সরকারিভাবে এখন থেকে মোট ৯২টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন করা হবে। এ বিষয়ে আজ রোববার নতুন একটি পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
দিবসগুলোকে আগের মতোই ক, খ ও গ শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ‘ক’ শ্রেণিতে ১৮টি, ‘খ’ শ্রেণিতে ৩৯টি এবং ‘গ’ শ্রেণিতে ৩৫টি দিবস পালন করা হবে।
নতুন পরিপত্রে ‘ক’ শ্রেণিতে ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ যুক্ত করা হয়েছে। গত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এটি অনুমোদন করা হয়।
‘খ’ শ্রেণিতে ৬ জুলাই ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস’ নতুন করে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এ ছাড়া জাতীয় চা দিবস ৪ জুনের পরিবর্তে ২১ মে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর মাধ্যমে গত ১১ মার্চের আগের পরিপত্রটি বাতিল করা হয়েছে।
খরচের বিষয়ে পরিপত্রে বলা হয়েছে, ‘ক’ শ্রেণির দিবস পালনে নির্দিষ্ট কোনো খরচের কথা উল্লেখ করা হয়নি। তবে ‘খ’ শ্রেণির দিবস আয়োজনে সরকারি খাত থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা খরচ করা যাবে। আর ‘গ’ শ্রেণির দিবস পালনে উন্নয়ন খাত থেকে কোনো বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হবে না।
দিবস পালনের ক্ষেত্রে কিছু নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত সাজসজ্জা ও বড় ধরনের আয়োজন যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। তবে সেমিনার বা সিম্পোজিয়াম এবং বেতার ও টেলিভিশনে আলোচনা করা যাবে।
কর্মদিবসে সমাবেশ বা শোভাযাত্রা পরিহার করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া দিবস পালনে জেলা পর্যায়ের কর্মচারীদের ঢাকায় আনাও যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে শিক্ষা সপ্তাহ, প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ, বিজ্ঞান সপ্তাহ, বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ (১-৭ আগস্ট), বিশ্ব শিশু সপ্তাহ (২৯ সেপ্টেম্বর-৫ অক্টোবর), জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ (নভেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহ) সশস্ত্র বাহিনী দিবস (২১ নভেম্বর), পুলিশ সপ্তাহ, বিজিবি সপ্তাহ, আনসার সপ্তাহ, মৎস্যপক্ষ, বৃক্ষরোপণ অভিযান এবং জাতীয় ক্রীড়া সপ্তাহ পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা নিয়ে কর্মসূচি পালন করতে বলা হয়েছে।