মনিরুল ইসলাম : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা ৮ আসনের দলটির মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, কুৎসা রটিয়ে, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে এবং ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট নেওয়া যায় না।
তিনি বলেন, কিছু দল নিশ্চিতভাবে ধরে নিয়েছে তারা পাশ করে যাবে। জনগণ জানতে চায় তারা এই শক্তি কোথায় পায়?
রোববার রাজধানীর খিলগাঁও বাজারে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। বিকালে আউটার সার্কুলার রোড, রাজারবাগ গ্লোব নিবাস এবং নাভানা বিল্ডিংয়ের পাশে উঠান বৈঠক করেন। রাতে তিনি পিডব্লিউডি (পলওয়েল মার্কেটের পিছনে) স্টাফ কোয়ার্টারের ভিতরে গণসংযোগ করেন, পরে মিলন মেলায় অংশগ্রহন নেন।
নির্বাচনের পরিবেশ কেমন মনে করেন এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা আব্বাস বলেন, পরিবেশ ভালো না। কারণ, আচরণ বিধিতে উল্লেখ আছে কারও বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক বা উস্কানিমূলক কথা বলা যাবে না। কিন্তু আমার এখানে হচ্ছে। এবং টার্গেট কিন্তু আমি। আর কাউকে টার্গেট করছে না। যারা মিথ্যাচার করছেন ইহকাল ও পরকালে তাদের জবাব দিতে হবে।
তিনি বলেন, ইসির দায়িত্ব হচ্ছে এসব বিষয়গুলোর দিকে নজর দেওয়া। নির্বাচন কমিশন পক্ষপাত অবলম্বন করছেন অভিযোগ করে আব্বাস বলেন, তা না হলে এত অপবাদ ও মিথ্যাচার করার পরও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না কেন! অভিযোগও জানানো হয়েছে। কোনো কর্ণপাত নেই।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার এলাকার ২ লক্ষ ৮০ হাজার ভোটের মধ্যে অর্ধেক ভোটারই নেই। কিংবা অর্ধেক ভোটার পাওয়া যাচ্ছে না। এই ভোটারগুলো কারা? যদি এসব ভোটার না পাওয়া যায় তাহলে নির্বাচন কমিশনকে বলবো এসব ভোটার বাতিল করার জন্য। তা না হলে সত্যিকারের রেজাল্ট আসবে না।
মির্জা আব্বাস বলেন, কর্মজীবী মহিলা সম্পর্কে স্বাধীনতা বিরোধী একটি দলের শীর্ষনেতা যে অশ্লীল ও নোংরা মন্তব্য করেছেন তা আমি মুখে আনতে চাই না। আমাদের ধর্মে কোথাও লেখা নেই যে, নারীরা কর্ম করতে পারবে না। বরং নারীদের সমঅধিকার দেওয়া হয়েছে। আমি এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। পাশাপাশি নারী সমাজকে এ সকল দলের প্রতি নজর রাখার আহবান জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, গণমাধ্যম আমাদের বিরুদ্ধেও অনেক সময় অনেক কিছু লেখেছে। কিছু বলিনি। কারণ, আমরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। একটি অর্বাচীন বালক গণমাধ্যমকে অ্যাটাক করে যে ভাষায় কথা বলছেন তা পক্ষান্তরে গণমাধ্যমকে হুমকি দিচ্ছেন। এরজন্য ৭১-এর যুদ্ধ হয়নি, এরজন্য ২৪ সংগঠিত হয়নি।