স্পোর্টস ডেস্ক : ব্যাট হাতে ৮ বলে ২৮, বোলিংয়ে ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে ২ উইকেট। ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে এমনটাই দুর্দান্ত ছিলেন সিলেট টাইটান্সের মঈন আলী। দিনশেষে তার দলও পেয়েছে স্বস্তির জয়।
আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান তোলে সিলেট। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৬০ রানে থামে ঢাকা। স্বাগতিকরা পায় ২০ রানের জয়।
এদিন টস জিতে সিলেটকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠান মোহাম্মদ মিঠুন। ঢাকা অধিনায়কের লক্ষ্যটা ছিল পরিস্কার, যতটা সম্ভব কম রানে সিলেটকে আটকে দেওয়া। তবে সেই কাজটা তার বোলাররা খুব ভালোভাবে করতে পারেনি। --- ডেইলি ক্রিকেট
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ঢাকাকে ভালো শুরু এনে দেন পারভেজ হোসেন ইমন ও তৌফিক খান তুষার। দুজনের ওপেনিং জুটিতে ৬.২ ওভারে ওঠে ৪৮ রান। তবে একপ্রান্তে ইমন আক্রমণাত্মক থাকলেও তৌফিক ছিলেন বেশ স্লো। ২১ বলে তোফিক ১৭ রান করে ফিরলে ভাঙে প্রথম উইকেট জুটি। আরেক ওপেনার ইমন খেলেছেন ২৪ বলে ৩২ রান করেছেন।
তিনে নামা আরিফুল ইসলামের ব্যাট থেকে এসেছে ২৯ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ৩৮ রান। তবে সিলেট বড় সংগ্রহ পেয়েছে আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও মঈন আলীর কল্যাণে। ২৩ বলে ৩৩ রান করেন ওমরজাই। মঈন খেলেছেন ৮ বলে ২ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ২৮ রানের ক্যামিও। ঢাকার হয়ে ৪ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নিয়েছেন জিয়াউর রহমান।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ঢাকাকে ভালো শুরু এনে দেন রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও আব্দুল্লাহ আল মামুন। দুজনের ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৫.৫ ওভারে ৫৬ রান। ১১ বলে ২৪ রান করা মামুনকে ফিরিয়ে সিলেটকে প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন রুয়েল মিয়া।
তবে ঠিকই ফিফটি তুলে নিয়েছেন গুরবাজ। ৪৪ বলে ৩ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় ৫১ রান করেছেন ডানহাতি এ ব্যাটার। নাসির হোসেন ও শামীম হোসেন পাটোয়ারী ফিরেছেন এক অঙ্কের ঘরেই। ১৪ বলে ১টি করে বাউন্ডারি ও ছক্কায় ২২ রান করেছেন সাইফ হাসান।
শেষের দিকে ঝড় তুলতে পারেননি মোহাম্মদ মিঠুন ও ইমাদ ওয়াসিম। তবে চেষ্টা করেছিলেন সাব্বির রহমান। কিন্তু তার ১৬ বলে অপরাজিত ২৫ রানের ইনিংস শুধু ঢাকার হারের ব্যবধান কমাতে পেরেছে।
সিলেটের হয়ে ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ৩টি উইকেট শিকার করেছেন সালমান ইরশাদ। সমান ওভারে ২০ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন মঈন আলী।