শিরোনাম
◈ বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধে কিছুটা চাপে আছে দেশের অর্থনীতি: অর্থমন্ত্রী ◈ সমালোচনা হবেই, এটা দেখাটা জরুরি না: নান্নু ◈ ২১ বছর সমুদ্রসীমার অধিকার নিয়ে কেউ কথা বলেনি: প্রধানমন্ত্রী ◈ ২০০ ইউনিটের বেশি ব্যবহার করলে বিদ্যুতের দাম ৫ শতাংশ বাড়বে, ১ মার্চ থেকে কার্যকর ◈ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় রাশিয়ার ‘৬০ সেনা নিহত’ ◈ দোষী প্রমাণিত হলে অবহেলাকারী ও চিকিৎসকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী  ◈ খুলনাকে ৬৫ রানে হারিয়ে প্লে-অফে চট্টগ্রাম ◈ এরশাদ সর্বস্তরে বাংলাভাষা প্রচলনে আইন করেন: জি এম কাদের  ◈ হজে গিয়ে ভিক্ষা করলে ৭ বছরের জেল ও ১৫ কোটি টাকা জরিমানা (ভিডিও) ◈ মিয়ানমার ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশ-ভারতকে সতর্ক করলেন ডোনাল্ড লু

প্রকাশিত : ৩১ জুলাই, ২০২৩, ০৫:২৪ বিকাল
আপডেট : ৩১ জুলাই, ২০২৩, ০৫:২৪ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শিশুর আচরণ নিয়ে চিন্তিত না হয়ে মা-বাবাকেই সচেতন হতে হবে 

মুসবা তিন্নি: [২] পরিবারের ছোট্ট সদস্য কখনো বাবার জুতা পরে হাঁটতে থাকে, মায়ের ওড়না পেঁচিয়ে শাড়ি পরে বউ সাজে। কখনো কখনো দাদির চশমা চোখে দিয়ে বুড়ো সাজে। আর এসব দেখে আমরা বড়রা বলি, ‘ও একদম বড়দের মতো!’ সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট

[৩] শিশু যখন এসব কাজ করে, দেখতে শুনতে ভালোই লাগে। কোনো কোনো শিশু তো মা-বাবা বা বাড়ির অন্যরা কীভাবে কথা বলে, তা-ও অনুকরণ করে। তবে বড়দের আচরণ যদি নেতিবাচক হয়, তাহলে শিশু কিন্তু নেতিবাচক আচরণই অনুকরণ করবে। উল্টোটাও হয়, ভালো আচরণ দেখলে অনুকরণও করবে ইতিবাচক।

[৪] একটু গভীরভাবে ভেবে দেখলে বুঝতে পারবেন, শিশুরা যাকে পছন্দ করে, তার আচার-আচরণ অনুসরণ ও অনুকরণ দুটোই করে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শিশুদের গণ্ডি ছোট থাকে। চোখের সামনে যা দেখে অনায়াসে তা আয়ত্ত করে ফেলে। মা-বাবা যদি ঝগড়া করেন, বাড়ির বয়োজ্যেষ্ঠ কাউকে অসম্মান করে কিছু বলেন, সেসবও শিখে ফেলে। এসব আচরণের প্রভাবে শিশুটি আক্রমণাত্মক আচরণও শিখতে পারে। অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ হারিয়ে ফেলে। শিশুদের সামনে কারও সঙ্গে উচ্চ স্বরে কথা বলা, ধূমপান করা, এমনকি তার মায়ের সঙ্গেও কোনো কথা-কাটাকাটি হলে সেটি তার আড়ালেই করা উচিত।

[৫] মা-বাবার আচরণ অনেক সংযত হতে হবে। তাদের স্বভাবের নেতিবাচক দিকগুলো যদি তারা বদলে ফেলতে পারেন, তাহলে সন্তানের সামনে অপ্রস্তুত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। বেশির ভাগ সময় অভিভাবকরাই ভালো-মন্দের তফাৎ বুঝতে পারেন না। সে কারণে সন্তান জন্মের পর নিজের খারাপ অভ্যাসগুলো বদলে ফেলতে হবে খুব সতর্কতার সাথে। কেননা শিশুরা ভালো-মন্দের বিচার করতে পারে না। তাই সতর্ক ও সচেতন হতে হবে মা-বাবাকেই।

[৬] আর যদি কোনো কারণে শিশুর সামনে কোনো বিরূপ আচরণ করে ফেলেন, তাহলে পরে তাকে বুঝিয়ে বলতে হবে যে কাজটি ভুল হয়েছে। আর কখনো এমন হবে না। আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, শিশুর সামনে কোনো অবস্থাতেই মিথ্যা বলবেন না। মিথ্যা বলার অভ্যাসটাই একটা শিশুকে ছোট থেকে ভালো মানুষ অথবা খারাপ মানুষ হিসেবে তৈরি করতে সাহায্য করে । সন্তানের জন্য আদর্শ মা-বাবা হয়ে উঠুন। সম্পাদনা: তারিক আল বান্না

এমটি/টিএবি/এসবি২

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়