বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর বিপক্ষে প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোল পায়নি ফ্রান্স। কিলিয়ান এমবাপ্পের পেনাল্টি মিস এবং ইয়াসিন বুনুর দুর্দান্ত গোলকিপিংয়ে গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।
বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল নিয়ে মাঠে নামে দিদিয়ের দেশমের দল। প্রথমার্ধে বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখালেও গোলের দেখা না পাওয়া ফরাসিরা দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মরক্কোর রক্ষণে চাপ বাড়াতে থাকে। অন্যদিকে প্রথম ৪৫ মিনিটে মাত্র একটি শট নেওয়া মরক্কোও সমতায় ফেরার পথ খুঁজতে চেষ্টা চালায়।
শেষ পর্যন্ত ৬০ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় ফ্রান্স। বক্সের কাছাকাছি জায়গা থেকে কিলিয়ান এমবাপ্পে দুর্দান্ত এক শটে বল জালে জড়িয়ে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। এটি চলতি বিশ্বকাপে এমবাপ্পের অষ্টম গোল। এর মাধ্যমে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় তিনি লিওনেল মেসির সমান গোল করেন। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে এটি এমবাপ্পের ২০তম গোল, যা শীর্ষে থাকা মেসির চেয়ে মাত্র একটি কম।
এমবাপ্পের গোলের ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আরও একবার আঘাত হানে ফ্রান্স। মাত্র ছয় মিনিট পর দ্রুতগতির এক আক্রমণে এমবাপ্পের দৌড়ে তৈরি হওয়া ফাঁকা জায়গায় বল পান উসমান দেম্বেলে। সামনে এগিয়ে গিয়ে নিচের কোণ লক্ষ্য করে নিখুঁত শটে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড।
মাত্র ছয় মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় ফ্রান্স। অন্যদিকে দুর্দান্ত এক বিশ্বকাপ অভিযান শেষে মরক্কোর সেমিফাইনালের স্বপ্ন তখন ভাঙার মুখে।
ফ্রান্স একাদশ
মাইনান (গোলরক্ষক), উপামেকানো, সালিবা, দিনিয়ে, কুন্দে, কোনে, র্যাবিও, দুয়ে, উসমান দেম্বেলে, ওলিসে, কিলিয়ান এমবাপে
মরক্কো একাদশ
ইয়াসিন বুনো (গোলররক্ষক), আশরাফ হাকিমি, দিয়োপ, মাজরাউই, বৌয়াদ্দি, এল-আয়নাউই, ওউনাহি, ব্রাহিম দিয়াজ, এল-খাননৌস, তালবি
'