শিরোনাম
◈ সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কতা, ছবি-ভিডিও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা ◈ পুরান ঢাকার চকবাজারে ৮ ঘণ্টা পরও নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন, কাজ করছে ১০ ইউনিট ◈ মোংলা ইপিজেডে ২১০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে চীনা প্রতিষ্ঠান ◈ ব্যাংককে চলছে বাংলাদেশের বড় পরীক্ষা, জ্বালানি ও বাড়তি ব্যয়ের বোঝা সামলাতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তা চায় বাংলাদেশ ◈ সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তার যে ৫ কারণে রিমান্ড চাওয়া হয় ◈ বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর শান্তিতে আছি, প্রধানমন্ত্রীকে বললেন হিন্দু নেতারা ◈ ডি মারিয়ার জোড়া গোল, রোসারিওর সহজ জয় ◈ আফগা‌নিস্তা‌নের বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ইনিংস ঘোষণা, লিটনের সেঞ্চুরি, জয় দেখ‌ছে টাইগাররা ◈ ২৫ বছরের ক্ষমতার পর মোদির সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ ◈ মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে আলোচনায় ১০ নেত্রী

প্রকাশিত : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১১:৫৪ রাত
আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১২:২২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজধানী রক্ষায় ওয়ান টাইম প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী

মনিরুল ইসলাম: [২] পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, পরিবেশ ধ্বংসকারী ‘ওয়ান টাইম’ প্লাস্টিকের ভয়ংকর ক্ষতি থেকে রাজধানী রক্ষায় ‘ওয়ান টাইম’ প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করা হবে।

[৩] রোববার জাতীয়  সংসদে সরকারি দলের  ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য  ফেরদৌস আহমেদের জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ (বিধি-৭১) এ আনীত নোটিশের জবাবে এ কথা জানান। 

[৪] আগামী দুই বছরের মধ্যে এর ব্যবহার ৯০ শতাংশ কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশমন্ত্রী।

[৫] মন্ত্রী জানান, সারাদেশে প্রতিদিন ৩০ হাজার মেট্রিক টন কঠিন বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এরমধ্যে ৭ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য উৎপন্ন হয় রাজধানী ঢাকা শহরে। আর এর ১০ শতাংশ হচ্ছে সিঙ্গেল ইউজড প্লাস্টিক বা ওয়ান টাইম প্লাস্টিক। এরমধ্যে পানির বোতল, প্লাস্টিক চামচ, প্লেট, স্ট্র জাতীয় প্লাস্টিক রয়েছে। 

[৬] তিনি এ সময় সংসদের প্রতি প্রস্তাব করেন, ‘এই মহান জাতীয় সংসদেও আমরা যেন সিঙ্গেল ইউজড প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করি। তাহলে বাংলাদেশের জন্য একটি ভালো দৃষ্টান্ত হবে।এছাড়া তিনি সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় ওয়ান টাইম প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে বায়ু দুষণ রোধে এগিয়ে আসার আহবান জানান। 

[৭] মন্ত্রী বলেন, আমরা আরও কিছু কাজ করছি সেটাকে বলা হয় ‘স্ট্যান্ডার্ড প্রডিউসার রেসপন্সিবলিটি’ অর্থাৎ যারা পণ্যগুলো তৈরি করবেন, তাদেরকে আমরা সেই পণ্যের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য দায়ী করতে চাই। এজন্য রুলস তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া আমরা সিঙ্গেল ইউজড প্লাস্টিক ব্যবহার থেকে বের হয়ে আসার জন্য কাজ করছি।

  • সর্বশেষ