শিরোনাম
◈ ২০০০ অন্তর্বাস ও ১২ হাজার টি-ব্যাগ পুঁতলেন গবেষকেরা, যে ফল পেলেন ◈ দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: তারেক রহমান ◈ ‘বাংলাদেশ থেকে পালানো কোনো সন্ত্রাসী যেন ভারতের ভূখণ্ডে আশ্রয় না পায়’ ◈ পাশে থেকে বাংলাদেশকে যে কোনো সহায়তা দিতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: সারাহ আলড্রিচ ◈ জিয়াউর রহমান হত্যা: ৪৫ বছর পর মোজাফফরের ফোনে মিলল নতুন তথ্য ◈ ‘কেউ বড় নয়, কেউ ছোটও নয়—আমরা সমান’: ভারতীয় হাইকমিশনার ◈ একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু কাল, ক্লাস ২৩ সেপ্টেম্বর ◈ নেপাল-চীনে বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি হাজার ছাড়াল, নিখোঁজ ৪৪৬২ ◈ লোডশেডিং খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে কমে আসবে : জাহেদ উর রহমান ◈ মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার (ভিডিও)

প্রকাশিত : ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৩:১১ দুপুর
আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৩:১৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাশে থেকে বাংলাদেশকে যে কোনো সহায়তা দিতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: সারাহ আলড্রিচ

বাসস।। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ আলড্রিচ বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে একটি নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের পাশে আছে এবং যে কোনো সহায়তা  দিতে প্রস্তুত।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী স্মরণে গত ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসি’র বাংলাদেশ দূতাবাসে স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থী-জনতার আত্মদানের কথা স্মরণ করেন।  ওয়াশিংটন ডিসি’র বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস উইং থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সারাহ আলড্রিচ বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী নানা জটিলতা অতিক্রম করে অন্তর্বর্তী সরকার অল্প সময়ের মধ্যে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কও জোরদার করতে চায়। তিনি জুলাইয়ের চেতনায় দেশকে কৃষি, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক খাতে এগিয়ে নেওয়ার আহবান জানান। বাংলাদেশের ক্রমশ উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আটলান্টিক কাউন্সিলের সিনিয়র ফেলো মাইকেল কুগেলম্যান বলেন, বাংলাদেশের তরুণ জেন-জিরা গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে পরিবর্তনের সূচনা করেছেন, তা বিশ্বের বহু দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। সেই দিক থেকে বাংলাদেশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনা, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে গুণগত পরিবর্তন এবং বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে জীবনদানকারী শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র ‘জুলাইকন্যা’ প্রদর্শন করা হয়। তথ্যচিত্রটিতে জুলাই আন্দোলনে নারীদের অংশগ্রহণ, অবদান ও আত্মত্যাগের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও অন্যান্য সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

  • সর্বশেষ