শিরোনাম
◈ মি‌ডিয়ার বিরু‌দ্ধে এমন সিদ্ধান্ত কে‌নো? বিসিবির কোন নিরাপত্তা ব্যাহত হয়েছে, জানতে চান সাংবাদিকেরা  ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নির্বাচনের ৩ দিন আগে শুল্ক চুক্তি করবে অন্তর্বর্তী সরকার ◈ রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে মায়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ড ◈ কুখ্যাত এপস্টেইন নথিতে বাংলাদেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ◈ নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা কেন শঙ্কিত? ◈ জানুয়ারিতে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড, এলো ৩.১৭ বিলিয়ন ডলার ◈ কুৎসা রটিয়ে, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে এবং ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট নেওয়া যায় না : মির্জা আব্বাস  ◈ প্রতারক চক্রের ফোনকলে সাড়া না দিতে নির্বাচন কমিশনের আহ্বান ◈ কিশোরগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে দালালচক্রের বিরুদ্ধে র‍্যাবের অভিযান, ২০ জনের কারাদণ্ড ◈ নোয়াখালীতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর

প্রকাশিত : ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৮:২১ রাত
আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুখ্যাত এপস্টেইন নথিতে বাংলাদেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠান

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রকাশিত বহুল আলোচিত এপস্টেইন ফাইলে পাওয়া একটি ই-মেইলে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআরবির নাম উঠে এসেছে। ই-মেইলটিতে আইসিডিডিআরবিকে বাংলাদেশে একটি ‘অতি সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং সেখানে দীর্ঘমেয়াদি প্রোবায়োটিক গবেষণায় বিনিয়োগের একটি প্রস্তাবের কথা বলা হয়েছে।

প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, ই-মেইলটির বিষয় ছিল ‘আন্ত্রিক জীবাণুবিদ্যা-আইসিডিডিআরবি’। ই-মেইলটি কুখ্যাত মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টেইনকে তাঁর এক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর পক্ষ থেকে পাঠানো হয় ১৭ এপ্রিল ২০১৪ সালে। ই-মেইলে প্রস্তাব করা হয়, বাংলাদেশে আইসিডিডিআরবিকে কেন্দ্র করে একটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে গবেষণা উদ্যোগ গড়ে তোলা যেতে পারে, যেখানে তুলনামূলক কম বিনিয়োগে ভবিষ্যতে উৎপাদিত যেকোনো প্রোবায়োটিক বা সংশ্লিষ্ট পণ্যের মুনাফা থেকে ৩ শতাংশ নিশ্চিত লাভ পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

ই-মেইলে আরও বলা হয়, আইসিডিডিআরবি একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মর্যাদাপ্রাপ্ত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ৫০১(সি)(৩) কাঠামোর আওতায় এ ধরনের বিনিয়োগ করছাড়ের সুবিধাও পেতে পারে। প্রস্তাবদাতা এটিকে ‘১০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং এমন একটি অংশীদারত্বকে ‘বড় সাফল্য’ হিসেবে আখ্যা দেন।

এপস্টেইনসংক্রান্ত নথিতে পরে পাওয়া যায় ১৪ জুলাই ২০১৫ তারিখের একটি ‘আইমেসেজ’ কথোপকথন, যা এপস্টেইনের নিজস্ব যোগাযোগ বৃত্তের মধ্যেই হয়েছিল। সেখানে এক অজ্ঞাতনামা সহযোগী এপস্টেইনকে প্রশ্ন করেন, ‘বাংলাদেশে তুমি কী চেষ্টা করেছিলে? আমার মনে নেই।’ জবাবে এপস্টেইন লেখেন, ‘আমি একবার চেষ্টা করেছিলাম, মনে আছে—বাংলাদেশে সাহায্য করার জন্য, কলেরা ইত্যাদি নিয়ে। পরে কোটি টাকা জড়াল, কিন্তু ফলাফল ছিল ভয়াবহ—সবই খারাপ।’

এই বার্তাগুলো থেকে ধারণা করা হচ্ছে, বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বা জনস্বাস্থ্যভিত্তিক কোনো উদ্যোগে এপস্টেইন বা তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল যুক্ত থাকার চেষ্টা করেছিল, যদিও তার ফলাফল নিয়ে নেতিবাচক অভিজ্ঞতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

এ ছাড়া এপস্টেইন ফাইলে অন্তর্ভুক্ত আরেকটি ই-মেইলে দেখা যায়, ২০১০ সালের ৪ জানুয়ারি এপস্টেইনের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী বাংলাদেশ ও ভারতে ভ্রমণ করেছিলেন। যদিও ওই সফরের নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা কার্যক্রম সম্পর্কে নথিতে বিস্তারিত উল্লেখ নেই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইসিডিডিআরবির মতো একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নাম এপস্টেইনসংক্রান্ত নথিতে উঠে আসা সংবেদনশীল ও বিব্রতকর। তবে একই সঙ্গে তাঁরা মনে করছেন, এটি মূলত ব্যক্তিগত বা তৃতীয় পক্ষের প্রস্তাব ও যোগাযোগ, যার সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থান বা কার্যক্রমের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত নয়। উৎস: আজকের পত্রিকা।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়