স্পোর্টস ডেস্ক : অবশেষে জয়ের মুখ দেখলো আফগানিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে আফগানিস্তানের বিদায় এক প্রকার নিশ্চিত। তবে এখনো ক্ষীণ আশা রয়েছে রশিদ খানের দলের।
সেক্ষেত্রে নিজেদের শেষ দুই ম্যাচে জয়ের পাশাপাশি অন্যদের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে তাদের। সেই লক্ষ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৫ উইকেটে হারিয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখলো আফগানিস্তান। তবে কানাডার বিপক্ষে নিউজিল্যান্ড জিতলে তাদের বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাবে।
দিল্লিতে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬০ রান তোলে আরব আমিরাত। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখে জয় তুলে নিয়েছে আফগানিস্তান। ব্যাটিংয়ে ২১ বলে ৪০ ও বোলিংয়ে ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেওয়া আজমতউল্লাহ ওমরজাই জিতেছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার। --- ডেইলি ক্রিকেট
এদিন টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি আরব আমিরাত। দলীয় ১৩ রানে দুই ওপেনারকে হারিয়ে বিপদে পড়ে তারা। ডাক মেরে ফিরেছেন আরিয়ানশ শর্মা, আরেক ওপেনার মোহাম্মদ ওয়াসিম করেছেন ৬ বলে ১০ রান।
তবে আরব আমিরাতকে লড়াকু সংগ্রহ এনে দেন আলিশান শারাফু ও সোহাইব খান। দুজনের ৮৪ রানের জুটিতে ১৬০ রানের সংগ্রহ পায় দল। ৪৮ বলে ৬৮ রান করেছেন সোহাইব, আলিশানের ব্যাট থেকে এসেছে ৩১ বলে ৪০ রান।
জিয়াউর রহমান ও নুর আহমেদ ব্যতিত সব বোলার করেছেন দারুণ বোলিং। ৪টি উইকেট নিয়েছেন ওমরজাই। ১ উইকেট নিয়ে টি-টোয়েন্টিতে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে সতশো উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন রশিদ।
মাঝারি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ডাক মেরে ফিরেছেন রহমানুল্লাহ গুরবাজ। তবে আরেক ওপেনার ইবরাহিম জাদরান ঠিকই তুলে নিয়েছেন ফিফটি। ৪১ বলে ৬ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় ৫৩ রান করেছেন তিনি।
গুলবাদিন নাইব ও সেদিকুল্লাহ আতাল শুরু ভালো করলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। তাতেই বিপদে পড়েছিল আফগানিস্তান। কিন্তু দারউইস রাসুলি ও ওমরজাই দলকে বিপদে পড়তে দেননি।
দুজনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে স্বস্তির জয় পেয়েছে আফগানিস্তান। ২৩ বলে রাসুলি ৩৩ রান করে ফিরলেও দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন ওমরজাই। ২১ বলে ২ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ৪০ রান করে অপরাজিত ছিলেন তিনি। আরব আমিরাতের হয়ে দুটি করে উইকেট শিকার করেছেন জুনাইদ সিদ্দীকি ও মোহাম্মাদ ইরফান।