শিরোনাম
◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি ◈ গঙ্গা চুক্তি নবায়ন ও তিস্তা প্রকল্পে অগ্রগতি: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কৌশলগত বার্তা ◈ কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক: ১০ সেপ্টেম্বর শেষ হবে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন ◈ নিম্নমানের কাজ রুখতে ৩০ প্রকল্পে সমস্যা চিহ্নিত, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

প্রকাশিত : ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ০৫:৫১ বিকাল
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অধিকতর যাচাই-বাছাই শেষে বিচার বিভাগের ৩ অধ্যাদেশ আবার সংসদে উত্থাপন করা হবে: আইনমন্ত্রী

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩ অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৭টি হুবহু বিল আকারে পাস করা হয়েছে। কার্যকারিতা হারিয়েছে ২০টি অধ্যাদেশ। সংশোধিত আকারে ১৬টি অধ্যাদেশ পাস করা হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারিকৃত অধ্যাদেশসমূহ জাতীয় সংসদে পাসের বিষয়ে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। সংসদে অধ্যাদেশ গুলো বিল আকারে পাসের ক্ষেত্রে সরকার কোনও অস্বচ্ছতা রাখেনি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংক্রান্ত তিনটি অধ্যাদেশ রহিত করা নিয়ে সরকারকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। বিরোধী দল এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলো রহিত করার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে বলেছে।

তবে এসব সমালোচনা কতটা যৌক্তিক সে প্রশ্ন রেখে আইনমন্ত্রী বলেন, যারা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংক্রান্ত বিলগুলো রহিতের সমালোচনা করছেন তারা না বুঝেই করছেন। অধিকতর যাচাই-বাছাই শেষে সেগুলো আবারও সংসদে উত্থাপন করা হবে।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংক্রান্ত আলোচিত ৩টি অধ্যাদেশ হচ্ছে, বিচারক নিয়োগসংক্রান্ত অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ। এই অধ্যাদেশগুলো রহিতের বিষয়ে বলা হয়েছে, অধিকতর যাচাই-বাছাই করার প্রয়োজন আছে।

এর আগে গত সোমবার (৬ এপ্রিল) রাষ্ট্র সংস্কারের অংশ হিসেবে জারি করা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সম্পর্কিত অধ্যাদেশ বাতিল করে এ বিভাগের স্বাধীনতাকে বাতিলের খাতায় ফেলে দেয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

টিআইবি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সম্পর্কিত তিনটি অধ্যাদেশ রহিতকরণের মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে একেবারেই বাতিলের কাতারে ফেলে দেয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যাদেশ বাতিল করা হচ্ছে, কিছু স্থগিত রাখা হচ্ছে এবং কিছু দুর্বল আকারে আইনে পরিণত করা হচ্ছে। বিশেষ করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ—এ তিনটি ক্ষেত্র একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত। এ ক্ষেত্রগুলোয় কোনো ধরনের আপস বা দুর্বলতা গ্রহণযোগ্য নয়।’

 

  • সর্বশেষ