে জড়িত, পুলিশ প্রশাসন এর সাথে জড়িত, সরকারি মানুষের সাথে জড়িত থাকে।

এজন্য সরকার এদের বিরুদ্ধে কোন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে না। এই দ্রব্যমূল্য কমানোর জন্য সরকারের যেটি করা দরকার, সেটি সরকার করছে বলে আমার মনে হয় না। সুতরাং বিভিন্ন মিডিয়া পত্রিকার মাধ্যমে দাম কমানোর কথা প্রচার করছে। যে ব্যবসায়িরা এই চাল, পেয়াঁজ বা অন্যান্য দ্রব্যের দাম বাড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পরিচিতি: অর্থনীতিবিদ
মতামত গ্রহণ: রাশিদুল ইসলাম মাহিন
সমাপাদনা: মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত