শিরোনাম
◈ আগামী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড নিশ্চিত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী ◈ ‘উগ্রবাদীদের শিক্ষা দিতে’ কুরবানিতে গরু না দেওয়ার আহ্বান মাওলানা মোহাম্মদ জাফর পাশার (ভিডিও) ◈ অবশেষে কাটলো সম্প্রচার জট, ভারতে দেখা যাবে ফুটবল বিশ্বকাপ ◈ দেশের ভাগ্য পরিবর্তনে ৪০ কোটি হাতকে এক হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশে নারী-শিশু নির্যাতন বেড়েছে, বিচারহীনতা বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ চায় ইউনিসেফ ◈ কলকাতায় বাংলাদেশি তারকাদের কাজে আপত্তি টলিউডের টেকনিশিয়ানদের, যা বললেন রুদ্রনীল ◈ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড পদত্যাগ করলেন ◈ দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আজ থেকে ছুটি শুরু ◈ গ্রিন কার্ডে নতুন কড়াকড়ি: যুক্তরাষ্ট্রে বসে আর নয়, বিদেশিদের দেশে ফিরে আবেদন বাধ্যতামূলক! ◈ চার নতুন নিয়ম আস‌ছে বিশ্বকাপে, ম্যাচের চেহারা বদ‌লে যা‌বে!

প্রকাশিত : ০২ এপ্রিল, ২০২৪, ০৮:২৩ রাত
আপডেট : ০২ এপ্রিল, ২০২৪, ০৮:২৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সীমান্তে বাংলাদেশিদের ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ড ভারতের আগ্রাসী চরিত্রের বহিপ্রকাশ: সাইফুল হক

রিয়াদ হাসান: [২] বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সীমান্তের পর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এখন  বিশ্বের ভয়ংকর এক সীমান্ত। সীমান্ত অঞ্চলের মানুষ গুরুতর নিরাপত্তাহীনতায় দিন পার করছে। ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী-বিএসএফ সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার না করার ঘোষণা তারা রাখেনি। প্রায় প্রতি সপ্তাহে তারা বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা করছে। বিএসএফ তথা ভারত বাস্তবে বাংলাদেশের সাথে ধারাবাহিকভাবে প্রতারণা করে আসছে। ভারতের এসব তৎপরতা কোন সৎ প্রতিবেশীর পরিচয় নয়; বরং তাদের বাংলাদেশ বিরোধী আগ্রাসী চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ।

[৩] মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সংহতি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন এসব কথা বলেন তিনি।

[৪] সাইফুল হক বলেন, বিএসএফ প্রধান ঢাকা থেকে ভারত ফিরে যাওয়ার পরপরই  মাত্র এক সপ্তাহেই নওগাঁ ও লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফ এর হাতে তিন বাংলাদেশি যুবক প্রাণ হারিয়েছেন। কেবল ২০২৩ সালে বিএসএফ হাতে ৩০ জনের বেশী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আর গত সাত বছরে বিএসএফ এর গুলি ও অত্যাচারে প্রাণ হারিয়েছেন দুই শতাধিক বাংলাদেশি নাগরিক, আহত হয়েছেন অনেকে। 

[৫] তিনি বলেন, ভারতের উপেক্ষা ও অবহেলার কারণে এখনও পর্যন্ত তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানিপ্রবাহে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা পাওয়া যায়নি। বাণিজ্যিক ভারসাম্য এখনও বাংলাদেশের প্রতিকূলে। বস্তুতঃ বাংলাদেশ ভারতকে ট্রানজিট সুবিধাসহ তাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যাদির সমাধান করে দিলেও কাঁটাতারের বেড়ায় ফেলানির লাশের মত বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাসমূহ তারা ঝুলিয়ে রেখেছে। 

[৬] সাইফুল হক আরও বলেন, বাংলাদেশের সরকারসমূহের ভারত তোষণ নীতি, বিশেষ করে গত পনের বছর আওয়ামী লীগ সরকারের ভারত অনুগত পররাষ্ট্র নীতির কারনে  সীমান্ত হত্যা বন্ধ, পানির ন্যায্য অংশীদারিত্ব,বাণিজ্যিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠাসহ ভারতে বাংলাদেশ বিরোধী বহুমুখী অপতৎপরতা বন্ধ করানো যায়নি। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকার যখন প্রায় প্রতিদিন ঘোষণা করছে যে, বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্ব এখন সর্বোচ্চ শিখরে তখন প্রায় প্রতি সপ্তাহে সীমান্তে বাংলাদেশের মানুষের রক্তে এই বন্ধুত্বের নির্মম দায় শোধ করতে হচ্ছে। আমরা এসব তৎপরতা অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানাই।

[৭] সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খান, মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সদস্য  সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, জোনায়েদ হোসেন, শাহাদাৎ হোসেন শান্ত প্রমুখ। সম্পাদনা: কামরুজ্জামান

এসবি২

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়