বিপিএল শুরুর আগে সবচেয়ে দুর্বল দল ভাবা হচ্ছিল চট্টগ্রাম রয়্যালসকে। তবে বিসিবি মালিকানা পাওয়ার পর বদলে যায় চিত্র। দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে সবার আগে প্লে-অফ নিশ্চিত করে তারা। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে প্লে-অফে রাজশাহীকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রাম।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) আগে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম ১৩৩ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল রাজশাহী। জবাব দিতে নেমে ৩ বল ও ৬ উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নেয় চট্টগ্রাম।
সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে দেখে শুনে এগাচ্ছিলো চট্টগ্রাম। পাওয়ার প্লেতে উইকেট না হারিয়ে ৩১ রান তোলে তারা। দলীয় ৬১ রানে প্রথম উইকেট হারায় দলটি। ৩৮ বলে ৩০ রান করে ফেরেন নাঈম শেখ।
তিনে ব্যাট করতে নেমে ১৪ বলে ২০ রান করে ফেরেন হাসান নাওয়াজ। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করতে থাকেন মির্জা বাগ। ৮ বলে ১১ রান করে আসিফ আলী আউট হলে বাগকে সঙ্গে দেন মাহেদী। তবে ১৯তম ওভারে শেষ বলে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন বাগ। ৪৭ বলে ৪৬ রান করেন তিনি।
শেষ ৬ বলে চট্টগ্রামের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৯ রান। প্রথম বলে সিঙ্গেল নেন আমির জামাল। পরের বলে ছক্কা এবং তৃতীয় বলে দলের জয় নিশ্চিত করেছেন ৯ বলে ১৯ রানে অপরাজিত থাকা শেখ মাহেদী।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মিরপুরের স্লো-উইকেটে শুরুতে দেখে শুনেই এগাচ্ছিলো রাজশাহীর দুই ওপেনার সাহেবজাদা ফারহান ও তানজিদ তামিম। দুজনের ব্যাট থেকে আসে ৩০ রান।
তবে পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ক্যাচ আউট হন ফারহান। ১৯ বলে ২১ রান করেন তিনি। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত। ১১ বলে ৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
পরের বলেই ডাক আউট হন মুশফিকুর রহিম। ১০ বলে ৩ রান করে আকবর আউট হলে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন তামিম। কিন্তু এই ওপেনিং ব্যাটারও ফিফটি তুলতে পারেনি। ৩৭ বলে ৪১ রান করে নাওয়াজের বলে ক্যাচ আউট হন তিনি।
এরপর উইকেট মিছিলে যোগ দেন জেমি নিশাম (৬) ও রায়ান বার্ল (৩)। তবে পিচে এসেই ব্যাট চালাতে থাকেন গাফার সাকলাইন। তবে ১৯তম ওভারে প্রথম বলে কট বিহাইন্ড হন তিনি। ১৫ বলে ৩২ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন তিনি।
এরপর ৮ বলে ১০ রান করে ফেরেন রিপন মন্ডল। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভারে ১৩৩ রান তুলতে পারে রাজশাহী।