শিরোনাম
◈ মধ্যপ্রাচ্য সংকটে কমেছে এলপিজি আমদানি, ১ হাজার ৫৮৫ টাকার সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজারে ◈ মিডিয়াকে টার্গেট করে এই আইন করতে চাইনি, কোনো সাংবাদিক এর শিকার হোক, সেটাও চাই না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলের পৃথক প্রজ্ঞাপন নিয়ে যা বললেন মন্ত্রী ◈ আমার ৪০ বছরের ওকালতির ক্যারিয়ার, আপনি সাক্ষী কে দিয়ে জোর করে নাম বলাচ্ছেন: কাঠগড়া থেকে ক্ষোভ প্রকাশ কামরুল ইসলামের ◈ ধর্ষণ মামলার আসামির বিচার না চেয়ে তাঁকে স্বামী হিসেবে পেতে চান নারী, বিয়ে না দিলে আদালতে আত্মহত্যার হুমকি ◈ ‘অনুপ্রবেশকারী’ ঠেকাতে নিজ নাগরিকদেরই আটকে রাখছে ভারত, সীমান্তের বাফার জোনে দুর্ভোগ ◈ প্রিজনভ্যান থেকে ‘পিচ্চি রাজার’ পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত ◈ যে কারণে থাই বিমানবন্দরে দুই দিন ধরে আটকা বাংলাদেশ টেবিল টেনিস দল ◈ পাকিস্তান আকাশপথের অনুমতি না দেওয়ায় রূপপুরের পারমাণবিক জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত ◈ দিল্লিতে সড়ক পরিদর্শনে গিয়ে ভিডিও করায় তরুণকে মন্ত্রীর চড়, পাল্টা হাত তুললেন তরুণও (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৩:১০ দুপুর
আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৩:১০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মিডিয়াকে টার্গেট করে এই আইন করতে চাইনি, কোনো সাংবাদিক এর শিকার হোক, সেটাও চাই না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ এর সংশোধনী প্রস্তাব নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, এমন সাইবার সুরক্ষা আইন করতে চাই যেন সমাজের সব স্তরের মানুষ রক্ষা পায়। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ এর সংশোধনী প্রস্তাব নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা মনে করি, সবার আলাপ আলোচনার মধ্য দিয়ে আইনটা সমৃদ্ধ হবে। এখানে আমরা মিডিয়াকে টার্গেট করে এই আইনটা করতে চাইনি, চাইও না এবং কোন সাংবাদিক এটার শিকার হোক সেটা আমরা চাই না। যাতে সংবাদপত্র এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া, অনলাইন মিডিয়ার কোন সাংবাদিক অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে জন্য একটা প্রস্তাবও এখানে করা হয়েছে যে, তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার আগে আদালতের অনুমতি নিতে হবে।

তিনি বলেন, আপিল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে একটা সার্টেন টাইম লিমিট দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সেটাও আমরা দিছি, যাতে অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত কেউ ঝুলে না থাকে। আরও অন্যান্য বিষয় পরামর্শ আকারে তাদের কাছ থেকে আমরা পাবো। সেটা সমন্বয়ের জন্য আমরা পিআইইউ সাহেবকে ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছি। আইটি মিনিস্ট্রি এবং ইনফরমেশন মিনিস্ট্রি সেটা কো-অর্ডিনেট করবেন।সংবাদপত্রের সম্পাদক পরিষদের প্রতিনিধিরা থাকবেন এবং সঙ্গে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা থাকবেন। সাইবার সিকিউরিটি বা সাইবার এক্সপার্টদের একটা প্যানেল করা হবে। সেটা আইটি মিনিস্ট্রি করবে। তারা সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করবেন। 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আশা করছি সাত থেকে ১৫ দিনের মধ্যে রিকমেন্ডেশনগুলো পাবো। ১৫ দিন পরে আমরা সেটা অফিশিয়ালি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ যারা কমিটি মেম্বার সবার সঙ্গে বসে আমরা একটা সিদ্ধান্ত নেবো। এরপর সেটা আমরা কেবিনেটে নিয়ে যাওয়ার আগে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবো। ওয়েবসাইটে প্রকাশ করলে তখনও আপনারা মতামত দেওয়ার জন্য আপনাদের স্বাধীনতা থাকবে। সেটাও আমরা গ্রহণযোগ্য হলে সেটা ধারণ করবো। তারপরে বিল আকারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে বিধি মোতাবেক আন্তমন্ত্রণালয় সভা হয় এবং তারপরে কেবিনেটে সেটা বিবেচনার জন্য যাবে।

‘কেবিনেট যদি সেটা অ্যাপ্রুভ করে তখন সেটা বিল আকারে সংসদে যাবে। সংসদে গেলেও আমরা সেটা তাড়াহুড়া করে পাশ করবো না। সেখানে আলাপ আলোচনা হবে। বিরোধী দল, সরকারি দল সবাই আলোচনা করবে। সংসদের বাইরেও আশা করি, বিভিন্ন রকমের সেমিনার সিম্পোজিয়াম আপনারা করবেন। সেখান থেকেও মতামত আসবে। সবকিছু মিলিয়ে আমরা এমন একটা আইন করতে চাই, যে আইনের মাধ্যমে আমরা সমাজের সর্বস্তরের লোকজনকে রক্ষা করতে পারবো। বিশেষ করে আমাদের যুব সমাজ তাদের আমরা রক্ষা করতে পারবো।’

  • সর্বশেষ