স্পোর্টস ডেস্ক : দুর্দান্ত একটি প্রতিযোগিতা হলো পিএসজি ও বায়ার্ন মিউনিখের মধ্যে। তবে জয় পায়নি কেউই। এই পিএসজি গতবার তো ইন্টার মিলানকে হারিয়ে শিরোপাই জিতেছিল। কোচ এনরিকের শিষ্যদের এবার শিরোপার লড়াই আর্সেনালের বিপক্ষে। আগামী ২০ মে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে। আর্সেনাল সেমিফাইনালে গত মঙ্গলবার বুধনবার অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদকে দুই লেগে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল। পিএসজি বুধবার বায়ার্ন মিউনিখকে হারালো ৬-৫ ব্যবধানে। প্রথম লেগে ৫-৪ ব্যবধানে জেতা দলটি দ্বিতীয় লেগ ড্র করেছে ১-১ গোলে।
প্রথম লেগ শেষে এগিয়ে থাকলেও পিএসজির শঙ্কা তো থাকাই স্বাভাবিক। ম্যাচটি এবার আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায়, আগের লেগে ডাগআউটে বায়ার্ন কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি নিষিদ্ধ ছিলেন, আজ দাঁড়াবেন। প্রতিপক্ষের সমর্থকদের চাপ তো আছেই। কিন্তু প্রথমার্ধটা তাদের পক্ষে চলে যায়। ৩ মিনিটের মাথায়ই ব্যবধান ১-০ করেন আগের লেগে জোড়া গোল করা উসমান ডেম্বেলে। এই গোলের বড় কৃতিত্বের ভাগিদার অবশ্য খাবিচা কাভারেস্কেলিয়া।
জর্জিয়ান তারকা বাঁপ্রান্ত ধরে বল নিয়ে টান দিয়েছিলেন। ডি বক্সের ভেতর ঢুকে বাড়িয়ে দিয়েছিলেন ফাঁকায় থাকা ডেম্বেলের দিকে। ফরাসি তারকা কালবিলম্ব না করে প্রথম ও দ্রুত নেওয়া শটে বল নয়্যারের মাথার ওপর দিয়ে জালে পাঠান।
প্রথমার্ধের বাকি সময়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত বলতে মিকেল অলিসের অল্পের জন্য মিস, নয়্যারের নেভেসের ও পিএসজি গোলরক্ষক সাফোনভের জামাল মুসিয়ালার শট প্রতিহত। দ্বিতীয়ার্ধেও দুদল বেশ কয়েকটি করে গোলের সুযোগ হারায়। ফলে ম্যাচ যাচ্ছিল পিএসজির অনুকূলে শেষ হওয়ার দিকে। মূল ম্যাচ শেষে যোগ করা সময় দেওয়া হয় ৫ মিনিট। সেখান থেকে, মানে ২ গোলে পিছিয়ে থেকে বায়ার্নের ঘুরে দাঁড়ানো রীতিমতো কঠিন ব্যাপারই। তবে চতুর্থ মিনিটে হ্যারি কেন গোল করলে ম্যাচে উত্তেজনা ফিরে আসে।
আলফনসো ডেভিস বক্সের ভেতর কেনকে বল যোগান দিয়েছিলেন। পজিশন নিয়ে করা গোলে কেন বায়ার্নের খানিক আশা ফেরান। আবার যখন খেলা শুরু হয়, তখন ম্যাচের বাকি আর আধা মিনিটের মতো। সেখান থেকে জার্মান ক্লাবটির ফেরা হয়নি। ২০১৯ সালে ষষ্ঠ শিরোপা জেতার পর থেকে তারা আর ফাইনালে উঠতে পারছে না।