শিরোনাম
◈ স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে যা জানাগেল ◈ কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব, সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুর-হামলা ◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দুদিন ঘরবাড়ি পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ইতালি, বাংলাদেশে গড়তে চায় এমআরও হাব ◈ রাশিয়ার পর বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের নজর ◈ বুক কাঁপছে আতঙ্কে, তবু থামছে না জীবিকার লড়াই : জীবিকার টানে সৌদি ফিরছেন প্রবাসীরা ◈ রাত গভীর হলেই বাড়ে বিদ্যুতের চাহিদা, ৩ হাজার মেগাওয়াট যাচ্ছে কোথায়? ◈ ঢাকা-কক্সবাজার রুটে নতুন ট্রেন মহানগর এক্সপ্রেস, ওঠা যাবে যেসব স্টেশন থেকে ◈ ওয়ান‌ডে সি‌রি‌জে অ‌স্ট্রেলিয়ার কা‌ছে হোয়াইট ওয়াশ বাংলাদেশ নারী দল  ◈ দেশের আট বিভাগে হচ্ছে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব, বাড়বে সাইবার অপরাধ দমনের সক্ষমতা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬, ০২:৩২ দুপুর
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আধিপত্য ও চাঁদাবাজি নিয়ে দ্বন্দ্বে মুছাব্বির হত্যাকাণ্ড, বিদেশে থাকা ‘বিনাশ’-এর নির্দেশ: ডিবি (ভিডিও)

রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করেই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে।

আজ শনিবার সকালে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম এই তথ্য জানান।

ডিবি প্রধান জানান, কারওয়ান বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে ও গোপনে চাঁদা আদায়ের জন্য আট থেকে নয়টি সিন্ডিকেট সক্রিয়। এই চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ ও অর্থের ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরেই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়। বিদেশে পলাতক আন্ডারওয়ার্ল্ড সন্ত্রাসী দিলীপ ওরফে ‘বিনাশ’-এর নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।


শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘চাঁদাবাজদের কোনো নির্দিষ্ট দল নেই। কারওয়ান বাজারের মতো বড় কাঁচাবাজারে দখল বাণিজ্য টিকিয়ে রাখতে তারা বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ব্যানারের আশ্রয় নেয়।’

Advertisement

গত ৭ জানুয়ারি কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ের পাশের একটি গলিতে স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা উত্তর সিটি ইউনিটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় জড়িত অন্যতম প্রধান শ্যুটার মো. রহিমকে গতকাল শুক্রবার নরসিংদীর মাধবদী থেকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।


রহিমের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন ও ১২ রাউন্ড গুলি।

এর আগে গত ১১ জানুয়ারি এই মামলার আরও চার আসামি—জিন্নাত, আবদুল কাদির, মো. রিয়াজ ও মো. বিলালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এ নিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত মোট পাঁচজন এখন পুলিশের হেফাজতে।

সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে প্রাপ্ত তথ্যের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, রহিম ও জিন্নাত নামের দুইজন সরাসরি গুলিবর্ষণে অংশ নেয়। গ্রেপ্তারের পর একজন আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন, যেখানে ‘দাদা’ বা বিনাশের নির্দেশনার কথা উঠে এসেছে। বিনাশ বর্তমানে দেশের বাইরে থাকলেও তাঁর নাম ভাঙিয়ে কারওয়ান বাজারে নিয়মিত চাঁদা তোলা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ডিবি প্রধান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কারওয়ান বাজারের এই ৮-৯টি চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট আমরা অচিরেই ভেঙে দেব। খুব শিগগিরই সেখানে বিশেষ অভিযান শুরু করা হবে।’ তিনি আরও জানান, সামনে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তবে পুলিশ সতর্ক রয়েছে এবং গত এক মাসেই সর্বোচ্চ ১৩টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

 

  • সর্বশেষ