স্পোর্টস ডেস্ক : ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর হাত ধরে আবার এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মূলপর্বে ফিরল আল নাসের। মঙ্গলবার এই যোগ্যতা পেয়েছে তারা। সৌদি আরবের ক্লাবে যোগ দেওয়ার পর গত বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দ্বিতীয় ডিভিশনে খেলতে হয়েছিল রোনালদোকে। এবার ফের এশিয়ার সেরা প্রতিযোগিতায় তিনি। সেখানে আল নাসেরের প্রথম প্রতিপক্ষ আল আইন। এই ক্লাবই ২০২৪ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মূলপর্ব থেকে বিদায় ঘটিয়েছিল আল নাসেরের।
২০২৫-২৬ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মূলপর্বে জায়গা করতে পারেনি রিয়াধের ক্লাব। দ্বিতীয় ডিভিশনে ফাইনালে জারানেপ গাম্বা ওসাকার কাছে হেরেছিল তারা। তবে গত বারই সৌদি প্রো লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আল নাসের। নতুন ক্লাবকে প্রথম ট্রফি জিতিয়েছিলেন রোনালদো। শেষ ম্যাচে দামাকের বিরুদ্ধে ৪-১ গোলে জেতে আল নাসের। জোড়া গোল করেন রোনাল্ডো। এই জয়ের ফলে আল হিলালের থেকে ২ পয়েন্ট বেশি নিয়ে শেষ করে চ্যাম্পিয়ন হয় তারা।
ক্লাবকে চ্যাম্পিয়ন করার পর দায়িত্ব ছাড়েন কোন জর্জে জেসুস। তার পর দু’বছরের চুক্তিতে কোচ করা হয় আঙ্গে পোস্তেকগলৌকে। এর আগে টটেনহ্যাম হটস্পারকে ইউরোপা লিগ জিতিয়েছেন এই কোচ। তাঁর কোচিংয়েই আবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মূলপর্বে ফিরেছে আল নাসের।
২০২৬-২৭ সালের এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দলের সংখ্যা ২৪ থেকে বেড়ে হয়েছে ৩২। পূর্ব ও পশ্চিম দু’টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে ক্লাবগুলিকে। প্রতিটি অঞ্চলে ১৬টি করে ক্লাব রয়েছে। প্রত্যেক ক্লাব লিগ পর্বে আটটি করে ম্যাচ খেলবে। চারটি হোম ও চারটি অ্যাওয়ে। দু’টি অঞ্চল থেকে সেরা আট ক্লাব যাবে শেষ ষোলোতে। সেখান থেকে দু’পর্বের নক আউট খেলে কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনালে উঠবে তারা। ফাইনালে অবশ্য একটিই ম্যাচ। ২০২৭ সালের ১ মে হবে ফাইনাল।
সৌদি প্রো লিগেও ইতিহাস গড়েছেন রোনালদোরা। শেষ ম্যাচে আল খালিজের বিরুদ্ধে ১-১ ড্র করেছে আল নাসের। তারা শেষ ৯৪টি ম্যাচে অন্তত একটি হলেও গোল করেছে। এই রেকর্ড বিশ্বের আর কোনও ক্লাবের নেই। এর আগে এই রেকর্ড ছিল আর্জেন্টিনার রিভার প্লেটের দখলে। ১৯৩৬ থেকে ১৯৩৯ সালের মাঝে টানা ৯৩ ম্যাচে অন্তত একটি হলেও গোল করেছিল তারা। সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন রোনালদোরা।