সংকট কাটিয়ে সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার মধ্যেই বিরূপ আবহাওয়ার কারণে মহেশখালী ভাসমান টার্মিনাল থেকে এলএনজি সরবরাহ কমেছে প্রায় ৩০ কোটি ঘনফুট।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৯৮ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হলেও আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ৬টার দিকে তা কমে প্রায় ৬৮ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছে।
এতে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ২৬০ কোটি ঘনফুট থেকে কমে প্রায় ২৩০ কোটি ঘনফুটে দাঁড়িয়েছে।
আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে দুঃখপ্রকাশ পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, কক্সবাজারের মহেশখালী এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে আমদানিকৃত এলএনজি কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি সরবরাহ প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটছে। এতে, দেশে সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কিছুটা কমেছে।
বঙ্গোপসাগরের আবহাওয়ার উন্নতি হলে দ্রুততম সময়ে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।
দীর্ঘ প্রায় দুই মাস ব্যাহত থাকার পর এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার মাত্র ৮ দিনের মাথায় এমন তথ্য জানাল পেট্রোবাংলা।
গত ১৫ সেপ্টেম্বর দুটি ভাসমান স্টোরেজ ও রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) থেকে প্রায় ৯৯ কোটি ঘনফুট এলএনজি এবং গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রায় ১৬২ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এতে জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ দাঁড়ায় ২৬১ কোটি ঘনফুট।
গত ২১ জুলাই সংকট শুরু হওয়ার আগে দেশে দৈনিক গড়ে ১০০ কোটি ঘনফুট এলএনজি পাওয়া যেত এবং মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল সাধারণত ২৬০-২৬৫ কোটি ঘনফুট।
সূত্র : দ্য ডেইলি ষ্টার