শিরোনাম
◈ ৪৭.৫ মিলিয়ন ডলারে ব্যাংক এশিয়ার কাছে বাংলাদেশি কার্যক্রম বিক্রি করছে ব্যাংক আলফালাহ ◈ টানা ছুটি শেষে আজ থেকে খুলছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জারি নতুন নির্দেশনা ◈ রাশিয়া-ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত: বাংলাদেশের বিকল্প শ্রমবাজারের অপেক্ষা ◈ যুক্তরাষ্ট্রে ‘ভয়ংকর অপরাধে’ গ্রেপ্তার ১০ বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ ◈ ‘প্রত্যেক নাগরিককে ২৫০০ টাকা বৈশাখী ভাতা’ নিয়ে যা জানা গেল ◈ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, আইনশৃঙ্খলা মেনে চলার নির্দেশ ◈ ভূমধ্যসাগরে দিক হারিয়ে ৬ দিন ভেসে থাকার পর ২১ বাংলাদেশিসহ ২৬ জন উদ্ধার, মৃত্যু অন্তত ২২ ◈ ড‌য়ে‌চে‌ভে‌লের প্রতি‌বেদন- আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই, বলছে সরকার ◈ সাফ চ‌্যা‌ম্পিয়ন‌শিপ, শ‌ক্তিশালী ভারতের সঙ্গে ড্র করলো বাংলাদেশ ◈ ভারত-বাংলাদেশ পাইপলাইনে আবারও ৭ হাজার টন ডিজেল আমদানি শুরু

প্রকাশিত : ২০ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৭:৪৬ সকাল
আপডেট : ২০ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৭:৪৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কানাডায় ৭০ বছরের দাম্পত্য জীবনের জোরপূর্বক বিচ্ছেদ

সান্দ্রা নন্দিনী : কানাডায় দীর্ঘ ৭ দশক একসঙ্গে বসবাসের পর জোরপূর্বক আলাদা করে দেয়া হচ্ছে এক দম্পতিকে। বড়দিনের মাত্র এক সপ্তাহ আগে এই হৃদয়বিদারক সিদ্ধান্তের কথা জানার পর ভীষণভাবে মুষড়ে পড়েন দু’জনেই।

হার্বার্ট গুডিন ও তার স্ত্রী অড্রে গুডিন এতদিন ‘লং টার্ম কেয়ার ফ্যাসিলিটি’র আওতায় ছিলেন। তবে হার্বার্টকে এক সপ্তাহের মধ্যেই সেখান থেকে অন্যকোনো নার্সিংহোমে চলে যেতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, লং টার্ম কেয়ার ফ্যাসিলিটি-এমন একটি কার্যক্রম যেখানে সরকারি সহায়তায় বয়স্কদের থাকা-খাওয়া ও চিকিৎসা সেবাসহ সবরকম সাহায্য-সহযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়। গুডিন দম্পতির মেয়ে ডিয়ানে ফিলিপস তার ফেসবুকে লিখেছেন, আমার মা-বাবার সঙ্গে দেখা করতে গেলে আমি তাদের দু’জনকেই কাঁদতে দেখেছি। আমার মা বারবার বলছিল, আমাদের আর বড়দিনের আনন্দ বলে কিছু থাকল না। কর্তৃপক্ষ কি বড়দিনের ছুটি শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারল না?

তিনি বলেন, গত শুক্রবার কর্তৃপক্ষ ফোন করে আমাকে জানিয়েছে, যেহেতু আমার বাবার শরীর মাঝেমধ্যেই খারাপ হয় তাই তাকে অন্য কোথাও সরিয়ে নিতে হবে। আর সেটা এসপ্তাহের মধ্যেই। আমি বারবার অনুরোধ করেছি যেন অন্তত বড়দিন পর্যন্ত তাদের একসাথে থাকতে দেওয়া হোক কিন্তু তারা আমার অনুরোধ কানে তোলেনি।
অন্যদিকে, লং টার্ম কেয়ার ফ্যাসিলিটি কর্তৃপক্ষের একজন প্রতিনিধি ফেসবুকে লিখেছেন, একজন ক্লায়েন্টের স্বাস্থ যখন আমাদের আওতার বাইরে চলে যায় তখন তার উন্নতির জন্য যেখানে পাঠানোর দরকার আমরা তাকে সেখানেই পাঠাই। সরকারের পক্ষ থেকেও এবিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশ দেয়া আছে। আমি সেসব সরকারি নির্দেশনা মানতে বাধ্য কেননা তা না হলে আমার প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে। একারণেই আমাকে এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হতে হয়েছে। বিষয়টি একেবারেই আমার হাতে ছিল না। বিবিসি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়