শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা, দক্ষিণ আফ্রিকায় চীন, রাশিয়া ও ইরানের যৌথ নৌ মহড়া ◈ কিশোরগঞ্জে হোটেলের লিফটে বরসহ ১০ জন আটকা, দেয়াল ভেঙে উদ্ধার করেছেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ◈ তেহরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এক রাতেই ২০০-র বেশি বিক্ষোভকারী নিহত ◈ মিত্র হারিয়ে কোণঠাসা খামেনি: ভেনেজুয়েলা থেকে তেহরান—ইরানের শাসন কি শেষ অধ্যায়ে? ◈ নির্বাচনের আগে টার্গেট কিলিংয়ের ছোবল, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ান বিগ ব‌্যাশ, রিশাদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে শীর্ষস্থানে হোবার্ট ◈ যুদ্ধবিমান নিয়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তান আলোচনা, প্রতিক্রিয়ায় যা জানাল ভারত (ভিডিও) ◈ টানা ছয় হার কাটিয়ে জয়ের মুখ দেখল নোয়াখালী এক্সপ্রেস ◈ বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা না চাওয়ায় যা বলল ভারত ◈ তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত

প্রকাশিত : ০৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:৪৭ রাত
আপডেট : ১০ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘মোস্তাফিজের জায়গায় লিটন-সৌম্য হলেও কি একই কাজ করত বিসিসিআই’

ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর চাপের মুখে পড়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে মোস্তাফিজুর রহমানকে। বিষয়টি নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে উত্তেজনা চলছে ক্রিকেটবিশ্বে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল হক মনে করেন, মোস্তাফিজের জায়গায় লিটন দাস কিংবা সৌম্য সরকারের মতো ক্রিকেটার হলে বাদ দিত না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

বর্তমানে এশিয়ার দেশগুলোর ক্রিকেট পরিচালিত হচ্ছে রাজনীতিবিদদের দিয়ে। বাংলাদেশ, ভারত কিংবা পাকিস্তান; সব দেশের ক্রিকেট বোর্ডে এমন কিছু কর্মকর্তা রয়েছেন, যাঁরা কখনো পেশাদার ক্রিকেটার ছিলেন না। স্বাভাবিকভাবেই এই অঞ্চলের ক্রিকেটে রাজনীতির প্রভাব পড়েছে। মোস্তাফিজ সেই নোংরা রাজনীতির শিকার বলে দাবি আশরাফুলের।

টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আশরাফুল বলেন, ‘মোস্তাফিজের পরিবর্তে যদি লিটন দাস বা সৌম্য সরকার হতেন, তাহলে কি তারা (বিসিসিআই) একই কাজ করতেন? তারা করতেন না। এসব সস্তা ধর্মীয় অনুভূতি, যা রাজনীতিবিদরা খেলছেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ দল ভারতে আসবে কি না, সেটা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। ভারতে না গেলে হয়তো বিসিবি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তবে জাতীয় গর্ব আর্থিক ক্ষতির চেয়ে অনেক বড়।’

আইসিসির চেয়ারম্যান ও বিসিসিআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা জয় শাহর কড়া সমালোচনা করে আশরাফুল বলেন, ‘ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান—সর্বত্রই রাজনীতিবিদদের দ্বারা পুরো ক্রিকেট পরিচালিত হয়। একবার ভাবুন তো, জগমোহন ডালমিয়া, আইএস বিন্দ্রা, মাধবরাও সিন্ধিয়া, এনকেপি সালভে এমনকি এন শ্রীনিবাসনের মতো লোকেরা যদি বিসিসিআইয়ের দায়িত্বে থাকতেন, তাহলে কি কখনো এমনটা হতো? এটা কখনো হতো না। কারণ, তাঁরা পরিণত মানুষ ছিলেন। তাঁরা ক্রিকেট ও এর প্রভাব বুঝতেন। কিন্তু বিসিসিআইয়ে এমন কিছু ব্যক্তির হাত আছে, যাঁরা কখনো ব্যাট ধরেননি। জয় শাহর কথা বলা যেতে পারে, যিনি কখনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ক্রিকেট ব্যাট ধরেননি।’

বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সমালোচনা করতেও ছাড়েননি আশরাফুল। তিনি বলেন, ‘আমাদের এখানেও বিষয়টা একই রকম। সরকার এমন লোকদের দ্বারা পরিচালিত হয়, যাঁরা রাজনীতিবিদ নন, এমনকি খেলাধুলায়ও অভিজ্ঞ নন। আমাদের ক্রীড়া উপদেষ্টা (আসিফ নজরুল) একটি বিবৃতি দিয়েছেন যে, বাংলাদেশের ভারতে যাওয়া উচিত নয়। ভেবে দেখুন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট। এটা আইপিএল নয়। আইপিএল একটি ঘরোয়া টুর্নামেন্ট। আপনি তাড়াহুড়ো করে এমন একটা বক্তব্য দিতে পারেন না।’ উৎস: আজকের পত্রিকা

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়