শিরোনাম
◈ মি‌ডিয়ার বিরু‌দ্ধে এমন সিদ্ধান্ত কে‌নো? বিসিবির কোন নিরাপত্তা ব্যাহত হয়েছে, জানতে চান সাংবাদিকেরা  ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নির্বাচনের ৩ দিন আগে শুল্ক চুক্তি করবে অন্তর্বর্তী সরকার ◈ রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে মায়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ড ◈ কুখ্যাত এপস্টেইন নথিতে বাংলাদেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ◈ নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা কেন শঙ্কিত? ◈ জানুয়ারিতে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড, এলো ৩.১৭ বিলিয়ন ডলার ◈ কুৎসা রটিয়ে, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে এবং ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট নেওয়া যায় না : মির্জা আব্বাস  ◈ প্রতারক চক্রের ফোনকলে সাড়া না দিতে নির্বাচন কমিশনের আহ্বান ◈ কিশোরগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে দালালচক্রের বিরুদ্ধে র‍্যাবের অভিযান, ২০ জনের কারাদণ্ড ◈ নোয়াখালীতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর

প্রকাশিত : ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৮:০৯ রাত
আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আল জাজিরা প্রতিবেদন

নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা কেন শঙ্কিত?

সুকুমার প্রামাণিক। বসবাস ঢাকা থেকে ২৫০ কিলোমিটার (১৫৫ মাইল) দূরে রাজশাহী শহরে। পেশায় একজন শিক্ষক। দেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন রাজনীতিতে তার আস্থার শেষ পরীক্ষা বলে মনে করেন তিনি।

বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে দেশজুড়ে সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক সহিংসতা বৃদ্ধির নজির রয়েছে। আর এই রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ও সামাজিক উত্তেজনায় প্রায়শই সবেচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেখা যায় ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের।
চব্বিশের আগস্টে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা নিজেদের অবরুদ্ধ মনে করছেন। তাদের সম্পত্তির ওপর হামলা, হত্যাকাণ্ড ও অগ্নিসংযোগের খবর রয়েছে। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার বারবার জোর দিয়ে বলেছেন, অধিকাংশ ঘটনায় রাজনৈতিক, ধর্মীয় বিদ্বেষপ্রসূত নয়।

এই প্রেক্ষাপটে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে ঘিরে শঙ্কা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলোকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রামাণিক বলেন, প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, ভোটের আগে এবং পরে আমরা নিরাপদ থাকব। কিন্তু এই মুহূর্তে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে রাজনীতিকদের ওপর আস্থার পরিমাণ অত্যন্ত কম।

২০২৪ সালের আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানের ফলে হাসিনার পতনের পর, দেশের বেশ কিছু এলাকায় উত্তেজিত জনতা হিন্দু সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করে। এই হিন্দু সম্প্রদায়ের বহু সদস্য বিগত দিনে ঐতিহাসিকভাবে আওয়ামী লীগকে ভোট দিতেন। দলটি নিজেকে ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ হিসেবে দাবি করার চেষ্টা করেছে। যদিও সমালোচকদের অভিযোগ, ক্ষমতায় থাকাকালীন দলটি সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে এবং তাদের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করেছে।

প্রামাণিক জানান, তার গ্রামেরই একদল বিশৃঙ্খল জনতা রাজশাহীর বিদ্যাপুর এলাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চালায়। যেখানে তারা তাকে মারধর করে এবং তার হাত ভেঙে দেয়। এজন্য তার অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয় এবং তাকে বেশ কয়েক দিন হাসপাতালে কাটাতে হয়। তিনি বলেন, আমি এই বিশ্বাস নিয়ে ওই ভিড়ের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম যে, তারা আমাকে চেনে এবং আমার ওপর হামলা করবে না। তারা আমার হাত ভেঙে দিয়েছে। তবে তার চেয়েও বড় কথা, তারা আমার হৃদয় এবং আমার বিশ্বাস ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। এর আগে আমি কখনো এমন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হইনি।

‘সুবিচার নেই’
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশে হিন্দুরা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮ শতাংশ। আর খৃষ্টান, বৌদ্ধ এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের সংখ্যা এর চেয়েও অনেক কম।

বিশেষজ্ঞ এবং সংখ্যালঘু নেতাদের মতে, বাংলাদেশের ইতিহাসজুড়ে রাজনৈতিক কুশীলব এবং তাদের সমর্থকরা মাঝেমধ্যে ভোটারদের ভয় দেখাতে বা স্থানীয় বিরোধ মেটাতে ধর্মীয় পরিচয়কে ব্যবহার করেছেন। ফলে সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি, উপাসনালয় এবং ব্যক্তিরা হামলা শিকার হয়েছে।
বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃস্টান ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সহ-সম্পাদক মনিন্দ্র কুমার নাথ বলেছেন, আওমী লীগের আশলসহ আপনি যদি অতীতের নির্বাচনগুলোর দিকে তাকান- কখনই সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন ও নির্যাতন সত্যিকার অর্থে থেমে থাকেনি। এটি নির্বাচনের আগেও হয়েছে, পরেও হয়েছে। তবে এই পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার কারণ হলো সেসব ঘটনার সঠিক কোনো বিচার হয়নি।

২০০১ সালের নির্বাচনে যখন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং তার দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ক্ষমতায় আসে, তখন হিন্দুদের ওপর যে হামলা হয়েছে, তারও বিচার হয়নি। এমনকি পরের বছরগুলোতে হিন্দুদের ওপর হওয়া হামলাগুলোর ক্ষেত্রেও বিচারহীন রাখা হয়েছে।

এখন, নির্বাচনের আগে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ঘটা বিক্ষিপ্ত হামলাগুলো সেই পুরোনো আতঙ্ককে আবারও পুনরুজ্জীবিত করেছে। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃস্টান ঐক্য পরিষদের তথ্যমতে, ২০২৫ সালে অন্তত ৫২২টি সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা নথিবদ্ধ করা হয়েছে। যার মধ্যে ৬১টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা রয়েছে। সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, ২০২৪ সালের আগস্টে হাসিনার পতনের পর থেকে ওই বছর মোট ২১৮৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। 

নাথ বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে সংখ্যালঘুরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছে। এই শঙ্কা এখানের সবার মধ্যেই কাজ করছে।

বাংলাদেশ সরকার সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ব্যাপক অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে কর্তৃপক্ষ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৬৪৫টি ঘটনার হিসাব নথিবদ্ধ করেছে। সরকার বলছে, এর মধ্যে মাত্র ৭১টি ঘটনার পেছনে ‘সাম্প্রদায়িক কারণ’ ছিল। বাকিগুলোকে সাধারণ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের যুক্তি হলো, এই পরিসংখ্যানগুলো এটাই দেখায়, সংখ্যালঘুদের সঙ্গে জড়িত অধিকাংশ ঘটনাই ধর্মীয় বিদ্বেষপ্রসূত ছিল না। সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে সাধারণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিজনিত অপরাধ থেকে আলাদাভাবে দেখার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সরকার।

জাতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশ দীর্ঘস্থায়ী আইনশৃঙ্খলাজনিত চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি বছর গড়ে ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ মানুষ সহিংসতায় প্রাণ হারান। সরকার আরও ইঙ্গিত দিয়েছে যে, হাসিনার পতনের পর থেকে এই বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে, বিশেষ করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এবং কর্মকর্তাদের দ্বারা রাজনৈতিক রূপ দেয়া হয়েছে। তবে মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো ভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র ২০২৫ সালে ২২১টি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা নথিবদ্ধ করেছে, যার মধ্যে ১ জন নিহত এবং ১৭ জন আহত হওয়ার খবর রয়েছে। যা ঐক্য পরিষদের হিসাবের চেয়ে কম হলেও সরকারি তথ্যের চেয়ে বেশি।

‘আর কোনো মানসিক আঘাত নয়’
রাজশাহীর বিদ্যাধরপুরের গৃহিনী শেফালী সরকার চব্বিশের ৫ আগস্ট বিকেলে তার জীবনকে ওলটপালট হতে দেখেন। সেই দিনটি, যেদিন হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন।
তখন হামলার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হিন্দু সম্প্রদায়ের অধিকাংশ পুরুষ বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। তখন নারীরা বাড়িতেই থাকেন। হাসিনার পতনের পর বিশৃঙ্খল জনতা মূলত পুরুষদেরই লক্ষ্যবস্তু করে। 

সেসব দিনের কথা মনে করে আতঙ্কিত বোধ করেন শেফালী। বলেন, তারা আমাদের বাড়িঘর ভাঙচুর করতে শুরু করে। আমি ভেবেছিলাম এটাই শেষ। আমরা বোধহয় মারা যাচ্ছি। এটি আমার মনে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করেছে এবং এরপর থেকে আমার মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসার প্রয়োজন হয়েছে। 

নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় সেই উদ্বেগ আবার ফিরে এসেছে বলে জানান শেফালী। নতুন কোনো অস্থিরতা তার সম্প্রদায়কে আবারও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে পারে বলে ভয় পাচ্ছেন তিনি। শেফালী বলেন, আমি আর কোনো মানসিক ট্রমার মধ্য দিয়ে যেতে পারব না।

তার স্বামী নারায়ণ সরকার জানান, ওই হামলার পর থেকে এলাকাটি শান্ত রয়েছে এবং স্থানীয় মুসলিম বাসিন্দা ও রাজনৈতিক নেতারা তাদের নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু ভয় সবসময় থেকেই যায়। তার ধারণা যেকোনো সময় তাদের শান্তি বিনষ্ট হতে পারে।

‘অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়তে পারে’
অবশ্য সবাই সমানভাবে উদ্বিগ্ন নন। বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ফরিদপুর জেলার স্থানীয় দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটির সম্পাদক শ্যামল কর্মকার বলেন, আমরা এখানে ঐতিহ্যগতভাবেই বছরের পর বছর ধরে শক্তিশালী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখেছি। গণ-অভ্যুত্থানের সময় অনেক এলাকায় হামলার খবর পাওয়া গেলেও আমাদের এলাকায় তেমন কিছু ঘটেনি। তিনি আরও যোগ করেন, রাজনৈতিক নেতারা সক্রিয়ভাবে সংখ্যালঘুদের ভোট চেয়েছেন এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা ভোট দেব এবং একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আশা করছি।

প্রকৃতপক্ষে, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার কথা বলেছেন। যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায় নিরাপদ বোধ করবে। অন্যদিকে, নির্বাচনে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী এই প্রথমবার তাদের দল থেকে খুলনার একটি আসনে একজন হিন্দু প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে।

তা সত্ত্বেও, গোপালগঞ্জে নির্বাচনী সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ অনেক বেশি। জেলার একটি হিন্দু-প্রধান নির্বাচনী এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ প্রামাণিক বলেন, তিনি ভীত যে, এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়তে পারে।
ঐক্য পরিষদের নেতা মনীন্দ্র কুমার নাথ বলেন, সংখ্যালঘুদের উদ্বেগ নিরসনে সরকার ও নির্বাচন কমিশন আরও অনেক কিছু করতে পারত। তিনি বলেন, এমনকি এখন নির্বাচন কমিশন কাজ করলেও তারা একবারও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জিজ্ঞাসা করেনি যে তারা কী ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে বা তাদের কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন।

তবে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম আল জাজিরাকে বলেন, কর্তৃপক্ষ সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় এবং একটি নিরাপদ নির্বাচন নিশ্চিত করতে যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছি যাতে সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগুরু, সকল ধর্ম ও পরিচয়ের মানুষ একটি উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারে। শেখ হাসিনার অধীনে গত ১৫ বছর তারা অবাধে ভোট দিতে পারেনি, কারণ নির্বাচনগুলো কারচুপিতে ভরা ছিল। তিনি আরও যোগ করেন, আমাদের অগ্রাধিকার হলো এবার যেন সবাই ভোট দিতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে আলোচনা করেছে এবং তাদের উদ্বেগের বিষয়টি সমাধান করেছে।
রাজশাহীর বিদ্যাধরপুর গ্রামে সুকুমার প্রামাণিক জানান, তিনি এই আশ্বাসগুলো খুব সাবধানে বিবেচনা করছেন। তিনি বলেন, যদি আমরা আবারও হামলার শিকার হই, তবে এটাই হবে তাদের ওপর আমার আস্থা রাখার শেষ সুযোগ। অনুবাদ: মানবজমিন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়