শিরোনাম
◈ বেনাপোলে পাচারের শিকার ২৮ শিশুর স্বদেশ প্রত্যাবাসন ◈ এবার জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর নামে পাল্টা মামলা ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানালেন ভারতের স্পিকার ◈ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় ১০ উপদেষ্টা নিয়োগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ বিএনপি শপথ না নেওয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদের এখন কী হবে ◈ পররাষ্ট্র মন্ত্রী হলেন ড. খলিলুর রহমান ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ড. ইউনূসের শুভেচ্ছা বিনিময় ◈ বুধবার স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ কানাডাকে হা‌রি‌য়ে বিশ্বকা‌পের সুপার এইটে নিউজিল্যান্ড  ◈ ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় জামায়াতের জয় পশ্চিমবঙ্গে কীভাবে দেখা হচ্ছে?

প্রকাশিত : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:৩৭ বিকাল
আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নতুন সরকারের পর ড. ইউনূসের গন্তব্য কোথায়—বঙ্গভবন নাকি প্যারিস?

ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে বহুল প্রতিক্ষীত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে নতুন সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নবনির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছেন। তবে তিনি তার বাসভবন ছাড়েননি। সেখানে বেশ কিছুদিন থাকবেন বলে জানা গেছে। 

এদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, নতুন সরকার শপথ নেওয়ার প্রাক্কালে ড. ইউনূসের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও গুঞ্জন রয়েছে, নতুন সরকার চাইলে তিনি সাংবিধানিক কাঠামোর ভেতরে কোনো পদে থাকতে পারেন। বা তাকে রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি পদেও রাখতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

রাষ্ট্রের মন্ত্রী হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টাকে নিয়োগের পর এই ব্যাপারটি আর জোরদার হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। অনেকেই বলছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনুস। 

কিন্তু অন্য একটি সূত্র জানিয়ে তিনি বাংলাদেশে কয়েক সপ্তাহ থাকার পর প্যারিস চলে যাবেন। তাই অনেক বিশ্লেষকদের প্রশ্ন তিনি কি বঙ্গবভনে যাচ্ছেন নাকি প্যারিস উড়াল দিচ্ছেন, সেটা সময় বলে দিবে। 

তবে ড. ইউনূসসহ কাউকে নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো পদ চূড়ান্ত করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। 

তার ভাষ্য অনুযায়ী, তারেক রহমান অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থায় বিশ্বাস করেন এবং দেশের সেরা মেধাবীদের সম্পৃক্ত করতে চান। সেই পরিসরে ড. ইউনূসের সঙ্গেও কথা হতে পারে, তবে কোনো নির্দিষ্ট দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে কোনো কিছুই একেবারে অসম্ভব নয়। দেশের স্বার্থে দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের কাজে লাগাতে আগ্রহী তারেক রহমান। উন্নয়ন ভাবনাকে দলীয় সীমার বাইরে নিয়ে যাওয়ার পক্ষেও তিনি। তবে তিনি এখন পর্যন্ত কোনো সাংবিধানিক পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানাননি।

অন্যদিকে, ব্রিটিশ মানবাধিকারকর্মী ও অনুসন্ধানী সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানান, ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাষ্ট্রপতি হলে বাংলাদেশ উপকৃত হতে পারে।

তার মতে, দেশের ভেতরে কিছু সমালোচনা থাকলেও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ড. ইউনূসের গ্রহণযোগ্যতা ও মর্যাদা উচ্চ পর্যায়ের। অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মনোযোগী এক প্রধানমন্ত্রী এবং আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত এক রাষ্ট্রপতির সমন্বয় কার্যকর হতে পারে।

তারেক রহমান ও ড. ইউনূসের আলোচনায় রাষ্ট্রপতির পদ প্রসঙ্গও উঠেছিল। তবে বিএনপি এবং ড. ইউনূসের প্রেস সচিব উভয় পক্ষই এমন কোনো আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে বলে দাবি করেছে বার্গম্যান।

ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের পর রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব দেন ড. ইউনূস।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও বৈশ্বিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে তার অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

তবে ড. ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব শেষে অন্য কোনো সরকারি বা সাংবিধানিক পদে যাওয়ার আগ্রহ তার নেই। তিনি আগের কাজেই ফিরে যেতে চান। তার লক্ষ্য শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণের ধারণা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া।

তিনি আরও বলেন, এর পাশাপাশি নতুন সামাজিক ব্যবসা উদ্যোগ গড়ে তোলা এবং তরুণদের সঙ্গে কাজ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তার। এ বিষয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজে এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। উৎস: দেশ রুপান্তর।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়