শিরোনাম
◈ শীর্ষ ইরানি নেতাদের তথ্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ১০ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার ঘোষণা ◈ জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশের জাহাজকে হরমুজ পারের অনুমতি দেবে ইরান ◈ যুদ্ধের মধ্যেই ট্রাম্পের দাবি: ইরান আত্মসমর্পণের পথে ◈ গ্রিড লাইনে সমস্যায় আশুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিট বন্ধ, ঘাটতি ৫৭০ মেগাওয়াট ◈ ইরানের ৪৪০ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামই যুদ্ধের ফল নির্ধারণ করতে পারে: বিশ্লেষক ◈ ঘটনাবহুল ম্যাচে বাংলাদেশকে হা‌রি‌য়ে  সিরিজ সমতায় পা‌কিস্তান ◈ ইরানের বিরু‌দ্ধে যুদ্ধে নে‌মে কয়েক বছরের সমরাস্ত্র শেষ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ◈ ঈদের তারিখ ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া ◈ ইরানে আজ রাতেই সর্বোচ্চ হামলা হবে: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ◈ ফিফার কা‌ছে তেহরা‌নের আহ্বান, যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বকাপ থেকে সরিয়ে দেয়া হোক 

প্রকাশিত : ০৭ ডিসেম্বর, ২০২২, ০৭:৫৭ বিকাল
আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর, ২০২২, ০৭:৫৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মায়ের চুম্বনই হাকিমির শক্তি!

আশরাফ হাকিমি

এ্যানি আক্তার: গোল করার পরই গ্যালারিতে থাকা মায়ের কাছে ছুটে যান আশরাফ হাকিমি। একটা চুম্বন যে তার পাওনা! কাতার বিশ্বকাপে অসাধারণ এক গল্প লিখে চলেছে মরক্কো। গল্পটা এখনো শেষ হয়নি, তবে এর অন্যতম নায়ক নিঃসন্দেহে আশরাফ হাকিমি। বিশ্বকাপের আগে কে ভেবেছিল, শেষ চারের লড়াইয়ে থাকবে আরব বিশ্বের এই দেশ? কিংবা কে ভেবেছিল, বড় বড় তারকাকে বাদ দিয়ে কাতারের মরুদ্যানে ফুল ফোটাবেন দুরন্ত হাকিমি। গোল ডট কম

চলমান বিশ্বকাপে একটা চোখ জুড়ানো দৃশ্য একাধিকবার দেখে ফেলেছে ফুটবলপ্রেমীরা। প্রতিপক্ষের জালে বল জড়ানোর পর ভো দৌঁড়ে গ্যালারিতে থাকা মায়ের কাছে ছুটে যাচ্ছে হাকিমি, যেমনি একটি শিশু সমস্ত শক্তি একত্র করে তার প্রিয় জিনিসের পানে ছুটে যায়।

মরক্কো দলের প্রাণভোমরা আশরাফ হাকিমিও গোল করার পর মায়ের কাছে ছুটে যান একটা পাওনা বুঝে নেওয়ার জন্য, সেটা হলো চুম্বন। এ যেন মায়ের সঙ্গে তার অলিখিত চুক্তি। এর মাধ্যমে এক অসাধারণ অন্তর্গত শক্তি জমা হয় এই তারকার মনোজগতে। মরক্কোর ম্যাচ ছাপিয়ে মায়ের সঙ্গে তার এমন ছবিগুলো ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অলিগলিতে।

চব্বিশ বছর বয়সী আশরাফ হাকিমির মায়ের নাম সৈয়দা মৌহ। সন্তানকে আজকের অবস্থানে নিয়ে আসার জন্য এই নারীর যে সংগ্রাম, সেটা যেন আক্ষরিক অর্থেই সিনেমার গল্প। হাকিমি নিজেই জানিয়েছেন, আমাদের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার জন্য মা মানুষের বাড়ি পরিষ্কার করে অর্থ উপার্জন করতেন। কারণ আমার হকার বাবার উপার্জিত অর্থে ভাইবোনদের সবার খাবার জোগাড় করা সম্ভব হতো না। সম্পাদনা: খালিদ আহমেদ

এএ/এসবি২

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়