শিরোনাম
◈ জ্যাকসের ঝড়ে লঙ্কা বিধ্বস্ত ◈ মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে জুবাইদা রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশ হতে পারে, মূল্যস্ফীতি বাড়ার পূর্বাভাস এডিবির ◈ সাইক্লিংয়ে বাংলাদেশের হতাশা : একজন অসুস্থ আ‌রেকজন ব‌্যর্থ ◈ ম্যানহাটনে বোমা আতঙ্ক, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হোটেলের আশপাশে কড়া নিরাপত্তা (ভিডিও) ◈ তারেক–এরদোগান বৈঠক: বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্কে নতুন সহযোগিতার দিগন্ত ◈ প্লাস্টিক দূষণ রুখতে বিশ্বকে বাংলাদেশের ‘সোনালি আঁশ’ পাটের দিকে তাকানোর আহ্বান ◈ বাড়ছে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রী এম‌পি‌দের সম্মানি ◈ আগামী পাঁচ বছ‌রে আন্তর্জা‌তিক ক্রিকেট সূচিতে বাড়বে টি-২০, কমবে দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ ◈ গাজায় মানবিক সহায়তা বন্ধ, নিষ্ক্রিয়তার জন্য সবার লজ্জিত হওয়া উচিত: ম্যাক্রোঁ (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০১:২২ দুপুর
আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০১:৩৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তিন আইনে মানবাধিকার সুরক্ষা দুর্বল, বিএনপি সরকার সংস্কারের প্রতিশ্রুতি ভেঙেছে: এইচআরডব্লিউ

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে সংসদে পাস হওয়া তিনটি আইন বাংলাদেশে মানবাধিকার সুরক্ষা দুর্বল করেছে এবং এর মাধ্যমে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে গেছে বলে মন্তব্য করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।

সংস্থাটির পর্যবেক্ষণ হলো, এসব আইনের মাধ্যমে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা ও তদন্তের ক্ষমতা কমানো হয়েছে, গুমের অভিযোগ তদন্তের ক্ষেত্রে আগের সুরক্ষা বাতিল করা হয়েছে এবং র‍্যাব বিলুপ্ত না করে শুধু নাম পরিবর্তন করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) করা হয়েছে। ফলে অতীতে ব্যাপকভাবে ঘটে যাওয়া গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নির্যাতনের পুনরাবৃত্তি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় জবাবদিহির ব্যবস্থা আরও দুর্বল হয়েছে বলে মনে করে সংস্থাটি।

advertisement

বিবৃতিতে সংস্থাটি আরও বলেছে, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের সংসদে অনুমোদিত তিনটি আইন মানবাধিকার সুরক্ষাকে দুর্বল করেছে এবং সংস্কারের বিষয়ে ক্ষমতাসীন বিএনপি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। এসব আইন ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করা অন্তর্বর্তী সরকারের তৈরি সুরক্ষাব্যবস্থাগুলো বাতিল করেছে। এর ফলে অতীতে ব্যাপকভাবে সংঘটিত গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার মতো মানবাধিকার লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি ঠেকানোর জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (এনএইচআরসি) শক্তিশালী করতে দুটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। এসব অধ্যাদেশে গুম প্রতিরোধ, তদন্ত এবং এর জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষমতাসহ বিভিন্ন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। চলতি বছরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার নির্বাচিত হওয়ার পর এখন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে এনএইচআরসির স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করা হয়েছে এবং তদন্তের ক্ষমতা দুর্বল করা হয়েছে। তৃতীয় আইনটি আধাসামরিক র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করার কথা বললেও, বাস্তবে শুধু এর নাম পরিবর্তন করেছে এবং পুলিশের ক্ষেত্রে যে সুরক্ষাব্যবস্থা রয়েছে, তার চেয়েও কম সুরক্ষা রাখা হয়েছে।

advertisement

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক অ্যালেইন পিয়ারসন বলেন, ‘অতীতের ভয়াবহ নির্যাতনের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে বাংলাদেশের প্রকৃত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংস্কার এবং এমন একটি স্বাধীন মানবাধিকার সংস্থা প্রয়োজন, যেটির নির্যাতনের অভিযোগ তদন্ত করার ক্ষমতা থাকবে। নিরাপত্তা বাহিনীকে নজরদারি ও জবাবদিহির বাইরে রাখতে নতুন সরকারের প্রচেষ্টার প্রেক্ষিতে এমন কোনো কারণ নেই যে, হত্যাকাণ্ড ও গুম অতীতের বিষয় হয়েই থাকবে বলে বিশ্বাস করা যায়।’

মানবাধিকার সংস্থাটি তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ শাসন করা ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। এর মধ্যে ছিল বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, ভিন্নমতের লোকদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার এবং বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগ। যদিও হত্যা ও গুমের ঘটনা ব্যাপকভাবে কমেছে, তবে তারেক রহমান সরকারও তাঁর পূর্বসূরি সরকারের মতো শত শত কথিত রাজনৈতিক বিরোধীকে নির্বিচারে আটক করে রেখেছে।

advertisement

আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে এনএইচআরসি প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু সংস্থাটি স্বাধীন ছিল না এবং নিরাপত্তা সংস্থার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করার ক্ষমতাও এটির ছিল না। তখনকার আইনে কমিশনার নিয়োগের জন্য গঠিত কমিটিতে সরকার বা সরকার-সমর্থিত কর্মকর্তাদের আধিপত্য ছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পেলে এনএইচআরসি শুধু ‘সরকারের কাছে প্রতিবেদন চাইতে’ এবং সুপারিশ জমা দিতে পারত।

অন্তর্বর্তী সরকার এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে এনএইচআরসিকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেয়। ওই অধ্যাদেশে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়, কমিশনার নিয়োগের প্রক্রিয়াকে আরও স্বাধীন করা হয় এবং অর্থায়ন ও জনবল ব্যবস্থাপনায় আরও শক্তিশালী ও স্বাধীন ব্যবস্থা রাখা হয়। প্রথমবারের মতো একটি জাতীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা বা ন্যাশনাল প্রিভেন্টিভ মেকানিজম (এনপিএম) তৈরি করা হয়। নির্যাতনবিরোধী কনভেনশনের ঐচ্ছিক প্রটোকলের অধীনে আটক রাখার স্থান পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণের জন্য এই ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক। তবে ফেব্রুয়ারিতে নতুন সরকার নির্বাচিত হওয়ার পর অধ্যাদেশটি বহাল না করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাওয়ার কথা ছিল।

বিএনপি সরকার অধ্যাদেশটি কার্যকর হতে দেয়নি। সংসদে বিরোধী দলের আইনপ্রণেতাদের ওয়াকআউটের পর গত ৬ সেপ্টেম্বর পাস হওয়া নতুন আইনে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ সরাসরি তদন্ত করার ক্ষমতা এনএইচআরসিকে দেওয়া হয়নি। কমিশন শুধু যে সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, সেই সংস্থার কাছে প্রতিবেদন চাইতে পারবে। তবে আইনের একটি অস্পষ্টভাবে লেখা ধারা থেকে মনে হয়, সংশ্লিষ্ট সংস্থা কোনো জবাব না দিলে অথবা তাদের দেওয়া প্রতিবেদন সন্তোষজনক বলে বিবেচিত না হলে এনএইচআরসি নিজস্ব তদন্ত শুরু করতে পারবে।

নতুন আইনে কমিশনার নিয়োগের প্রক্রিয়ায় সরকারের নিয়ন্ত্রণও ফিরিয়ে আনা হয়েছে। একই সঙ্গে এনএইচআরসির বাজেট ও প্রশাসনিক স্বাধীনতা কমিয়েছে এবং জাতীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার মর্যাদা ও স্বাধীনতাও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের ২০০৯ সালের আইনের অধীনে থাকা এনএইচআরসির মতো বর্তমান সরকারের গৃহীত আইনটিও তদন্তের ক্ষমতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা এবং পর্যাপ্ত লজিস্টিকের বিষয়ে প্যারিস নীতিমালার মানদণ্ড পূরণ করে না বলেই প্রতীয়মান হয়। জাতীয় মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্যারিস নীতিমালা হলো ন্যূনতম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড।

গত ৬ সেপ্টেম্বরই সংসদে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’ পাস হয়, যা অন্তর্বর্তী সরকারের আরেকটি অধ্যাদেশের সংস্কারগুলোকেও উল্টে দিয়েছে। বাতিল হয়ে যাওয়া ওই অধ্যাদেশে গুমের অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতা এনএইচআরসিকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নতুন আইনে বলা হয়েছে, গুমের অভিযোগ তদন্ত করবে অভিযুক্ত সংস্থা ছাড়া সরকারের নিয়োগ করা অন্য একটি নিরাপত্তা সংস্থা। একই সঙ্গে কোনো গোপন আটককেন্দ্রের অস্তিত্বের সন্দেহ হলে সেসবসহ আটক রাখার স্থান পর্যবেক্ষণ, পরিদর্শন ও তদন্তের যে ক্ষমতা অধ্যাদেশের মাধ্যমে এনএইচআরসিকে দেওয়া হয়েছিল, সেগুলোও বাতিল করা হয়েছে।

গুমের ক্ষেত্রে কমান্ডের বা নেতৃস্থানীয়দের দায়বদ্ধতার আইনি মানদণ্ডও পরিবর্তন করা হয়েছে। আগে এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের রোম সংবিধির ওপর ভিত্তি করে ছিল এবং কোনো লঙ্ঘনের বিষয়ে জানার কথা ছিল বা জানা সত্ত্বেও তা প্রতিরোধে ব্যর্থ হয়েছেন, এমন কর্মকর্তাদেরও দায়ী করা যেত। এখন কোনো কমান্ডিং কর্মকর্তাকে গুমের জন্য দায়ী করতে তাঁর সরাসরি নির্দেশ দেওয়ার প্রমাণ প্রয়োজন হবে।

গত ১০ সেপ্টেম্বর সংসদ ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন আইন’ পাস করে। এর মাধ্যমে র‍্যাবের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনে ভূমিকার কারণে যুক্তরাষ্ট্র র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। র‍্যাবের সাবেক সাত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্র লক্ষ্যভিত্তিক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এ ছাড়া সাবেক কয়েকজন সদস্য গুমের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন। ক্ষমতাসীন বিএনপি এর আগে র‍্যাব বিলুপ্ত করার দাবি জানিয়েছিল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচও একই দাবি করেছিল।

নতুন আইন অনুযায়ী ব্যাটালিয়নের জনবল, ক্ষমতা ও সম্পদ, যার মধ্যে নথিপত্রও রয়েছে, একটি কথিত নতুন বাহিনী স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসআরবি ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যক্রম শুরু করেছে। এমনকি এর লোগোটিও একই রাখা হয়েছে, শুধু RAB (র‍্যাব)-এর স্থলে SRB (এসআরবি) লেখা হয়েছে। মে মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছিলেন, র‍্যাবের নাম পরিবর্তন করলে যুক্তরাষ্ট্র হয়তো এর ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা ‘পুনর্বিবেচনা’ করতে পারে। মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা নতুন আইনে সুরক্ষাব্যবস্থা, প্রশিক্ষণ, নজরদারি বা জবাবদিহির কোনো ব্যবস্থা না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছেন।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, জরুরি ভিত্তিতে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সরকারের ওপর চাপ দেওয়া উচিত, যাতে নতুন আইনের অধীনে এসআরবির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এখনও খসড়া না হওয়া বিধিমালায় কঠোর মানবাধিকার যাচাই, স্বাধীন বহিরাগত নজরদারি, গ্রেপ্তার ও আটকের ক্ষেত্রে সুরক্ষাব্যবস্থা, র‍্যাবের নথি ও অন্যান্য প্রমাণ সংরক্ষণ এবং বেসামরিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়মিতভাবে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের প্রেষণে নিয়োগের অবসান নিশ্চিত করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের উচিত নতুন নামের এই একই সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা, যতক্ষণ না মানবাধিকার রক্ষা এবং অতীতের লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত করার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা কার্যকর হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্যসহ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অংশীদারদেরও দেশটির নতুন সরকারের উদীয়মান মানবাধিকার পরিস্থিতি ও নীতিগুলো নিয়ে জোরালো উদ্বেগ প্রকাশ করা উচিত।

অ্যালেইন পিয়ারসন বলেন, ‘তারেক রহমান ক্ষমতায় এসেছেন সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে। এর আগে আন্দোলনকারীরা এমন একটি সরকারকে উৎখাত করতে নিজেদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলেছিলেন, যে সরকার ব্যাপক ও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছিল। নতুন সরকার এত দ্রুত শেখ হাসিনার নিবর্তনমূলক পদাঙ্ক অনুসরণ করছে, যা গভীরভাবে উদ্বেগজনক। কারণ, এই পথ কোথায় নিয়ে যেতে পারে, আমরা তা আগেই দেখেছি।’

সূত্র: আজকের পত্রিকা 

  • সর্বশেষ