শিরোনাম
◈ সংবিধানে বড় রদবদলের পথে সরকার, আজ বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক ◈ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ◈ খোলাবাজার থেকে ব্যাংক—সবখানেই বাড়ছে ডলারের দাম ◈ আম-কাঁঠাল থেকে কোটি টাকার সম্ভাবনা: ফুড প্রসেসিংয়ে বদলে যাচ্ছে কৃষির চিত্র, বাড়ছে উদ্যোক্তা ও রপ্তানির সম্ভাবনা ◈ ব্যানার বিতর্কে বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষ, তিন ঘণ্টা উত্তপ্ত ক্যাম্পাস (ভিডিও) ◈ দেশে নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ◈ চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত ৩ উপজেলা সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশিদের নতুন সতর্কবার্তা দিল মার্কিন দূতাবাস ◈ ‘অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে’ ◈ সম্পত্তি দান করলেও জীবদ্দশায় ভোগদখলের অধিকার থাকবে, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

প্রকাশিত : ২৩ মে, ২০২৬, ০৬:৩৮ বিকাল
আপডেট : ০৩ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘উগ্রবাদীদের শিক্ষা দিতে’ কুরবানিতে গরু না দেওয়ার আহ্বান মাওলানা মোহাম্মদ জাফর পাশার (ভিডিও)

সিয়াসাত: ভারতে কুরবানি ঈদকে ঘিরে গরু ও মহিষ কুরবানি নিয়ে উত্তেজনার মধ্যে নতুন এক বিতর্কিত বক্তব্য দিয়েছেন হায়দরাবাদের প্রখ্যাত ইসলামিক স্কলার মাওলানা মোহাম্মদ জাফর পাশা। তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমদের উদাহরণ টেনে দাবি করেছেন, উগ্রবাদীদের জবাব দিতে কৌশলগতভাবে গরু ও মহিষ কুরবানি থেকে বিরত থাকা উচিত।

জাফর পাশা বলেন, ‘মুসলিমদের পশ্চিমবঙ্গ থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। যদি এক বছরের জন্য গরু ও মহিষ কেনা বন্ধ রাখা হয়, তাহলে যারা এসব প্রাণীর কুরবানির বিরোধিতা করে তারা বড় ধরনের শিক্ষা পাবে। মুসলিমদের তাদের শিক্ষা দেওয়া উচিত।’

তিনি অভিযোগ করেন, হায়দরাবাদে যেসব মুসলিম গরু ও মহিষ কিনছেন, তাদের বিভিন্নভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে। এমনকি গোরক্ষকদের বিরুদ্ধে কুরবানির পশু ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।

মাওলানা জাফর পাশার ভাষ্য, ‘রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যদি কঠোর ব্যবস্থা নেন, তাহলে কেউ মুসলিমদের কাছ থেকে কুরবানির পশু ছিনিয়ে নেওয়ার সাহস পাবে না।’ 

তিনি আরও বলেন, রাজ্যে বসানো বিভিন্ন চেকপয়েন্ট দ্রুত প্রত্যাহার করা উচিত। তার মতে, প্রশাসন একদিকে মুসলিমদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছে, অন্যদিকে গোরক্ষকদের বাড়াবাড়ি করতে সুযোগ দিচ্ছে।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসা হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার অনুমতি ছাড়া গরু ও মহিষ জবাইয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। অনেকের ধারণা, ঈদের আগে মুসলিমদের গরু কুরবানি সীমিত করতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে এ পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের বহু মুসলিম সংঘাত এড়িয়ে বিকল্প পথে হাঁটছেন। তারা গরু ও মহিষের পরিবর্তে ছাগলসহ অন্যান্য হালাল পশু কুরবানির দিকে ঝুঁকছেন।

এর প্রভাব পড়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ওপরও। বিশেষ করে যেসব খামারি ও ব্যবসায়ী ঈদের সময় মুসলিমদের কাছে গরু বিক্রির ওপর নির্ভর করতেন, তাদের বড় অংশই এখন আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, এসব ব্যবসায়ীর অনেকেই হিন্দু ধর্মাবলম্বী।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়