শিরোনাম
◈ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে অচলাবস্থা, বাংলাদেশে আসছে আইসিসির প্রতিনিধি দল ◈ সেতু থেকে ১৬ মাসের সন্তানকে ফেলে দিয়ে থানায় মায়ের আত্মসমর্পণ ◈ কঠোর হুঁশিয়ারি ভারতের সেনাপ্রধানের, নিচ্ছে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি ◈ কুমিল্লা-৬ সংসদীয় আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার,দিলেন নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব ◈ বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের হাজারো পোস্টাল ব্যালট পেপার যুক্তরাষ্ট্রের গুদামে ◈ চূড়ান্ত হলো নবম পে স্কেলের গ্রেড সংখ্যা ◈ যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসা স্থগিতে যেসব সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা ◈ জামায়াতসহ ১১ দলের ২৫৩ আসনে সমঝোতা, কোন দলের কত প্রার্থী ◈ বি‌সি‌বির প‌রিচালক নাজমুল প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলে শুক্রবার খেলতে প্রস্তুত ক্রিকেটাররা ◈ দেড় ঘণ্টা বৈঠক শেষে বৈঠক শেষে যমুনা ছাড়লেন তারেক রহমান

প্রকাশিত : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ০২:৪৯ রাত
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ০২:৪৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে কারণে বাংলা ভাষা আরও অবহেলিত হবে 

ড. কামরুল হাসান মামুন

ড. কামরুল হাসান মামুন: ধরুন দেশে কোনো ইংরেজি মাধ্যমের বা ভার্সনের কোনো স্কুল নেই। তাহলে অর্থবিত্ত বা শিক্ষায় কিংবা ক্ষমতায় দেশের প্রভাবশালীদের ছেলেমেয়েরা প্রচলিত বাংলা মাধ্যমে পড়তে বাধ্য হতো। তাহলে কি বাংলা মাধ্যমের কারিকুলাম নিয়ে আজকে যে খেলাটা সরকার বা মন্ত্রণালয় খেলে যাচ্ছে, সেই খেলাটা কি খেলতে পারতো? মোটেও না। যারা এখন ইংরেজি মাধ্যমে পড়ে বিদেশে যাচ্ছে তারা বাংলা মাধ্যমে পড়ে একটি বড় অংশই দেশের পাবলিক কিংবা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তো। এই ছেলেমেয়েদের একটা অংশ দেশের কবি, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ, বিজ্ঞানী, অর্থনীতিবিদ, খেলোয়াড়, শিক্ষক বা ব্যাংকার হতো। দেশের উচ্চবিত্তের এই সন্তানরা দেশে থাকতো। তখন সরকার শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়াতে বাধ্য হতো। বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়ার মান ভালো হতো। 

নতুন শিক্ষাক্রমের বাংলা মাধ্যমকে আরও অ-জনপ্রিয় করে ইংরেজি মাধ্যমকে আরও জনপ্রিয় করার ফলে উচ্চবিত্তের ছেলেমেয়েদের আরও বেশি হারে বিদেশমুখী করা হবে। দেশ আরও বেশি করে তাদের সার্ভিস পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে। বাংলা ভাষা আরও অবহেলিত হবে। এভাবেই দেশের পাবলিক কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বর্তমান প্রাইমারি স্কুলের মতো অবহেলিত হয়ে যাবে। এর খারাপ আছর পড়বে আমাদের প্রশাসনে, রাজনীতিতে, সাহিত্যে, বিজ্ঞান ও গবেষণায় যার লক্ষণ এখনই দেখা যাচ্ছে। লেখক: অধ্যাপক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়