শিরোনাম
◈ ইয়েমেনে হুথিবিরোধী যুদ্ধে ফিরছে আমিরাত, সৌদি আরবের সঙ্গে নতুন সামরিক সহযোগিতা ◈ ৭৬ মি‌নিট পর্যন্ত ১ গো‌লে পি‌ছি‌য়ে থে‌কে ৩-১ এ জিত‌লো পিএস‌জি ◈ দিয়াসের হ্যাটট্রিক, লাইপজিগকে ৬-১ গো‌লে হারা‌লো বায়ার্ন মিউনি‌খ ◈ চীনের প্রভাবের মধ্যে বাংলাদেশের প্রথম অর্থনৈতিক চুক্তি এগিয়ে নিতে চায় জাপান! ◈ লালমনিরহাট সীমান্ত দিয়ে ১২ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ ◈ রিয়াল বে‌তিস‌কে ৫-২ গোলে হারা‌লো বার্সেলোনা ◈ নেত্রকোনায় সাংবাদিক আলিফ হত্যায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার ১, যেসব ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ মিলেছে ◈ ইয়েমেনে নতুন করে সংঘাত, হুথিদের সঙ্গে লড়াইয়ে ৮ সেনাসহ নিহত ১১ ◈ টেস্ট টো‌য়ে‌ন্টি না‌মে নতুন ফরম‌্যাট আস‌ছে ক্রিকেটে, একই দলে খেলবেন ছেলে-মেয়েরা ◈ কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ও আহত বেশ কয়েকজন

প্রকাশিত : ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৯ দুপুর
আপডেট : ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পিস্তল হাতে ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযান, যা বললেন রাশেদ খাঁন

গতকাল মাদকের বিরুদ্ধে পিস্তাল হাতে নিয়ে নিজের সংসদীয় এলাকায় অভিযান চালিয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। এ বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সামালোচনার ঝড় ওঠে। বিষয়টি নিয়ে নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। 

রাশেদ খাঁন লিখেছেন, ইশরাক হোসেন একজন তরুণ উদীয়মান নেতৃত্ব। তিনি রাজপথে সংগ্রাম করে সারা দেশের নেতাকর্মীদের মন জয় করার মাধ্যমে প্রতিমন্ত্রীর আসনে বসেছেন। একজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে তিনি বাংলাদেশকে মনেপ্রাণে ধারণ করেন। তাকে আমি সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রবল উদ্দীপনা নিয়ে প্রতিবাদ করতে দেখেছি। আজকে মাদকবিরোধী অভিযানে তার জোরালো অবস্থান অবশ্যই প্রশংসনীয়। তবে মাদকসেবীদের আক্রমণের আশঙ্কার হাত থেকে আত্মরক্ষার জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত পিস্তল বের করা নিয়ে অনেকে সমালোচনা করছে। আশা করি, এই সমালোচনাকেও ইশরাক ভাই সাধুবাদ জানাবেন এবং ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে শুধরে নেবেন, ইনশাআল্লাহ।

তিনি লেখেন, তবে বাস্তবতা হলো, মাদকসেবীরা জনপ্রতিনিধি, পুলিশ, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের চেনে না, অনেক সময় মাদকের ঘোরে যেকোনও অঘটন ঘটিয়ে ফেলতে পারে। নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে, মাসখানেক আগে গাজীপুরে মাদক কারবারিরা পাথর ছুঁড়ে পুলিশকে আক্রমণ করে আসামি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। আমি মনে করি, আরও সচেতন থেকে একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনতাকে সাথে নিয়ে ইশরাক হোসেন ভাইয়ের আসনে মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতামূলক উদ্যোগ অবশ্যই জনগণের কাছে প্রশংসনীয় হবে।

তিনি আরও লেখেন, তবে আজকের সমালোচনার বিষয়টুকু নিয়ে ইশরাক হোসেন ভাই স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি পুলিশকে খবর দিয়ে মাদকসেবীদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করেছেন এবং মাদকসেবীরা যেন পালিয়ে যেতে না পারে সে জন্য তিনি তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। মাদক যেভাবে দেশে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে এবং ১৬ বছর ধরে পুলিশ-প্রশাসনের মধ্যে ঘাঁপটি মেরে থাকা ভূতদের অভিযান পরিচালনায় যেভাবে দুর্বলতা পরিলক্ষিত হচ্ছে, তখন জনগণের কাছে মাদকের বিরুদ্ধে জনতার প্রতিরোধের বিকল্প খুঁজে পাওয়া মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে! তবুও একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে, তিনি ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থেকে জনদাবি আদায়ে কাজ করবেন বলে আমার ধারণা। 

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন