শিরোনাম
◈ সংসদে ১২টি বিল পাস ◈ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইন, ৩ দিন অফলাইনে ক্লাস: শিক্ষামন্ত্রী ◈ যুদ্ধের প্রভাবে টিকে থাকার লড়াইয়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা! ◈ আবাসন খাতে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ চায় রিহ্যাব, এনবিআরের ‘না’ ◈ চাহিদা মেটাতে ১১ কার্গো এলএনজি আমদানি করছে সরকার ◈ গত দুদিনে দুবার দাম বাড়ার পর আজ আবার কমেছে স্বর্ণের দাম! ◈ এডহক ক‌মি‌টির সদস‌্যদের ম‌ধ্যে বণ্টন হলো বিসিবির স্ট্যান্ডিং কমিটি, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ◈ বাংলা‌দেশ-ভারত সম্প‌র্কে অস্ব‌স্তির কারণ হ‌তে পা‌রে আওয়ামী লীগ! ◈ বিদেশি তারকাদের তুলোধোনা, আই‌পিএ‌লে দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সু‌নিল গাভাস্কার ◈ গ্রিনল্যান্ড দখলের ইঙ্গিত ফের দিলেন ট্রাম্প, ন্যাটোকে হুঁশিয়ারি

প্রকাশিত : ১১ জুলাই, ২০২৪, ০৩:৫৯ দুপুর
আপডেট : ০৩ এপ্রিল, ২০২৫, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অর্থকষ্টে গ্রান্ডমাস্টার জিয়ার পরিবার, সহযোগিতা চায় প্রধানমন্ত্রীর

স্পোর্টস ডেস্ক: গত শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় দাবায় রাজিবের বিপক্ষে খেলতে খেলতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান। তার একমাত্র ছেলে ফিদে মাস্টার তাজওয়ার জিয়া তাহসিন, তিনি দাবার ফেডারশনে আসছেন মায়ের হাতধরে।

তবে চেহারায় দেখা যাচ্ছে শোকাচ্ছন্ন। কারণ জিয়ার কোনো বাড়তি আয় ছিল না। জিয়া দাবা খেলা শেখাতেন, কোচিং থেকে যা আসত তা দিয়ে জীবন চালাতেন। কিন্তু জিয়ার মৃত্যুতে অর্থকষ্টে ভুগছে তার পরিবার। প্রধানমন্ত্রীর কাছে চেয়েছেন সহায়তা। 

বুধবার দুপুরে জিয়ার স্ত্রী লাবণ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সহযোগিতা চেয়ে বলেন, উনারা যদি সহযোগিতা করেন ভালো হয়। আমি এখন কী করব। ছেলের পড়াশুনা, তার ক্যারিয়ার, কোনো কূলকিনারা দেখছি না। -ইত্তেফাক

জিয়ার ছেলে তাহসিনের বয়স ১৮, সেন্ট যোসেফে পড়ছে। পড়ালেখার প্রচুর চাপ। তাহসিন একেবারে জিয়ার মতোই। কিন্তু টেনশন কাটছে না লাবণ্যর। ছেলের পড়াশোনা, খেলার ক্যারিয়ার।

জিয়ার স্ত্রী তাসমিন সুলতানা লাবণ্য জিয়াকে ভালোবেসে ম্যাজিস্ট্রেটের চাকরি ছেড়েছিলেন। ২২তম বিসিএস দিয়ে পাশ করেছিলেন তিনি। সবমিলিয়ে তার স্থান ছিল ১৪তম, আর নারীদের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। বিসিএস ক্যাডার হয়েও চাকরি ছেড়ে চলে আসায় লাবণ্যর পরিবার দুই বছর তার সঙ্গে কথা বলেনি।

লাবণ্য বলেন, আমার সঙ্গে বিসিএস দেওয়া অন্যরা এখন জয়েন্ট সেক্রেটারি পোস্ট হোল্ড করছেন। তখন আমার শ্বশুর আমাকে বলছিলেন চট্টগ্রামে যাবে না। আমার পোস্টিং সেখানে। আমি বললাম, জিয়া যাবে না। জিয়া না গেলে আমিও যাব না।

জিয়াকে আমি ভালোবেসে বিয়ে করেছি। জিয়ার সঙ্গে থাকব বলে। যখন আমাকে জিয়া বলছিল তুমি চাকরি ছেড়ে দাও। আমিও সঙ্গে সঙ্গে ছেড়ে দিলাম। আমার কোনো আফসোস নেই। আমার লাইফ আমার ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তা করিনি। জিয়া প্রতিদিন ছয় কিলোমিটার হাঁটত। কোনো সমস্যা দেখিনি।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়